শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী যুক্তরাজ্য
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের এক সৌজন্য সাক্ষাতে এই বিষয়টি উঠে আসে। এসময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বিশেষ করে সিভিল এভিয়েশন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের আগ্রহের কথা জানান। এছাড়া বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করার যে লক্ষ্য রয়েছে, তা বাস্তবায়নে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এভিয়েশন খাতের অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নয়নে যুক্তরাজ্যের কাছে আরও নিবিড় সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। সেবার দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক সংযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এ ধরনের বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালটি চালু হলে যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা আঞ্চলিক এভিয়েশন মানচিত্রে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে দেশের সব বিমানবন্দরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবার একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। তবে তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্বের বিষয়ে বর্তমানে একটি জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।
