সিদ্ধিরগঞ্জে প্রিজাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যালট পেপার প্রস্তুতির অভিযোগ, সত্যতা পায়নি প্রশাসন
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের আওতাধীন সিদ্ধিরগঞ্জে একটি ভোটকেন্দ্রের ভেতর ব্যালট বক্স ও ব্যালট পেপার প্রস্তুতির অভিযোগ তুলে প্রিজাইডিং অফিসারের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। তবে যৌথ বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তদন্ত শেষে এই অভিযোগের কোনো সত্যতা পাননি বলে জানিয়েছেন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৭টার দিকে নাসিক ৮নং ওয়ার্ডের ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুলে (১৯০ নং ভোট কেন্দ্র) এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. বশিরুল হক ভূইয়া বর্তমানে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের দাবি, তিনি এক সময় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি পদে ছিলেন। তার এই রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডের খবর জানতে পেরে নেতা-কর্মীরা কেন্দ্রে প্রবেশ করেন এবং ব্যালট বক্স ও ব্যালট পেপার আগেভাগেই প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরবর্তীতে অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সিদ্ধিরগঞ্জের দায়িত্বে নিয়োজিত সহকারী রিটার্নিং অফিসার শাহিনা ইসলাম চৌধুরী জানান, ব্যালট পেপার প্রস্তুতির অভিযোগটি সঠিক নয়।
তিনি বলেন, 'ঘটনার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। মূলত প্রিজাইডিং অফিসার বশিরুল হকসহ আমাদের কর্মকর্তারা নির্বাচনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গোছানোর কাজ করছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের ভিত্তি না থাকায় তিনি প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন।'
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক বলেন, 'রিটার্নিং অফিসারসহ আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি তদন্ত করেছি। সেখানে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।'
