ভবিষ্যতেও ভোট দিতে চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসিফ মাহমুদ
ভবিষ্যতে নিয়মিত নির্বাচনে নিজের ভোট নিজে দিতে চাইলে আসন্ন গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আর কোনো স্বৈরাচার দেখতে না চাইলে গণভোটে 'হ্যাঁ' জয়ের বিকল্প নেই।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের জাতীয় বীর আব্দুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্তমঞ্চে এনসিপি আয়োজিত নির্বাচনী পদযাত্রার জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, 'যদি বিগত তিনটি নির্বাচনের মতো ভোট দেয়া থেকে বঞ্চিত না হতে চান, তাহলে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দিন। যদি শেখ হাসিনার মতো ভবিষ্যতে আর কোনো স্বৈরাচার না দেখতে চান; যে আপনাদের সন্তানদের রক্ত ঝড়িয়েছে, তাহলে গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দিন।'
ক্ষমতায় গেলে জাতীয় পে স্কেল কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি বেতনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, 'জাতীয় পে স্কেল করার জন্য কমিশন তাদের প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। আমরা ১১ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে সেই প্রস্তাবকে সমর্থন জানাই। সিনিয়র পেশ ইমামদের পঞ্চম গ্রেড, পেশ ইমামদের ষষ্ঠ গ্রেড, ইমামদের নবম গ্রেড, প্রধান মুয়াজ্জিনদের দশম গ্রেডে বেতন দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। আপনাদের ভোটে যদি ১১ দলীয় ঐক্যজোট সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে এই প্রস্তাব দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যারা দায়িত্ব পালন করেন, তাদেরকেও পে স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করব।'
বিগত সরকারগুলোর প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের সমালোচনা করে তিনি বলেন, 'যারা বিগত সময়ে বারবার কথা দিয়ে কথা রাখেনি, আমরা তাদের মতো হবো না। আমরা ইতোপূর্বেও কথা দিয়ে কথা রেখেছি। আমরা রক্ত দিয়ে হলেও আমাদের কমিটমেন্ট রক্ষা করেছি। সামনের দিনেও তা অব্যাহত রাখব।'
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী মো. আতাউল্লাহ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম এবং জেলা এনসিপির সদস্য সচিব আমিনুল হক চৌধুরী প্রমুখ।
