শীর্ষ সন্ত্রাসী 'কাইল্লা পলাশ'কে গুলি: শুটারকে পালাতে সহায়তাকারী মোটরসাইকেলচালক গ্রেপ্তার
রাজধানীর রামপুরা টিভি সেন্টারের সামনে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশকে গুলির ঘটনায় মো. ইমাম হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গুলির পর শুটারকে মোটরসাইকেলে করে পালাতে সহায়তা করেছিলেন ইমাম হোসেন।
রোববার (১৪ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান।
তিনি জানান, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইমাম হোসেনকে শনাক্ত করা হয়। পরে শনিবার (১৩ জুন) বিকালে বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি আরও জানান, রামপুরায় কাইল্লা পলাশকে গুলির পর ইমাম হোসেনের মোটরসাইকেলে করে শুটার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর ইমাম হোসেনকে আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে জানান ওসি।
গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর রামপুরা টিভি সেন্টারসংলগ্ন এলাকায় নিজ বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন কাইল্লা পলাশ। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী মাহমুদা খানম ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে হাতিরঝিল থানায় মামলা করেছেন।
পুলিশের পুরোনো রেকর্ড অনুযায়ী, ২০০২ সালের ২৯ মে রামপুরায় যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কাইল্লা পলাশ। ওই মামলায় বিচারিক আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও পরে উচ্চ আদালত সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার প্রায় এক মাস আগে জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান কাইল্লা পলাশ।
