শিগগিরই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি, শূন্য পদ পূরণের আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে শিগগিরই পদোন্নতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, পদোন্নতি কার্যক্রম সম্পন্ন হলে প্রধান শিক্ষকের দীর্ঘদিনের শূন্য পদগুলো পূরণ হবে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম দিনে সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। বেলা তিনটায় শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
লিখিত প্রশ্নে খায়রুল কবির খোকন জানতে চান, বর্তমানে ৩৪ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদ কবে নাগাদ পূরণ করা হবে এবং শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের বিধান বাস্তবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি-সংক্রান্ত মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা রিট পিটিশন সম্প্রতি নিষ্পত্তি হয়েছে। ফলে খুব শিগগিরই শূন্য পদগুলোতে পদোন্নতি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি সম্পন্ন হলে শূন্য পদগুলো পূরণ হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, পূর্বের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদের ৬৫ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হতো। তবে নতুন বিধিমালায় এ হার বাড়িয়ে ৮০ শতাংশ করা হয়েছে। নতুন বিধিমালা প্রণয়নের পর মামলা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে পদোন্নতি কার্যক্রম স্থগিত ছিল। এখন মামলাটি নিষ্পত্তি হওয়ায় নীতিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদের ৮০ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে।
