Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
April 11, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, APRIL 11, 2026
২০১৮ সালের নির্বাচনে ৮০ শতাংশ কেন্দ্রে রাতে ব্যালট পেপারে সিল মারা হয়: তদন্ত কমিশন 

বাংলাদেশ

টিবিএস রিপোর্ট
12 January, 2026, 09:50 pm
Last modified: 13 January, 2026, 11:51 am

Related News

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু শুক্রবার
  • দ্রুততম সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়া হবে: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী
  • দুই আন্দোলন, দুই নির্বাচন: নেপালের জেন-জি সফল হলেও বাংলাদেশে কেন হোঁচট খেল?
  • সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে, তফসিল ঘোষণা ৮ এপ্রিল
  • ৯ এপ্রিল বগুড়া ও শেরপুরে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

২০১৮ সালের নির্বাচনে ৮০ শতাংশ কেন্দ্রে রাতে ব্যালট পেপারে সিল মারা হয়: তদন্ত কমিশন 

টিবিএস রিপোর্ট
12 January, 2026, 09:50 pm
Last modified: 13 January, 2026, 11:51 am
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত

২০১৮ সালের নির্বাচনে ৮০ শতাংশ কেন্দ্রে রাতের বেলায় ব্যালট পেপারে সিল মেরে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করে রাখা হয় বলে উঠে এসেছে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে। তদন্তে আরও উঠে আসে, আওয়ামী লীগকে জেতাতে প্রশাসনের মধ্যে একধরনের 'অসৎ প্রতিদ্বন্দ্বিতা' থাকায় কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোট পড়ার হার ১০০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয় জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশন। 

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর তদন্তের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন কমিশনের সদস্যরা। এতে উপস্থিত ছিলেন কমিশন প্রধান সাবেক বিচারক বিচারপতি শামীম হাসনাইন, কমিশন সদস্য শামীম আল মামুন, কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হোসেন, ড. মোঃ আব্দুল আলীম। উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, তথ্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। 

তদন্ত প্রতিবেদনে কমিশন জানায়, ২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবং অবিশষ্ট ১৪৭টিতে 'প্রতিদ্বন্দ্বিতা'র নির্বাচন ছিল সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের নির্বাচন সারা বিশ্বে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন হিসেবে সমালোচিত হওয়ায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ২০১৮ সালের নির্বাচনকে 'প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক' করার মিশন গ্রহণ করে। বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দল তাদের এ সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বুঝতে না পেরে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। 

প্রতিবেদন গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা বলেন, 'আমরা ভোট ডাকাতির কথা শুনেছিলাম, কিছু কিছু জানতাম। কিন্তু এত নির্লজ্জভাবে পুরো প্রক্রিয়াকে বিকৃত করে সিস্টেমকে দুমড়ে-মুচড়ে ফেলে নিজেদের মনের মতো একটা কাগজে রায় লিখে দিয়েছে এগুলো জাতির সামনে তুলে ধরা দরকার। পুরো রেকর্ড থাকা দরকার।' 

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, 'দেশের টাকা খরচ করে, মানুষের টাকায় নির্বাচন আয়োজন করে পুরো জাতিকেই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এ দেশের মানুষ অসহায়ের মতো তাকিয়ে ছিল। কিছু করতে পারেনি। এ দেশের জনগণ যেন কিছুটা হলেও স্বস্তি পায় সেজন্য যারা যারা জড়িত ছিল তাদের চেহারাগুলো সামনে নিয়ে আসতে হবে। কারা করল, কীভাবে করল সেটা জানতে হবে। নির্বাচন ডাকাতি আর কখনো না ঘটতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।' 

তদন্ত কমিশনের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ৮০ শতাংশ কেন্দ্রে রাতের বেলায় ব্যালট পেপারে সিল মেরে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করে রাখা হয়। আওয়ামী লীগকে জেতাতে প্রশাসনের মধ্যে এক ধরনের অসৎ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। ফলে কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোট প্রদানের হার ১০০ শতাংশের বেশি হয়ে যায়। ২০২৪ সালে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে অংশ না দেওয়ায় 'ডামি' প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনকে 'প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক' করার অপকৌশল গ্রহণ করা হয়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনটি নির্বাচনের অভিনব পরিকল্পনা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হয় এবং বাস্তবায়নে প্রশাসন, পুলিশ, নির্বাচন কমিশন ও গোয়েন্দা সংস্থার একটি অংশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়। কিছু কর্মকর্তার সমন্বয়ে বিশেষ সেল গঠন করা হয় যা নির্বাচন সেল নামে পরিচিত লাভ করে। 

এতে আরও বলা হয়, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নির্বাচন ব্যবস্থাকে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে মূলত প্রশাসনের হাতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময়ে কমিশনের পরিবর্তে প্রশাসনই হয়ে উঠে নির্বাচন পরিচালনার মূল শক্তি।

Related Topics

নির্বাচন / রাতের ভোট / ডামি নির্বাচন

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • অলংকরণ: টিবিএস
    যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালি পেরোনোর অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ
  • ছবি: সংগৃহীত
    বিরোধী দলের আপত্তির মুখে সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল’ পাস
  • ছবি: সংগৃহীত
    হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ মিলিয়ন ডলারের ড্রোন ‘নিখোঁজ’
  • ছবি: আসমা সুলতানা প্রভা/টিবিএস
    ফলের রসের রহিম বিরিয়ানি: আট দশকেও সমান জনপ্রিয় 
  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    চার অধ্যাদেশ বাতিল: সংসদ কি পথ হারাইয়াছে?
  • তেহরানের তাজরিশ বাজারে নওরোজ (ইরানি নববর্ষ) উপলক্ষে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনির ছবিযুক্ত একটি ব্যানার। ১৯ মার্চ ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
    ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুন শক্তিতে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ফিরছেন ইরানের নেতারা—হাতে নতুন তুরুপের তাস

Related News

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু শুক্রবার
  • দ্রুততম সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়া হবে: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী
  • দুই আন্দোলন, দুই নির্বাচন: নেপালের জেন-জি সফল হলেও বাংলাদেশে কেন হোঁচট খেল?
  • সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে, তফসিল ঘোষণা ৮ এপ্রিল
  • ৯ এপ্রিল বগুড়া ও শেরপুরে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

Most Read

1
অলংকরণ: টিবিএস
বাংলাদেশ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালি পেরোনোর অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ

2
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

বিরোধী দলের আপত্তির মুখে সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল’ পাস

3
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ মিলিয়ন ডলারের ড্রোন ‘নিখোঁজ’

4
ছবি: আসমা সুলতানা প্রভা/টিবিএস
ফিচার

ফলের রসের রহিম বিরিয়ানি: আট দশকেও সমান জনপ্রিয় 

5
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
ফিচার

চার অধ্যাদেশ বাতিল: সংসদ কি পথ হারাইয়াছে?

6
তেহরানের তাজরিশ বাজারে নওরোজ (ইরানি নববর্ষ) উপলক্ষে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনির ছবিযুক্ত একটি ব্যানার। ১৯ মার্চ ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুন শক্তিতে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ফিরছেন ইরানের নেতারা—হাতে নতুন তুরুপের তাস

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net