হাসপাতালের পর এবার গির্জায় বোমা হামলা ইসরায়েলের, নিহত অন্তত ৮
গাজা শহরে একটি গ্রিক গির্জায় ইসরায়েলি বোমা হামলায় এ পর্যন্ত ৮ জন নিহত হয়েছে। আহত আরও অনেকে।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, গাজার আল-জায়তুন এলাকায় সেন্ট পোরফিরিয়াস চার্চে হামলায় নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।
নিহত ও আহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে তারা।
ওয়াফা সূত্রে জানা গেছে, বোমা হামলায় কাউন্সিল অব চার্চ স্টুয়ার্ডস ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়ে। এ গির্জায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি মুসলিম ফিলিস্তিনিরাও আশ্রয় নিয়েছিলেন।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স (টুইটার)-এ আল জাজিরা আরবি'র পোস্ট করা একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, দুজন আহত ব্যক্তিকে গাজার একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে আসা হচ্ছে।
গাজায় ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩০৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
এ নিয়ে গাজা উপত্যকায় মৃতের সংখ্যা ৩,৭৮৫ জনে এসে দাঁড়িয়েছে; যাদের মধ্যে রয়েছে কমপক্ষে ১,৫২৪ শিশু।
এদিকে, মধ্য গাজাতেও ইসরায়েলের আরেকটি বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছে।
আল আরবি টিভির সংবাদদাতার মতে, দেইর আল-বালাহ শহরের একটি আবাসিক ভবনে করা সে হামলায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
তবে এখনও নিহতের প্রকৃত সংখ্যা জানা যায়নি।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় খান ইউনিসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১
এদিকে, দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৪ থেকে বেড়ে ২১-এ দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ তথ্যমতে, আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, খান ইউনিস শহরে হামলায় হতাহতদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের আটজন সদস্য রয়েছে বলে জানা গেছে।
উত্তর গাজা শহরের আল-জায়তুন এবং আল-শুজাইয়া এলাকায়ও বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে, এসব হামলায় বেশ কয়েকটি বাড়ি ধসে পড়েছে।
