Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Thursday
April 16, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
THURSDAY, APRIL 16, 2026
মৃত্যুর ১৫ বছর পরও নিলামে রেকর্ড গড়ছেন ‘ভারতের পিকাসো’, কেন হিন্দুত্ববাদীরা এতে ক্ষুব্ধ?

আন্তর্জাতিক

সিএনএন
28 October, 2025, 01:50 pm
Last modified: 28 October, 2025, 01:48 pm

Related News

  • হরমুজে মার্কিন অবরোধ, রুশ তেলে ছাড়ের মেয়াদ শেষ; ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নয়া সংকটে
  • কূটনৈতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে ইতিবাচক ধারায় আখাউড়া স্থলবন্দরের রপ্তানি বাণিজ্য
  • কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে আর নেই
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ও রাজনৈতিক পোস্ট নিয়ন্ত্রণে ভারতের নতুন নিয়ম প্রস্তাব
  • জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের

মৃত্যুর ১৫ বছর পরও নিলামে রেকর্ড গড়ছেন ‘ভারতের পিকাসো’, কেন হিন্দুত্ববাদীরা এতে ক্ষুব্ধ?

এক দিকে আকাশছোঁয়া সাফল্য, অন্যদিকে পুরনো বিতর্কের পুনরাবৃত্তি—এই দুই মেরুতে দাঁড়িয়েই বারবার আলোচিত হয়েছেন ‘ভারতের পিকাসো’ হিসেবে পরিচিত মকবুল ফিদা হুসেন।
সিএনএন
28 October, 2025, 01:50 pm
Last modified: 28 October, 2025, 01:48 pm
ছবি: এএফপি

বিংশ শতাব্দীর ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী মকবুল ফিদা হুসেন। এক দিকে আকাশছোঁয়া সাফল্য, অন্যদিকে পুরনো বিতর্কের পুনরাবৃত্তি—এই দুই মেরুতে দাঁড়িয়েই বারবার আলোচিত হয়েছেন 'ভারতের পিকাসো' হিসেবে পরিচিত এই শিল্পী।

চলতি বছর মার্চ মাসে নিউইয়র্কের ক্রিস্টি'জে অনুষ্ঠিত এক নিলামে হুসেনের গ্রামীণ জীবন নিয়ে আঁকা ১৪ ফুট দীর্ঘ এক কালজয়ী চিত্রকর্ম, 'আনটাইটেলড (গ্রাম যাত্রা)', আধুনিক ভারতীয় শিল্পের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি শিল্পকর্ম হিসেবে বিক্রি হয়। ছবিটি ১ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়ে আগের সব রেকর্ড প্রায় দ্বিগুণ করে দেয়। দর্শক-শ্রোতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে হাততালি দিয়ে এই বিরল মুহূর্তকে স্বাগত জানান।

তবে, এর তিন মাস পর, মুম্বাইয়ে হুসেনের ২৫টি দীর্ঘদিন ধরে হারিয়ে যাওয়া ছবির নিলাম ঘিরে পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন, অনেকটাই উৎসববিহীন। একটি কট্টরপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী হুসেনের আঁকা 'অশ্লীল ও আপত্তিকর' পবিত্র চিত্রের প্রতিবাদে নিলাম বাতিলের দাবি জানায়। তারা সতর্ক করে যে দাবি না মানলে 'তীব্র জনবিক্ষোভ' হবে। এর জেরে নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ের বাইরে পুলিশি টহল ও ব্যারিকেড দেখা যায়।

যদিও নিলামটি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছিল, কিন্তু এই বিপরীতমুখী পরিবেশ হুসেনের শিল্পজীবনকে ঘিরে থাকা প্রশংসা ও বিতর্কের চিত্রটি আবারও সামনে নিয়ে আসে। চলতি বছরেই দিল্লির একটি আদালত যখন তার দুটি 'আপত্তিকর' চিত্রকর্ম বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয়, তখন তার এই মেরুকৃত খ্যাতি আরও জোরালো হয় যখন। অন্যদিকে, সম্প্রতি হুসেনের কাজগুলোর জন্য কাতার ফাউন্ডেশন একটি পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে ভারতে নিজের নিরাপত্তার আশঙ্কায় দেশ ছাড়ার পর কাতারই তাকে নাগরিকত্ব দিয়েছিল।

২৫টি ছবির মধ্যে চারটি, যেগুলোর নিলামকে কেন্দ্র করে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের হুমকি আসে, তা বিক্রির আগে মুম্বাইয়ের পুন্দোল গ্যালারিতে প্রদর্শিত হচ্ছে। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

লোক ও পপ সংস্কৃতির সাহসী, বর্ণিল উপস্থাপনার জন্য হুসেন ভারতীয় আধুনিকতার পথিকৃৎ হিসেবে প্রশংসিত। তিনি মাদার তেরেসা, ইন্দিরা গান্ধী থেকে শুরু করে বলিউড তারকা ও পৌরাণিক চরিত্র পর্যন্ত সব ধরনের আইকন নিয়ে কাজ করেছেন। তবে, হিন্দু দেব-দেবীর তার আঁকা নগ্ন ছবিগুলি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়। তার সমর্থকরা মনে করেন, মুসলিম পরিচয়ের কারণেই এই প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হয়েছে।

হুসেনের জীবনের শেষ অংশ প্রতিবাদ, আইনি পদক্ষেপ, মৃত্যুর হুমকি এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় জর্জরিত ছিল। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট পরে তাকে নির্দোষ ঘোষণা করলেও, তিনি ২০১১ সালে লন্ডনে স্বেচ্ছানির্বাসনে মারা যান। চলতি বছর জুনের মুম্বাই নিলামের বিরোধিতা করে হিন্দু জনজাগৃতি সমিতি নামের ডানপন্থী দলটি এক বিবৃতিতে বলে, 'হুসেন ইচ্ছাকৃতভাবে দেবদেবীদের অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ছবি এঁকেছেন...যার ফলে বিশ্বের কোটি কোটি হিন্দুর অনুভূতিতে গুরুতর আঘাত লেগেছে।' 

মৃত্যুর প্রায় ১৫ বছর পর পুরোনো ক্ষোভের এই পুনরুত্থান বিশ্ব শিল্প বাজারে তার কাজের প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের কারণে হতে পারে। তবে, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্কিন স্কুল অফ আর্টের শিল্প ইতিহাস ফেলো ড. দিভা গুজরালের মতে, হুসেনের কাজের প্রতিক্রিয়া হিন্দু জাতীয়তাবাদের একটি সূচকও বটে। তার সবচেয়ে বিতর্কিত কাজগুলি ১৯৭০-এর দশকে তৈরি হলেও, প্রতিবাদ শুরু হয় ১৯৯০-এর দশকে, যখন হিন্দুত্ববাদী আদর্শ প্রসার লাভ করে এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা গভীর হয়। 

তার মতে, 'হুসেনের কাজের গ্রহণযোগ্যতা ভারতীয় সাংস্কৃতিক রাজনীতির জন্য একটি ভালো লিটমাস পরীক্ষা, কারণ এমন সময়ও ছিল যখন এটি বিতর্কিত ছিল না।' 

১৯১৫ সালে পান্ধারপুরে জন্ম নেওয়া হুসেন অল্প বয়স থেকেই হিন্দু ও ইসলাম উভয় ধর্মেরই সংস্পর্শে এসেছিলেন। মায়ের মৃত্যুর পর তিনি মাদ্রাসা ও লোক ঐতিহ্যের মাঝে বেড়ে ওঠেন। মুম্বাইয়ে হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য বিলবোর্ড আঁকতে গিয়ে সমসাময়িক বিখ্যাত তারকা এবং বলিউডের প্রতি তার মুগ্ধতা তৈরি হয়।

১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর, হুসেন এফ.এন. সুজা এবং এস.এইচ. রাজার মতো শিল্পীদের সাথে বোম্বে প্রগ্রেসিভ আর্টিস্টস' গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। এই গোষ্ঠী পশ্চিমা শিল্পকে কেবল গ্রহণ করেনি, বরং ভারতীয় অভিজ্ঞতার সাথে কিউবিস্ট-অনুপ্রাণিত একটি নতুন ভিজ্যুয়াল ভাষা তৈরি করতে চেয়েছিল। 

ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

'আনটাইটেলড (গ্রাম যাত্রা)' এই পদ্ধতিরই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। ১৯৫৪ সালে তৈরি চিত্রকর্মটিতে ১৩টি প্রাণবন্ত ছোট ছোট চিত্র রয়েছে, যার প্রত্যেকটিতে গ্রামীণ জীবনের একটি অংশ তুলে ধরা হয়। বিমূর্ত গ্রামবাসীদের জমি চাষ, শস্য মাড়াই এবং পশুপালনের কাজে নিয়োজিত দেখানো হয়েছে। অন্য একটি চিত্রে, একজন কৃষক প্রতীকীভাবে তার প্রতিকৃতির ফ্রেমের বাইরে হাত বাড়িয়ে পাশের ছোট চিত্রের একটি ল্যান্ডস্কেপ ধরে আছেন।

ক্রিস্টি'জের দক্ষিণ এশীয় আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্পের প্রধান নিশাদ আভারি বলেন, 'এটি আক্ষরিক অর্থেই কৃষককে জমি, রাজ্য এবং জাতিকে সমর্থন করার চিত্র। হুসেন এর মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, আমরা স্বাধীনতা-পরবর্তী আধুনিকীকরণ এবং নতুন যুগে প্রবেশ করলেও, দেশের ভিত্তি যে গ্রামীণ মানুষ, তাদের ভুলে যাওয়া উচিত নয়।' 

হুসেনের অনেক সমসাময়িক শিল্পী বিদেশে চলে গেলেও, হুসেন ভারতেই থেকে যান। তা সত্ত্বেও, তিনি বিশ্বব্যাপী কিছু স্বীকৃতি পেয়েছিলেন, ১৯৬৪ সালে নিউইয়র্ক সিটিতে প্রদর্শনী করেন, ১৯৭১ সালে ব্রাজিলের সাও পাওলো বিয়েন্নালে পিকাসোর সাথে অংশ নেন। এই সময়ে হুসেন নারীদের রূপ নিয়েও কিছু কাজ করেন, যার মধ্যে দুর্গা ও লক্ষ্মীর মতো হিন্দু দেবদেবীর ছবিও ছিল, কখনও কখনও উত্তেজক বা কামোদ্দীপক ভঙ্গিতে।

হুসেন বরাবরই দাবি করেছেন যে তিনি কখনও দেবদেবীদের অবমাননা করতে চাননি। তার বিষয়বস্তু দেবদেবীরা নিজে ছিলেন না, বরং তাদের আইকনোগ্রাফি—মন্দিরের শিল্পকর্মে, ভাস্কর্যে তারা যেভাবে আবির্ভূত হতেন। নগ্নতার উৎস তার কল্পনা নয়, বরং ভারতীয় শিল্প ইতিহাস। 

২০০৬ সালে ভারতের বেঙ্গালুরুতে এক বিক্ষোভে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের কর্মীরা হুসেনের পোস্টার পুড়িয়ে দিচ্ছেন। ছবি: রয়টার্স

তবে, কিছু সমালোচক তাঁর কাজকে 'এক ধরনের অবমাননাকর কাজ' হিসেবে দেখেন। গুজরাল ব্যাখ্যা করেন, হিন্দু জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে মুসলিম হানাদারকে প্রায়শই হিন্দু নারীর শালীনতা ক্ষুণ্ণকারী হিসেবে দেখানো হয়। ফলে, হুসেন হয়ে ওঠেন 'হিন্দু নারীকে বিবস্ত্রকারী মুসলমান', যা 'মুসলমানরা যা তাদের নয়, তা কেড়ে নিচ্ছে' এমন পুরনো ধারণাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে।

১৯৮০-এর দশক সম্পূর্ণ পার হয়ে যায়, এর আগে চিত্রকর্মগুলো কোনও উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় বিরোধিতার সম্মুখীন হয়নি। সেই সময়ে, হুসেনকে এমনকি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানেও স্বাগত জানানো হয়েছিল, তিনি ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য হন এবং ১৯৯২ সাল পর্যন্ত সেখানে দায়িত্ব পালন করেন।

তবে, ১৯৯৬ সালে একটি হিন্দু মাসিক পত্রিকা দেবী সরস্বতীর নগ্ন চিত্রের সাথে 'এম.এফ. হুসেন: একজন চিত্রশিল্পী নাকি কসাই' শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করলে পরিস্থিতি বদলে যায়। এরপর তার বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি অভিযোগ, ১৯৯৮ সালে তার মুম্বাইয়ের বাড়ি ও গ্যালারিতে হামলা, ২০০৬ সালে হত্যার জন্য পুরস্কার ঘোষণা এবং ইন্দোর আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা—এসবই তাকে স্বেচ্ছানির্বাসনে যেতে বাধ্য করে।

ভারতকে এক নগ্ন নারী হিসেবে চিত্রিত করার পর জনসমক্ষে ক্ষমা চেয়েও তিনি সমালোচকদের শান্ত করতে পারেননি। ২০০৬ সালে ভারত ছাড়ার পর ২০০৮ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট তাকে অশ্লীলতার অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয় এবং ভারতে 'নতুন শুদ্ধিকরণ'-এর সমালোচনা করে। তবুও হুসেন আর কখনো দেশে ফেরা নিরাপদ মনে করেননি। তার এই দুর্দশা ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতার সমর্থকদের জন্য একটি সমাবেশের কারণ হয়ে ওঠে। সালমান রুশদি সহ অনেকে হুসেনের 'অপর্যাপ্ত' সুরক্ষা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য ভারত সরকারের সমালোচনা করেন।

অশ্লীলতার মামলার পর মুম্বাইয়ে হুসেনের বাড়ির সামনে সমর্থকদের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ। ছবি: রয়টার্স

জীবনের শেষ সময়গুলোতে হুসেন দুবাই, দোহা এবং লন্ডনে কাটিয়েছেন। ভারতীয় পাসপোর্ট জমা দিয়ে কাতারের নাগরিকত্ব নেওয়ার সময় তিনি বলেছিলেন: 'ভারত আমার মাতৃভূমি, এবং আমি কখনোই সেই দেশ ছাড়তে পারি না। যা আমি জমা দিয়েছি তা কেবল এক টুকরো কাগজ।' তার বন্ধু অভিষেক পোদ্দার জানান, হুসেন সব সময় ভারতের জন্য মন খারাপ করতেন, এমনকি সেখানকার মাটির জন্যও তার আকুলতা ছিল।

হুসেন যেকোনো স্থানে, সর্বত্র ছবি আঁকতেন। একজন শোম্যান হিসেবে পরিচিত, তিনি এমনকি লাইভ পারফরম্যান্সের সময়ও ছবি আঁকতেন এবং সাথে সাথেই সেই কাজগুলো নিলামে তুলতেন। উপসাগরীয় রাজপরিবার এবং শিল্পপতি ধনকুবেরদের কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে, তিনি এক ধরনের শিল্প-জগতের সেলিব্রিটি ছিলেন, তার স্বতন্ত্র চেহারা, ডিজাইনার স্যুট এবং জুতা ছাড়া হাঁটার খ্যাতি সবই ছিল তার নিজের আইকন তৈরির অংশ।

হুসেনের দেবী চিত্রকর্মগুলো তার জীবনব্যাপী বিশাল কাজের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। তার মোট কাজের পরিমাণ ৩০হাজার থেকে ৪০হাজারের মধ্যে; যার মধ্যে প্রিন্টমেকিং, লেখা এবং চলচ্চিত্র নির্মাণও অন্তর্ভুক্ত। ভারত ছাড়ার পরেও তিনি একইরকম ফলপ্রসূ ছিলেন: ২০০৭ সালে তিনি বলিউডের ক্লাসিক 'মোগল-এ-আজম' দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ৫১টি চিত্রকর্ম সম্পন্ন করেন। মৃত্যুর আগে তিনি আল্লাহ'র ৯৯টি নামের উপর ভিত্তি করে ৯৯টি শিল্পকর্মের একটি সিরিজ নিয়ে কাজ করছিলেন, যা আরব সভ্যতার ইতিহাস তুলে ধরছিল।

পোদ্দার বলেন, 'তার সবসময় ছবি আঁকার প্রয়োজন ছিল।' খালি পায়ের শিল্পী হিসেবে হুসেন পরিচিত ছিলেন। তার লম্বা তুলি ছড়ি হিসেবে ব্যবহার করা, স্বতন্ত্র চেহারা এবং ডিজাইনার স্যুট—এসবই তার নিজের এক আইকন তৈরির অংশ ছিল। তবে, তার শিল্পকর্মের প্রতিক্রিয়াগুলো তিনি উদ্দেশ্য করেছিলেন কিনা, সে বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে।

পোদ্দার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, হুসেনের হিন্দু আইকনগুলোর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি তার অন্যান্য ধর্মীয় বিষয়ের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির মতোই ছিল। তার ২০০৪ সালের চলচ্চিত্র 'মীনাক্ষী: এ টেল অফ থ্রি সিটিজ'-এর একটি গানে কোরআনের শব্দ ব্যবহারের জন্য ইসলামিক গোষ্ঠীগুলোও তাকে ধর্মদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছিল। 

পোদ্দার বলেন, 'যদি ইসলামের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্বদের একটি দেবালয় থাকত, তাহলে আমি মনে করি না যে তিনি সেটিকে খ্রিস্ট ধর্ম, শিখ ধর্ম, হিন্দু ধর্ম বা অন্য যেকোনো ধর্মের থেকে ভিন্নভাবে দেখতেন।' 

'আমি মনে করি না যে তার কখনও হিন্দু-বিরোধী কোনো উদ্দেশ্য ছিল। কখনও না,' বলেন তিনি। 

Related Topics

টপ নিউজ

ভারত / ভারতের পিকাসো / মকবুল ফিদা হুসেন / আন্টাইটেল্ড

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • দয়াগঞ্জের পরিবারগুলো পরিবর্তিত জীবনের সাথে মানিয়ে নিচ্ছে। ছবি: মেহেদী হাসান/ টিবিএস
    ফ্ল্যাটে বসবাস, লিফটে ওঠানামা: সুইপার কলোনির জীবনযাত্রায় বদল এসেছে কতটা 
  • লিমারেন্স এক অনন্য অনুভূতি যা প্রেম বা মোহ থেকে আলাদা। ছবি: বিবিসি
    লিমারেন্স: যখন ক্রাশ পরিণত হয় পাগলামিতে
  • ফাইল ছবি: রয়টার্স
    ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত ইতালির; ‘মেলোনির সাহস নেই’, বললেন ট্রাম্প
  • সেকালে চার-পাঁচ হাত ঘুরে আড়াই-তিন ভরির ভারি গয়না তৈরি করতে চার-পাঁচ দিনও লেগে যেত। যন্ত্রপাতিও ছিল সাদামাটা- চিমটা, সাড়াশি, প্লাস, ছেনি, ডালা, ড্রিল, টপনা, নিক্তি, কাঁসলা, খিল্লা, পান সিল, হাতুড়ি, কুঁচি ব্রাশ, যন্ত্রী, শান পাথর, ধোকা, ইত্যাদি। ছবি: রাজীব ধর/টিবিএস
    তাঁতিবাজারের শেষ স্বর্ণকারেরা
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: রয়টার্স
    দেশে পেপাল চালু করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
  • ছবি: এএফপি
    সময়ক্ষেপণ করতে আবারও ইরানের সঙ্গে চুক্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র

Related News

  • হরমুজে মার্কিন অবরোধ, রুশ তেলে ছাড়ের মেয়াদ শেষ; ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নয়া সংকটে
  • কূটনৈতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে ইতিবাচক ধারায় আখাউড়া স্থলবন্দরের রপ্তানি বাণিজ্য
  • কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে আর নেই
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ও রাজনৈতিক পোস্ট নিয়ন্ত্রণে ভারতের নতুন নিয়ম প্রস্তাব
  • জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের

Most Read

1
দয়াগঞ্জের পরিবারগুলো পরিবর্তিত জীবনের সাথে মানিয়ে নিচ্ছে। ছবি: মেহেদী হাসান/ টিবিএস
ফিচার

ফ্ল্যাটে বসবাস, লিফটে ওঠানামা: সুইপার কলোনির জীবনযাত্রায় বদল এসেছে কতটা 

2
লিমারেন্স এক অনন্য অনুভূতি যা প্রেম বা মোহ থেকে আলাদা। ছবি: বিবিসি
আন্তর্জাতিক

লিমারেন্স: যখন ক্রাশ পরিণত হয় পাগলামিতে

3
ফাইল ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত ইতালির; ‘মেলোনির সাহস নেই’, বললেন ট্রাম্প

4
সেকালে চার-পাঁচ হাত ঘুরে আড়াই-তিন ভরির ভারি গয়না তৈরি করতে চার-পাঁচ দিনও লেগে যেত। যন্ত্রপাতিও ছিল সাদামাটা- চিমটা, সাড়াশি, প্লাস, ছেনি, ডালা, ড্রিল, টপনা, নিক্তি, কাঁসলা, খিল্লা, পান সিল, হাতুড়ি, কুঁচি ব্রাশ, যন্ত্রী, শান পাথর, ধোকা, ইত্যাদি। ছবি: রাজীব ধর/টিবিএস
ফিচার

তাঁতিবাজারের শেষ স্বর্ণকারেরা

5
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: রয়টার্স
বাংলাদেশ

দেশে পেপাল চালু করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

6
ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

সময়ক্ষেপণ করতে আবারও ইরানের সঙ্গে চুক্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net