টুঙ্গিপাড়ায় বিস্ফোরণে গুরুতর আহত মাদ্রাসা ছাত্র, পুলিশ পাহারায় চিকিৎসা
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বিস্ফোরক দ্রব্যের বিস্ফোরণে এক মাদ্রাসা ছাত্রের হাত-পা ও মুখমণ্ডল ঝলসে গেছে। পরে ওই আহত যুবকে পুলিশ পাহারায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুরুতর আহত মতিউর রহমান (২৫) টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা বাজার এলাকার মোস্তাক আহম্মেদের ছেলে ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভবানীপুর মাদ্রাসার ছাত্র।
সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যার পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা বাজার এলাকার নিজেদের বাড়িতে বিস্ফোরক দ্রব্যের বিস্ফোরণে আহত হন এই যুবক।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী বলেন, 'ঘটনাটি জানার পর সাথে সাথেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে ঢাকা থেকে পুলিশের একটি বিশেষজ্ঞ টিম টুঙ্গিপাড়া আসছেন। তারা আসার পর সঠিকভাবে বলা যাবে, আসলে কী ঘটেছিল।'
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সোমবার সন্ধায় মতিউরের বাড়িতে বিস্ফোরণের ব্যাপক শব্দ হয়। পরে সেখানে গিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসানো দেখতে পাওয়া যায়। তখন স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। কিন্তু বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশের দুইজন সদস্যসহ তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।
তবে আহত মতিউরের স্বজনদের দাবি, এক আত্মীয়ের বিয়ে উপলক্ষে তিনি আতশবাজি বানানোর চেষ্টা করছিলেন। আতশবাজি বানানোর সময় তা বিস্ফোরিত হয়ে তার ডান হাতের আঙুলের একাংশ উড়ে যায়, পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক অসিম কুমার ধর বলেন, 'তার ক্ষত দেখে আতশবাজি থেকে ঝলসানো মনে হয়নি। যে ধরনের ক্ষত হয়েছে, তাতে মনে হয়েছে ককটেল বা হাতবোমা হতে পারে।'
