Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
March 13, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, MARCH 13, 2026
মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় বিরল মৃত্তিকা উত্তোলন ব্যাপকভাবে বেড়েছে, যাচ্ছে চীনে

আন্তর্জাতিক

আল জাজিরা
09 August, 2025, 02:30 pm
Last modified: 09 August, 2025, 02:30 pm

Related News

  • সংকেতের লড়াই: যেভাবে রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা তথ্যে সুবিধা পাচ্ছে ইরান
  • চীনের তেলের লাইফলাইনকে চাপে ফেলেছে ইরান যুদ্ধ
  • যুদ্ধাবস্থায় জলপথ রুদ্ধ হলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে চীনে লাখ লাখ ব্যারেল তেল পাঠাচ্ছে ইরান
  • বাংলাদেশ থেকে বেইজিং ও গুয়াংজু রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়াতে চায় চীন
  • চীন থেকে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ সরকারের, ভারত থেকে বাড়ছে ডিজেল আমদানি

মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় বিরল মৃত্তিকা উত্তোলন ব্যাপকভাবে বেড়েছে, যাচ্ছে চীনে

চীন সীমান্তে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ২৬টি ও থাইল্যান্ডের কাছে দুটি নতুন খনি ধরা পড়েছে স্যাটেলাইট চিত্রে।
আল জাজিরা
09 August, 2025, 02:30 pm
Last modified: 09 August, 2025, 02:30 pm
ছবি: আল জাজিরা

মিয়ানমারে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে বিরল মৃত্তিকা খনিজ উত্তোলন ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এসব খনিজ চীনের বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়। এ খনিজ উত্তোলনের ফলে মেকং নদীসহ থাইল্যান্ডের বিভিন্ন জলপথে বিষাক্ত ভারী ধাতুর মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্বে বিরল মৃত্তিকা পরিশোধন শিল্পে চীনের আধিপত্য রয়েছে। উইন্ড টারবাইন থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পর্যন্ত সবকিছুতেই এই খনিজ অন্যতম মূল উপাদান। তবে এর কাঁচামালের জন্য চীন বহুলাংশে প্রতিবেশী মিয়ানমারের ওপর নির্ভরশীল। দেশটিতে এসব খনিজের খনির কারণে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন বিষিয়ে উঠছে বলে অভিযোগ আছে।

সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্র ও পানির নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, খনিগুলো খনিজ উত্তোলনের কার্যক্রম বাড়ছে। তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পরিবেশগত ক্ষতিও।

পূর্ব মিয়ানমারের শান স্টেটভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন শান হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের মুখপাত্র সাই হর সেং আল জাজিরাকে বলেন, 'খনিজ উত্তোলন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর স্থানীয় জনগণের জন্য কোনো সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।'

তিনি আরও বলেন, 'পরিবেশের কী ক্ষতি হচ্ছে বা থাইল্যান্ডে খনিগুলোর ভাটি অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের কী হবে, এসব নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।'

গত জুনে উত্তর থাইল্যান্ডের চিয়াং রাই প্রদেশে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ এক বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন। মিয়ানমারের খনি পরিচালনাকারীদের দূষণ বন্ধ করতে চাপ দেওয়ার জন্য তারা থাই সরকার ও চীনকে আহ্বান জানান।

চিয়াং রাইয়ের গ্রামবাসীরা এ বছরের বর্ষা শুরুর আগে, অর্থাৎ মে মাসের শুরুতে, প্রথম কোক নদীর পানির অদ্ভুত কমলা-হলুদ আভা লক্ষ করেন। মেকংয়ের উপনদী কোক মিয়ানমার থেকে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেছে।

এরপর থেকে থাই কর্তৃপক্ষের চালানো একাধিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওই নদীর পানি আর্সেনিক ও সিসার মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত নিরাপদ মাত্রার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।

মিয়ানমারের শান স্টেটে কোক নদীর পশ্চিম তীরে একটি বিরল মৃত্তিকা খনি এলাকার স্যাটেলাইট চিত্র, ৬ মে, ২০২৫-এ তোলা। ছবি সৌজন্যে: শান হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন

থাই কর্তৃপক্ষ কোক নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সেই পানি স্পর্শ করতেও নিষেধ করেছে। এছাড়া মেকংয়ের আরেক উপনদী সাইয়ের—মিয়ানমার থেকে থাইল্যান্ডে প্রবাহিত—পানি ও মেকংয়ের মূল প্রবাহেও মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক মিলেছে।

এই দূষিত পানি এখন ফসল, গবাদিপশু ও মানুষের কতটা ক্ষতি করবে, তা নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে মানবদেহ উচ্চমাত্রার আর্সেনিকের সংস্পর্শে থাকলে স্নায়ুতন্ত্রের বিকার, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হওয়া ও ক্যান্সারের মতো রোগ হতে পারে।

মানবাঅধিকার সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল রিভার্সের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ক্যাম্পেইন ডিরেক্টর পিয়ানপর্ন দিতি আল জাজিরাকে বলেন, 'মানুষ সেচ ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বিগ্ন। কারণ তারা এখন ধানখেতের জন্য কোক ও সাই নদীর পানি ব্যবহার করছে। আর এখানকার জনসংখ্যার জন্য ধান একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল।'

থাই কর্তৃপক্ষ নদী দূষণের জন্য মিয়ানমারের খনিগুলোকে দায়ী করলেও তারা এর সঠিক উৎস সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেয়নি।

তবে মানবাধিকার গোষ্ঠী ও পরিবেশকর্মীরা বলছেন, খনিগুলো শান স্টেটের দুর্গম অঞ্চলে অবস্থিত; ওইসব জায়গা ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির (ইউডব্লিউএসএ) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইউডব্লিউএসএ সুসজ্জিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী। তারা এ অঞ্চলে দুটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত ছিটমহল পরিচালনা করে—যার একটির সীমান্ত চীনের সাথে, অপরটি থাইল্যান্ডের সাথে।

এর ফলে ওই জায়গাগুলোতে প্রবেশ করা অত্যন্ত কঠিন। এমনকি মিয়ানমারের সামরিক সরকারও ইউডব্লিউএসএর নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলে সেনা পাঠাতে সাহস করে না।

সাম্প্রতিক নদী দূষণের জন্য কেউ কেউ ইউডব্লিউএসএর সোনা খনিগুলোকে দায়ী করলেও থাইল্যান্ডের সর্বশেষ পরীক্ষাগুলোর ফলাফলে এর জন্য মূলত বিরল মৃত্তিকা খনিজ উত্তোলনকেই দায়ী করা হচ্ছে।

থাই-লাওস সীমান্তে মেকং নদী থেকে পরীক্ষার জন্য পানির নমুনা সংগ্রহ করছেন মেকং রিভার কমিশনে কর্মীরা, ১০ জুন ২০২৫। ছবি: মেকং রিভার কমিশন

থাই সরকারের উদ্যোগে পরিচালিত এক গবেষণায় নারেশুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানাপন ফেনরাত জুনের শুরুতে কোক ও আশপাশের নদী থেকে পানির সাতটি নমুনা সংগ্রহ করেন।

তানাপন আল জাজিরাকে বলেন, মিয়ানমার সীমান্তের সবচেয়ে কাছ থেকে সংগ্রহ করা নমুনাগুলোতে ভারী ধাতুর মাত্রা সর্বোচ্চ ছিল। এ থেকেই নিশ্চিত হওয়া যায়, দূষণের উৎস থাইল্যান্ডের উজানের শান স্টেটে।

তানাপন উল্লেখ করেন, ভারী ধাতুতে যে 'ফিঙ্গারপ্রিন্ট', থাকে পানির নমুনাগুলোতে ঠিক তা-ই পাওয়া গেছে এবং সেগুলোর ঘনত্বও প্রায় একই রকম। এই বৈশিষ্ট্যগুলো শান স্টেটের উত্তরে অবস্থিত মিয়ানমারের কাচিন স্টেটের পানির নমুনার সাথে মিলে যায়, যেখানে গত এক দশক ধরে বিরল মৃত্তিকা উত্তোলন ব্যাপকভাবে বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, 'কোক নদীর দূষণের প্রায় ৬০-৭০ শতাংশের জন্য বিরল মৃত্তিকা উত্তোলনকে দায়ী করা যেতে পারে।'

মিয়ানমারের কোক নদীর তীরে বিরল মৃত্তিকা খনির উপস্থিতির কথা প্রথম প্রকাশ করে শান হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন, গত মে মাসে।

গুগল আর্থ থেকে পাওয়া স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, গত এক-দুই বছরে থাই সীমান্তে ইউডব্লিউএসএর ছিটমহলের মধ্যে দুটি নতুন খনি এলাকা তৈরি হয়েছে—একটি নদীর পশ্চিম ঢালে, অন্যটি পুবে।

স্যাটেলাইট চিত্র ব্যবহার করে চীনের সীমান্তবর্তী ইউডব্লিউএসএর ছিটমহলের ভেতরে আরও ২৬টি বিরল মৃত্তিকা খনি চিহ্নিত করা হয়েছে।

এর মধ্যে তিনটি ছাড়া বাকি সবগুলো খনিই গত কয়েক বছরে তৈরি হয়েছে। অনেকগুলোই মেকংয়ের আরেক উপনদী লোই নদীর উৎসমুখে অবস্থিত।

মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা খনিজ শিল্প নিয়ে গবেষণা করা গবেষকরা বলছেন, স্যাটেলাইট চিত্রে দৃশ্যমান বড় ও গোলাকার খনিজ সংগ্রহ পুলগুলোই এগুলোকে বিরল মৃত্তিকা খনি হিসেবে শনাক্ত করতে সাহায্য করে।

মিয়ানমারের কাচিন স্টেটে একটি বিরল মৃত্তিকা খনির সংগ্রহ পুলের ভেতরে দুজন ব্যক্তি, ফেব্রুয়ারি ২০২২। ছবি: গ্লোবাল উইটনেস

শান হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন বলছে, শান স্টেটে নতুন খনিগুলোর কাছাকাছি বসবাসকারী গ্রামবাসীরাও বলেছেন যে খনির শ্রমিকরা সংগ্রহ পুল থেকে সাদা রঙের থকথকে কাদার মতো পদার্থ তুলে নিচ্ছেন। কাচিন স্টেটের বিরল মৃত্তিকা খনিগুলোর অনলাইন ভিডিওতেও ঠিক একই দৃশ্য দেখেছে সংস্থাটি।

যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার প্যাট্রিক মিহান মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা খনি নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি বলেন, শান স্টেট থেকে পাওয়া খবরগুলো কাচিন স্টেটের একই ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে মিলে যায়।

মিহান বলেন, 'মিয়ানমারে কোম্পানিগুলো যেভাবে কাজ করে, তাতে খনি থেকে খনিজ উত্তোলনের আগে কোনো পরিবেশগত মূল্যায়ন করা হয় না, পরিবেশগত পর্যবেক্ষণ শূন্যের কোঠায়। আর এ ধরনের কোনো নিয়মকানুন বা সুরক্ষা ব্যবস্থাও সেখানে নেই।'

উত্তোলন প্রক্রিয়ায় পাহাড়ের ঢাল থেকে বিরল মৃত্তিকা বের করতে মাটির ভেতরে রাসায়নিক পদার্থ পাম্প করা হয়। এরপর রাসায়নিক ও খনিজের সেই জলীয় মিশ্রণটি মাটি থেকে পাম্প করে তুলে সংগ্রহ পুলে আনা হয়, সেখানে বিরল মৃত্তিকা খনিজগুলোকে আলাদা করে সংগ্রহ করা হয়।

মিহান বলেন, খনির সমস্ত কার্যক্রম সতর্কতার সাথে নিয়ন্ত্রণ না করা হলে স্থানীয় নদী ও ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত হওয়ার ঝুঁকি খুব বেশি থাকে।

নিষ্কাশনকারী রাসায়নিক পাম্প করার জন্য প্রচুর পানির প্রয়োজন হয় বলে বিরল মৃত্তিকা খনিগুলো নদীর কাছাকাছি হয়ে থাকে বলেও জানান তিনি।

মিহান বলেন, প্রায় সময়ই দূষিত পানি ফের পাম্প করে নদীতেই ফেলা হয়। নিষ্কাশন প্রক্রিয়ায় দূষিত হওয়া ভূগর্ভস্থ পানিও শেষতক নদীতে গিয়েই মেশে।

তিনি কাচিনে এসব খনির প্রভাব ইতিমধ্যে পর্যবেক্ষণ করেছেন। রাজ্যটির চীন সীমান্তে শত শত খনি রয়েছে। এসব খনি থেকে বিরল মৃত্তিকা উত্তোলনের প্রভাবে একসময় মাছে ভরপুর থাকা নদীগুলো এখন মৎস্যশূন্য, ধানের শীষে দানা কম হচ্ছে, স্থানীয় খাঁড়ির পানি পান করে অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে গবাদিপশু।

মেকং নদীর তীরে থাইল্যান্ডের সোপ রুয়াক গ্রামে একটি সাইনবোর্ড; এখানে থাইল্যান্ড, লাওস ও মিয়ানমারের সীমান্ত মিলিত হয়েছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার গোষ্ঠী আর্থরাইটস ইন্টারন্যাশনালের মেকং অঞ্চলের আইনবিষয়ক পরিচালক বেন হার্ডম্যান বলেন, কাচিনের স্থানীয় বাসিন্দারাও তাদের বলেছেন, খনি শ্রমিকদের মৃত্যুর হার অস্বাভাবিক রকমের বেশি।

তিনি আরও বলেন, এখন উদ্বেগের বিষয় হলো, শান স্টেট ও প্রতিবেশী যেসব দেশে মিয়ানমারের নদীগুলো প্রবেশ করেছে, তাদেরও কাচিনের মতো একই ভাগ্য বরণ করতে হবে। বিশেষ করে যখন বিশ্বজুড়ে বিরল মৃত্তিকার চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে খনি এলাকার সংখ্যাও বাড়তে থাকবে।

মিয়ানমারে উত্তোলিত বিরল মৃত্তিকার প্রায় পুরোটাই পরিশোধন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য পাঠানো হয় চীনে। সেখান থেকে রপ্তানি করা হয় অথবা বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জামে ব্যবহার করা হয়।

তবে খনিজ ও ধাতুবিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএফএ-র (অক্সফোর্ড) তথ্যমতে, মিয়ানমার, লাওস বা থাইল্যান্ড—কারও কাছেই আকরিককে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তরিত করতে চীনের মতো অত্যাধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র নেই।

স্থানীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসি-মিয়ানমার চীনের শুল্ক বিভাগের তথ্যের বরাত দিয়ে বলছে, অন্তত ২০১৭ সাল থেকে চীনের বিরল মৃত্তিকা খনিজ আমদানির প্রধান উৎস মিয়ানমার। ২০২৩ সালে রেকর্ড ১.৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের খনিজ আমদানি করেছে বেইজিং।

মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা রপ্তানি এমন এক সময়ে বাড়ছিল, যখন চীন নিজের দেশে এ খনিজ উত্তোলনের ওপর কঠোর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করছিল। এই শিল্প নিজের জনগোষ্ঠীর কী পরিমাণ পরিবেশগত ক্ষতি করছে, তা দেখার পর চীন এ পদক্ষেপ নিয়েছিল। মিয়ানমার থেকে খনিজ কেনার মাধ্যমে চীন এই সমস্যার একটি বড় অংশকে দেশের বাইরে ঠেলে দিয়েছে।

এ কারণেই অনেকে মিয়ানমারের খনিগুলোর পরিবেশগত পরিণতির জন্য খনি পরিচালনাকারী ও ইউডব্লিউএসএর সঙ্গে, চীনকেও দায়ী করছে।

এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ইউডব্লিউএসএর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। আর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা মিয়ানমারে অবস্থিত তাদের দূতাবাসও আল জাজিরার ইমেইলের উত্তর দেয়নি।

থাই নদী দূষণের জন্য মিয়ানমারে চীনাদের পরিচালিত খনিগুলোকে দায়ী করে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় থাইল্যান্ডে অবস্থিত চীনা দূতাবাস ৮ জুন এক ফেসবুক পোস্টে বলে, বিদেশে কর্মরত সমস্ত চীনা কোম্পানিকে স্থানীয় আইন ও প্রবিধান মেনে চলতে হয়।

দূতাবাস আরও বলে, চীন স্থানীয় পরিবেশ রক্ষার জন্য মেকং নদীর তীরবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। তবে সেই সহযোগিতার ধরন কী হতে পারে, সে সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।

থাইল্যান্ড বলেছে, তারা এই সমস্যা সমাধানের জন্য চীন ও মিয়ানমার উভয়ের সঙ্গেই কাজ করছে।

তবে এই সমস্যা মোকাবিলার একটি পদক্ষেপ হিসেবে থাই সরকার চিয়াং রাইয়ের দূষণকবলিত নদীগুলোতে বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে, যা পানি থেকে দূষক পদার্থ ছেঁকে ফেলবে।

এ ধরনের বাঁধ আদৌ কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও পরিবেশবিদরা।

ইন্টারন্যাশনাল রিভার্সের পিয়ানপর্ন দিতি বলেন, মেকং ও এর উপনদীগুলোর মতো বিশাল নদীতে এ ধরনের বাঁধ কার্যকর হওয়ার কোনো পূর্ব নজির নেই।

Related Topics

টপ নিউজ

মিয়ানমার / চীন / বিরল খনিজ / বিরল মৃত্তিকা ধাতু

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • আহমেদ আযম খান। ছবি: বাসস
    মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান
  • ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি: রয়টার্স
    সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার; হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার ঘোষণা
  • ছবি: টিবিএস
    জুন মাসের মধ্যেই আসছে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দেওয়ার পর গত ৭ মার্চ ওমানের মাস্কাট উপকূলে নোঙর করে আছে ‘লুওজিয়াশান’ তেলবাহী ট্যাংকার। ছবি: বেনোয়া তেসিয়ের/রয়টার্স
    যুদ্ধ 'শিগগিরই' শেষ হবে, ইরানে হামলা করার মতো 'কার্যত আর কিছুই বাকি নেই': ট্রাম্প
  • ছবি: সংগৃহীত
    যুদ্ধ 'শিগগিরই' শেষ হবে, ইরানে হামলা করার মতো 'কার্যত আর কিছুই বাকি নেই': ট্রাম্প
  • ওমানের মাস্কাটে নোঙর করে থাকা ভ্যান ওর্ড পরিচালিত 'রটারডাম' নামক হপার ড্রেজার জাহাজটি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যেই হরমুজে অবস্থান করতে দেখা যায়। ছবি: রয়টার্স
    যুদ্ধাবস্থায় জলপথ রুদ্ধ হলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে চীনে লাখ লাখ ব্যারেল তেল পাঠাচ্ছে ইরান

Related News

  • সংকেতের লড়াই: যেভাবে রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা তথ্যে সুবিধা পাচ্ছে ইরান
  • চীনের তেলের লাইফলাইনকে চাপে ফেলেছে ইরান যুদ্ধ
  • যুদ্ধাবস্থায় জলপথ রুদ্ধ হলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে চীনে লাখ লাখ ব্যারেল তেল পাঠাচ্ছে ইরান
  • বাংলাদেশ থেকে বেইজিং ও গুয়াংজু রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়াতে চায় চীন
  • চীন থেকে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ সরকারের, ভারত থেকে বাড়ছে ডিজেল আমদানি

Most Read

1
আহমেদ আযম খান। ছবি: বাসস
বাংলাদেশ

মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

2
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার; হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার ঘোষণা

3
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

জুন মাসের মধ্যেই আসছে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

4
মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দেওয়ার পর গত ৭ মার্চ ওমানের মাস্কাট উপকূলে নোঙর করে আছে ‘লুওজিয়াশান’ তেলবাহী ট্যাংকার। ছবি: বেনোয়া তেসিয়ের/রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ 'শিগগিরই' শেষ হবে, ইরানে হামলা করার মতো 'কার্যত আর কিছুই বাকি নেই': ট্রাম্প

5
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ 'শিগগিরই' শেষ হবে, ইরানে হামলা করার মতো 'কার্যত আর কিছুই বাকি নেই': ট্রাম্প

6
ওমানের মাস্কাটে নোঙর করে থাকা ভ্যান ওর্ড পরিচালিত 'রটারডাম' নামক হপার ড্রেজার জাহাজটি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যেই হরমুজে অবস্থান করতে দেখা যায়। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধাবস্থায় জলপথ রুদ্ধ হলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে চীনে লাখ লাখ ব্যারেল তেল পাঠাচ্ছে ইরান

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net