ভোট চোরদের নেতাদের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে কর্মীদের বেঁধে পুলিশে দেবেন: ভোটারদের উদ্দেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ
আসন্ন নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখল ও ভোট চুরির যেকোনো পরিকল্পনা প্রতিহত করতে ভোটারদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি বলেন, 'অনেকেই এখন ভোটকেন্দ্র দখল ও ভোট চুরির পরিকল্পনা করছেন৷ যারা এ পরিকল্পনা করছেন আপনারা সাবধান হয়ে যান। এখানে যারা আছেন, আপনারা ফজরের নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে পাহারায় যাবেন। যারা ভোটকেন্দ্র দখল করতে আসবে তাদের নেতাদের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে কর্মীদের বেঁধে পুলিশে দেবেন।'
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) উপজেলার সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর ঘোষাই বাড়ি মাঠে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন৷
বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, 'এবার ভোট চুরি প্রতিহত করতে রাজনৈতিক নেতার দরকার নেই, যারা জুলাই আন্দোলনে রাস্তায় নেমে এসেছে তারাই ঠেকাবে। জুলাই আন্দোলনের সময় আমার মা বোনেরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে আমাদের পানি খাইওয়াইছে তারাই এবার ভোট চুরি ঠেকাবে। বাংলাদেশে ভোট চুরির রাজনীতি হাসিনার পালানোর পর পর শেষ হয়ে গেছে। যারা এই ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করবে তাদেরকেও হাসিনার পরিণতি ভোগ করতে হবে।'
সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকা নিয়ে অপপ্রচারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ''একটি দল গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দিলে সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকবে না বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে৷ 'হ্যাঁ' ভোটের শর্তের কোথাও কি এই কথা লেখা আছে? আপনারা নির্বাচনে দুটি ভোট দিবেন, একটি শাপলাকলি আরেকটি 'হ্যাঁ' ভোট। পরবর্তী বাংলাদেশের বিনির্মাণ 'হ্যাঁ' ভোটের ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠবে।''
উঠান বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কুমিল্লা জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জামসেদ হোসেন, দেবিদ্বার উপজেলা জামাতের আমির মো. শহীদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. শরীফুল ইসলাম সরকার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা মো. মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা এনসিপির সার্চ কমিটির সভাপতি সমাঈল হোসেন ও সুবিল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির তাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
