Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
January 11, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, JANUARY 11, 2026
দীর্ঘমেয়াদি শ্রম উৎপাদনশীলতা সংকটে দেশে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান ব্যাহত

বাংলাদেশ

সাইফুদ্দিন সাইফ
10 January, 2026, 10:40 am
Last modified: 10 January, 2026, 11:00 am

Related News

  • পোশাক কারখানায় যেভাবে শ্রমিকরা হারছেন, জিতছে যন্ত্র
  • ১৮ মাসে ১ কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করবে বিএনপি, কীভাবে করা হবে চূড়ান্ত করা হয়েছে: ফখরুল
  • ধনী দেশগুলোতে কর্মমুখী অভিবাসন কেন কমছে?
  • বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা চালু করবে: আমীর খসরু
  • বেক্সিমকো টেক্সটাইল ফের চালু করতে আগামী সপ্তাহে চুক্তি, কর্মসংস্থান ফিরে পেতে পারেন ২৫ হাজার কর্মী

দীর্ঘমেয়াদি শ্রম উৎপাদনশীলতা সংকটে দেশে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান ব্যাহত

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) জানায়, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রতি ঘণ্টায় শ্রম উৎপাদনশীলতা ছিল মাত্র ৮ দশমিক ৭ ডলার—যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন। একই সময়ে ভিয়েতনামে এই হার ছিল ১২ দশমিক ৪ ডলার, ভারতে ১০ দশমিক ৭ ডলার, শ্রীলঙ্কায় ১৮ ডলার এবং চীনে ছিল ১৯ দশমিক ৮ ডলার। অর্থাৎ, প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ কতটা পিছিয়ে, তা এই হিসাব থেকেই বোঝা যায়।
সাইফুদ্দিন সাইফ
10 January, 2026, 10:40 am
Last modified: 10 January, 2026, 11:00 am
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘমেয়াদি শ্রম উৎপাদনশীলতা সংকট বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠছে। বিশেষ করে দক্ষতা, প্রযুক্তি ও শিল্প উন্নয়নে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা দ্রুত এগিয়ে যাওয়ায় এ সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) জানায়, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রতি ঘণ্টায় শ্রম উৎপাদনশীলতা ছিল মাত্র ৮ দশমিক ৭ ডলার—যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন। একই সময়ে ভিয়েতনামে এই হার ছিল ১২ দশমিক ৪ ডলার, ভারতে ১০ দশমিক ৭ ডলার, শ্রীলঙ্কায় ১৮ ডলার এবং চীনে ছিল ১৯ দশমিক ৮ ডলার। অর্থাৎ, প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ কতটা পিছিয়ে, তা এই হিসাব থেকেই বোঝা যায়।

'বাংলাদেশ স্টেট অব দ্য ইকোনমি ২০২৫' প্রতিবেদনের এসব তথ্য অনুযায়ী, এ সংকট কয়েক দশক ধরে চলমান কাঠামোগত দুর্বলতারই প্রতিফলন—যা এখন শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।

জিইডি জানায়, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো, ক্রমাগত দক্ষতার ঘাটতি। এর ফলে মানসম্পন্ন শ্রমশক্তি গড়ে উঠতে পারছে না এবং বিভিন্ন খাতের উৎপাদনশীলতাও গতি ধীরতে বাড়ছে। 

এর পাশাপাশি শ্রমবাজারে গভীর কাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে। বর্তমানে মোট কর্মসংস্থানের ৮৪ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক খাতে, আর তরুণ বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ শতাংশে।

কম উৎপাদনশীলতার মানে হলো-- কম মজুরি, পারিবারিক আয়ের প্রবৃদ্ধিতে ধীরগতি, অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল হয়ে পড়া এবং শেষ পর্যন্ত সামগ্রিক অর্থনৈতিক রূপান্তরের গতি ধীর হয়ে যাওয়া। দীর্ঘমেয়াদি এই শ্রম উৎপাদনশীলতা সংকট এখন বাংলাদেশের প্রধান শিল্প খাতগুলোর—বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পের—টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তি অভিযোজন, লজিস্টিক সংস্কার এবং কাঁচামাল উৎপাদনে আত্মনির্ভরতা নিশ্চিত করা না গেলে এ সংকট কাটানো সম্ভব নয়।

সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পের উদাহরণ দিয়ে বলেন, আরএমজি খাতে দক্ষ মানবসম্পদের সংকট তীব্র। ফলে বুনন, নিটিং, ডাইং, ফিনিশিং, প্রিন্টিং ও ওয়াশিংয়ের মতো বিশেষায়িত কাজে এখনো প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি কর্মীর ওপর নির্ভরশীল। এতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তি গ্রহণ, লজিস্টিক ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং দেশীয় কাঁচামাল উৎপাদনে সমন্বিত সংস্কার ছাড়া এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

এছাড়া দেশের শ্রমিকরা এখনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত নন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভিইটি শিক্ষা), শিল্প–বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বয় এবং দ্রুতগতির দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি ছাড়া কর্মশক্তির উৎপাদনশীলতা বাড়ানো কঠিন হবে।

লজিস্টিক দুর্বলতায় লিড টাইম বাড়ছে

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বড় বাধা হলো উচ্চ লিড টাইম। বন্দর ও বিমানবন্দরের অদক্ষ ব্যবস্থাপনা, দুর্বল অবকাঠামো এবং বিভিন্ন সংস্থার আলাদা আলাদা অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা লিড টাইম আরও দীর্ঘ করছে।

তাদের মতে, একটি কার্যকর 'সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম' চালু করা গেলে রপ্তানি প্রক্রিয়া দ্রুত হবে এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়বে।

বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বড় তুলা আমদানিকারক দেশ। দেশের প্রয়োজনীয় তুলার বড় অংশ আসে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীন ও ভারত থেকে। এতে কাঁচামাল সংগ্রহে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে।

জিইডির প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৪ দশমিক ২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে—যা ক্রমবর্ধমান শ্রমশক্তির জন্য মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় মাত্রার অনেক নিচে। এছাড়া ২০২৩ সালে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। যদিও সে বছর বেকারত্বের হার ৩ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ছিল সরকারের।

নিয়োজিত প্রত্যেক ব্যক্তির প্রকৃত জিডিপি হিসেবে পরিমাপ করা শ্রম উৎপাদনশীলতা দীর্ঘদিন ধরেই অস্থিতিশীল। ২০১৮-১৯ সালে কিছুটা উন্নতির পর, ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারিজনিত অর্থনৈতিক ধাক্কায় উৎপাদনশীলতা আরও ১ দশমিক ২৪ শতাংশ কমে যায়।

দেশের অর্থনীতি কৃষিখাত থেকে সরে শিল্প ও সেবা খাতের দিকে ঝুঁকলেও কর্মসংস্থানের কাঠামো সে অনুযায়ী সমন্বিত হয়নি। শ্রমশক্তির বড় একটি অংশ এখনো কম উৎপাদনশীল খাতে আটকে রয়েছে—যা বিনিয়োগ পরিবেশ ও শ্রমবাজারের কাঠামোগত দুর্বলতাকে নির্দেশ করছে।

এদিকে, দ্রুত সেবা খাতনির্ভর অর্থনীতিতে রূপ নিচ্ছে বাংলাদেশ। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শক্তিশালী শিল্পায়ন ছাড়া এই রূপান্তর টেকসই হবে না। সেবা খাত এখনো মূলত পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্যের মতো কম উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভরশীল—যেখানে আয় বৃদ্ধির সুযোগ খুবই সীমিত।

দক্ষতা ঘাটতির কারণে অর্থ (ফাইন্যান্স), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মতো উচ্চ সম্ভাবনাময় সেবা খাতেও পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। আগের সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতে সুশাসনের ঘাটতি বিনিয়োগের পরিবেশকে মারাত্মভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং এতে নষ্ট হয়েছে ব্যবসায়িক আস্থা।

২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত মোট ঋণের প্রায় ২৫ শতাংশই খেলাপি হিসেবে শ্রেণিভুক্ত ছিল। এতে উৎপাদনশীল খাতে ঋণের প্রবাহ কমে গেছে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা দুর্বল হয়েছে। পাশাপাশি অর্থপাচারের মাধ্যমে বড় পরিসরে মূলধন পাচার শিল্প সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ নষ্ট করেছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে শিল্প উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানিতে প্রণোদনা দিতে বলেছে জিইডি।

এদিকে, দেশে সাম্প্রতিক আমদানির ধারা কিছুটা আশাব্যঞ্জক। মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য খোলা এলসি'র পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, আর নিষ্পত্তির পরিমাণ ছিল ১৯৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার—যা উৎপাদনক্ষম যন্ত্রপাতির প্রতি শক্তিশালী চাহিদা নির্দেশ করছে। 

যদিও দীর্ঘমেয়াদি তথ্য এখানে কিছু চ্যালেঞ্জও তুলে ধরেছে। সিইআইসি'র তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বার্ষিক শ্রম উৎপাদনশীলতা গড়ে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ হারে কমেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামগ্রিক শ্রম উৎপাদনশীলতা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৪২ শতাংশ কমে যায়—যা এ সংকটের গভীরতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।

ন্যাশনাল 'স্কিলস ইকোসিস্টেম' গড়ে তুলতে বড় উদ্যোগ

বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের শ্রম উৎপাদনশীলতা সংকট মোকাবিলায় একটি সমন্বিত 'স্কিলস ইকোসিস্টেম' গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে ন্যাশনাল স্কিলস ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এনএসডিএ)। সংস্থাটি বলছে, দেশের শিল্প খাত—বিশেষ করে তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্প—প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার মূল কারণ দক্ষতার ঘাটতি, প্রযুক্তিগত ব্যবধান এবং মানসম্মত প্রশিক্ষণ সুবিধার অভাব।

ন্যাশনাল স্কিলস ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (এনএসডিএ) কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড বিশেষজ্ঞ সৈয়দ আজহারুল হক বলেন, "বাংলাদেশ শ্রম উৎপাদনশীলতায় পিছিয়ে আছে মূলত একটি কার্যকর স্কিলস ইকোসিস্টেমের অভাবে। কখনো আমরা ইনস্টিটিউটের ওপর জোর দিয়েছি, কখনো মেশিন কিনেছি, আবার কখনো ট্রেইনারকে অবহেলা করেছি। অথচ ট্রেইনার উন্নয়ন ছাড়া মেশিনও ঠিকমতো কাজে আসে না। দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গেও আমরা তাল মেলাতে পারিনি।"

তিনি বলেন, "একটি শক্তিশালী স্কিলস ইকোসিস্টেমে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ট্রেইনার, আধুনিক মেশিন ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা—সব একসঙ্গে কাজ করে। এ ধরনের সমন্বিত কাঠামো আগে ছিল না। এখন এনএসডিএ সেটিই গড়ে তুলছে।"

এনএসডিএ কর্মকর্তারা জানান, দক্ষতা উন্নয়নকে কেন্দ্র করে কম্পিটেন্সি–বেইজড ট্রেনিং অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট (সিবিটিঅ্যান্ডএ) পদ্ধতি অনুসারে ইতোমধ্যে ৩০০–এর বেশি কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড উন্নয়ন করা হয়েছে। এসব স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি প্রায় ১ হাজার ৪০০–এর বেশি স্কিলস ট্রেনিং প্রোভাইডার (এসটিপি) প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

কর্মকর্তারা জানান, ২০১৯ সালে এনএসডিএ প্রতিষ্ঠিত হলেও পরবর্তী দুই বছর কোভিড–১৯ মহামারিতে কেটে যায়। ফলে বাস্তবে কেবল গত দেড়–দুই বছর ধরে পূর্ণ উদ্যমে কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয়েছে। তারা জানান, এখন তাদের লক্ষ্য দক্ষতা উন্নয়নের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ স্কিলস ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা। এতে ট্রেনিং সেন্টার, ট্রেইনার, মেশিনারি ও মূল্যায়ন পদ্ধতিকে একই ছাতার নিচে আনা হবে।

তারা আরও জানান, বর্তমানে এনএসডিএর অধীনে ২০০–এর বেশি পেশায় নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে এবং আরও অনেক পেশায় প্রশিক্ষণ চালুর প্রস্তুতি রয়েছে। দক্ষতা উন্নয়নে অগ্রসর দেশ—চীন, ফিলিপাইন, জাপান ও সিঙ্গাপুরের সিবিটিঅ্যান্ডএ মডেল গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সেসব দেশের সেরা অনুশীলন প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। বিশ্বের উন্নত স্কিলস মডেলগুলো অনুসরণ করে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে প্রশিক্ষণের মান বাড়াচ্ছে।

এনএসডিএ কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাব দীর্ঘদিনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক সরকারি ইনস্টিটিউটে যে মেশিন দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, বাস্তব শিল্পে সেগুলো বহু আগেই অপ্রচলিত। ফলে প্রশিক্ষণ শেষে কর্মীরা শিল্পে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়েন, যা উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

এই সমস্যা সমাধানে ন্যাশনাল হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (এনএইচআরডিএফ) সক্রিয়ভাবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ তহবিল থেকে আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষণ উপকরণ এবং ট্রেইনার উন্নয়নে বড় পরিসরে বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

এনএসডিএ বলছে, প্রশিক্ষণের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তির চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করাই মূল উদ্দেশ্য। কেউ বিদেশে কর্মসংস্থানে যাবেন, কেউ দেশে ব্যবসা শুরু করবেন—এ জন্য প্রশিক্ষণকে কেন্দ্র করে একটি কর্মসংস্থান ইকোসিস্টেমও গড়ে তোলা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)–এর অর্থায়নে ঋণ নেওয়া হয়েছে। 

কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, অচিরেই এর দৃশ্যমান অগ্রগতি সামনে আসবে।
 

Related Topics

টপ নিউজ

দক্ষতা / দক্ষতা উন্নয়ন / কর্মসংস্থান

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: সংগৃহীত
    আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না, জানেন না এখানে কী হয়েছে: তারেক রহমানের উদ্দেশে মাহমুদুর রহমান
  • ছবি: এএফপি
    মাচাদোর নোবেল ভাগাভাগির প্রস্তাবে রাজি ট্রাম্প, বললেন এটি গ্রহণ করা হবে ‘বিরাট সম্মানের’
  • ছবি: আসমা সুলতানা প্রভা/ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
    শীতের যে প্রসাধনী বদলায়নি, নয় সেকেলেও: তিব্বত পমেডের সাত দশকের গল্প
  • ফাইল ছবি/সংগৃহীত
    ‘আমরা অনেক দিন ধরেই আলাদা আছি’: দ্বিতীয় স্ত্রী রোজার সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে তাহসান 
  • গ্রিক অর্থোডক্স সেন্ট পরফিরিয়াস চার্চে বড়দিন পালিত হয় জানুয়ারির ৭ তারিখে।
    ২৫ কোটি খ্রিস্টান কেন ৭ জানুয়ারি বড়দিন পালন করেন?
  • ছবি: এপি
    পাকিস্তান কেন বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের কাছে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রি করছে?

Related News

  • পোশাক কারখানায় যেভাবে শ্রমিকরা হারছেন, জিতছে যন্ত্র
  • ১৮ মাসে ১ কোটি কর্মসংস্থান তৈরি করবে বিএনপি, কীভাবে করা হবে চূড়ান্ত করা হয়েছে: ফখরুল
  • ধনী দেশগুলোতে কর্মমুখী অভিবাসন কেন কমছে?
  • বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা চালু করবে: আমীর খসরু
  • বেক্সিমকো টেক্সটাইল ফের চালু করতে আগামী সপ্তাহে চুক্তি, কর্মসংস্থান ফিরে পেতে পারেন ২৫ হাজার কর্মী

Most Read

1
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না, জানেন না এখানে কী হয়েছে: তারেক রহমানের উদ্দেশে মাহমুদুর রহমান

2
ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

মাচাদোর নোবেল ভাগাভাগির প্রস্তাবে রাজি ট্রাম্প, বললেন এটি গ্রহণ করা হবে ‘বিরাট সম্মানের’

3
ছবি: আসমা সুলতানা প্রভা/ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
ফিচার

শীতের যে প্রসাধনী বদলায়নি, নয় সেকেলেও: তিব্বত পমেডের সাত দশকের গল্প

4
ফাইল ছবি/সংগৃহীত
বিনোদন

‘আমরা অনেক দিন ধরেই আলাদা আছি’: দ্বিতীয় স্ত্রী রোজার সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে তাহসান 

5
গ্রিক অর্থোডক্স সেন্ট পরফিরিয়াস চার্চে বড়দিন পালিত হয় জানুয়ারির ৭ তারিখে।
আন্তর্জাতিক

২৫ কোটি খ্রিস্টান কেন ৭ জানুয়ারি বড়দিন পালন করেন?

6
ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

পাকিস্তান কেন বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের কাছে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রি করছে?

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net