Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Wednesday
March 18, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
WEDNESDAY, MARCH 18, 2026
ধনী দেশগুলোতে কর্মমুখী অভিবাসন কেন কমছে?

আন্তর্জাতিক

আল জাজিরা
02 December, 2025, 09:15 am
Last modified: 02 December, 2025, 09:16 am

Related News

  • জনগণকে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী
  • রেকর্ড সংখ্যায় দেশত্যাগ করছেন আমেরিকানরা, বিদেশে খুঁজছেন নতুন ঠিকানা
  • ভুল রায়ে ৪০ বছর কারাগারে; জেল থেকে বেরোতেই আবার আইসিইর হাতে আটক ভারতীয় বংশোদ্ভূত বৃদ্ধ
  • নির্বাচিত সরকারের কাছে স্থিতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের 
  • সর্বোচ্চসংখ্যক নিরপরাধ অভিবাসী তাড়ানোর রেকর্ড; তবু ওবামা-বাইডেনের চেয়ে এখনও পিছিয়ে ট্রাম্প

ধনী দেশগুলোতে কর্মমুখী অভিবাসন কেন কমছে?

কোভিড-১৯ মহামারির পর টানা কয়েক বছর অভিবাসন বাড়লেও, গত বছর ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোতে স্থায়ী কাজের জন্য প্রবেশ করা মানুষের সংখ্যা ২১ শতাংশ কমে প্রায় ৯ লাখ ৩৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে।
আল জাজিরা
02 December, 2025, 09:15 am
Last modified: 02 December, 2025, 09:16 am
ছবি: রয়টার্স

গত বছর ধনী দেশগুলোতে কাজের সন্ধানে যাওয়া মানুষের সংখ্যা এক-পঞ্চমাংশের বেশি কমেছে। দুর্বল শ্রমবাজার এবং অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো ভিসা নীতি কঠোর করায় অভিবাসনের এ প্রবণতা হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছে 'অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট' (ওইসিডি)।

৩৮টি ধনী ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশ নিয়ে গঠিত প্যারিসভিত্তিক সংগঠন ওইসিডি জানিয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে অভিবাসন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগেই দেশটিতেও অভিবাসীর সংখ্যা নিম্নমুখী হতে শুরু করে।

কোভিড-১৯ মহামারির পর টানা কয়েক বছর অভিবাসন বাড়লেও, গত বছর ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোতে স্থায়ী কাজের জন্য প্রবেশ করা মানুষের সংখ্যা ২১ শতাংশ কমে প্রায় ৯ লাখ ৩৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

ভিসা নীতি কঠোর হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে যুক্তরাজ্যে। ২০২৪ সালে দেশটিতে অভিবাসীর সংখ্যা গড়ে ৪০ শতাংশেরও বেশি কমেছে। তবে নীতি পরিবর্তন না করা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতেও শ্রম অভিবাসন কমে ২০১৯ সালের পর্যায়ে নেমে গেছে।

অভিবাসন কমার কারণ কী?

ওইসিডির আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিভাগের প্রধান জ্যঁ-ক্রিস্টোফ ডুমন্ট এ পরিস্থিতির জন্য 'প্রতিকূল' বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবেশকে দায়ী করেছেন।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২০২৫ সালের জন্য বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ২.৮ শতাংশ করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এছাড়া যেসব দেশ ঐতিহ্যগতভাবে সবচেয়ে বেশি অভিবাসী গ্রহণ করে—যেমন কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য, তারা গত দুই বছরে কাজের ভিসার শর্ত কঠোর করেছে।

অন্যদিকে, ইউরোপে ইউক্রেনীয় শরণার্থীদের অস্থায়ী আশ্রয় দেওয়ার ফলে শ্রমবাজারের ঘাটতি কিছুটা পূরণ হয়েছে। ওইসিডির তথ্যমতে, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় ৫১ লাখ ইউক্রেনীয় ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোতে অবস্থান করছেন। এতে বাইরের দেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার চাহিদা কমেছে।

অন্যান্য অভিবাসন

শুধু কর্মসংস্থানের নয়, শিক্ষার্থী অভিবাসনও কমেছে। ২০২৩-২৪ সময়ে ওইসিডি দেশগুলোতে নতুন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। আবাসন সংকট এবং অভিবাসন জালিয়াতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া ভিসা নীতি কঠোর করায় এ পতন দেখা গেছে।

তবে মানবিক কারণে বা আশ্রয়ের জন্য অভিবাসন বরং বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে জো বাইডেন প্রশাসনের শেষ সময়ে আশ্রয় আবেদন বা 'এসাইলাম' উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপ থেকে ছোট নৌকায় করে অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের ঘটনাও বেড়ে গেছে।

শ্রম ও শিক্ষার্থী অভিবাসন কিছুটা কমলেও মানবিক কারণ বা আশ্রয়ের জন্য অভিবাসনের প্রবাহ বাড়ায় সামগ্রিক সংখ্যায় বড় ধরনের পতন হয়নি। ২০২৪ সালে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতে মোট স্থায়ী অভিবাসন আগের বছরের শীর্ষ রেকর্ডের তুলনায় মাত্র ৪ শতাংশ কমেছে।

তবুও ২০২৪ সালে ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোতে নতুন আগত মানুষের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬২ লাখে, যা মহামারি-পূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। অস্থায়ী শ্রম অভিবাসনও [যে ভিসায় স্থায়ী বসবাসের সুযোগ নেই] প্রায় ২৩ লাখে স্থিতিশীল রয়েছে, যা ২০১৯ সালের হারের চেয়ে বেশি।

অভিবাসনের সংখ্যা কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে?

২০২৩ সালে ওইসিডি দেশগুলোতে রেকর্ড ৬৫ লাখ মানুষ স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। এটি ২০২২ সালের রেকর্ড ৬০ লাখ অভিবাসীর চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। এ বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি ছিল যুক্তরাজ্যে।

২০২৩ সালে কানাডা, ফ্রান্স ও জাপানসহ ওইসিডির এক-তৃতীয়াংশ দেশে রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসী প্রবেশ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে ১২ লাখ মানুষ বৈধভাবে স্থায়ী হয়েছেন—যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ২০২৪ সালের প্রচারণায় অভিবাসন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

রাজনৈতিক বিতর্ক সত্ত্বেও বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৩ সালে কানাডা, নিউজিল্যান্ড, সুইডেন, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি ছিল অভিবাসন। যুক্তরাষ্ট্রেও অভিবাসীদের কারণে সৃষ্টি হয়েছে ৪০ লাখের বেশি নতুন কর্মসংস্থান।

ভবিষ্যৎ কী?

ওইসিডির কর্মকর্তা জ্যঁ-ক্রিস্টোফ ডুমন্ট মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র কঠোর নীতি নিলেও ২০২৫ সালে সামগ্রিক অভিবাসন ঐতিহাসিকভাবে উচ্চ পর্যায়ে থাকবে, যদিও তা সামান্য কমতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, শ্রমবাজারে অভিবাসীদের কর্মসংস্থানের হার এখনো বেশ শক্তিশালী।

উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাজ্যে বিদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের হার প্রায় ৭৬ শতাংশ, যা দেশটিতে জন্মগ্রহণকারী নাগরিকদের কর্মসংস্থানের হারের চেয়ে সামান্য বেশি।

ডুমন্টের মতে, এর পেছনে দুটি কারণ রয়েছে—উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন পেশার জন্য বিশেষ ভিসা ব্যবস্থা এবং নিম্ন দক্ষতা সম্পন্ন অভিবাসীদের সেইসব কাজ করা, যা স্থানীয়রা করতে অনীহা প্রকাশ করেন।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) অভিবাসনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ ফাবিওলা মিয়ারেরেস আল জাজিরাকে বলেন, 'কৃষি, নির্মাণ ও স্বাস্থ্য খাতসহ যেসব খাতে স্থানীয় শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। এসব খাতে সাধারণত অভিবাসী শ্রমিকেরাই বেশি কাজ করেন।'

তিনি আরও বলেন, 'স্পষ্টতই ন্যূনতম মজুরি ও কর্মপরিবেশ—এই দুই বিষয়ই সংকটের বড় কারণ।'

তিনি জানিয়েছেন, 'বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে, নির্বাচনী রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবেই থাকবে অভিবাসন। এটি মানুষের মধ্যে তীব্র আবেগ সৃষ্টি করে।'

Related Topics

টপ নিউজ

ধনী দেশ / অভিবাসন / কর্মসংস্থান / অভিবাসন নীতি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    'এমনটা ঘটার কথা ছিল না; আমরা স্তম্ভিত': উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর ইরানের পাল্টা হামলায় বিস্মিত ট্রাম্প
  • ফাইল ছবি: ইউএস নেভি
    মার্কিন রণতরীতে ৩০ ঘণ্টা ধরে জ্বলেছে আগুন, অসুস্থ কয়েক সেনা, মেঝেতে ঘুমাচ্ছেন ৬০০ নাবিক
  • ছবি: সংগৃহীত
    কয়েক মিনিটের ব্যবধানে রক্ষা, যেভাবে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে 'বেঁচে ফিরলেন' মোজতবা খামেনি
  • ইরানের হরমুজগান প্রদেশের অন্তর্গত কেশম দ্বীপের স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি: আল জাজিরা
    কেশম দ্বীপ: হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও ভূতাত্ত্বিক বিস্ময়
  • সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ দ্রুত সম্পন্ন করার বিকল্প নেই: গভর্নর
    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ দ্রুত সম্পন্ন করার বিকল্প নেই: গভর্নর
  • ছবি: ইপিএ
    হরমুজ রক্ষায় ‘হয়তো আমাদের থাকারই দরকার নেই, কারণ আমাদের তেলের অভাব নেই’: ট্রাম্প

Related News

  • জনগণকে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী
  • রেকর্ড সংখ্যায় দেশত্যাগ করছেন আমেরিকানরা, বিদেশে খুঁজছেন নতুন ঠিকানা
  • ভুল রায়ে ৪০ বছর কারাগারে; জেল থেকে বেরোতেই আবার আইসিইর হাতে আটক ভারতীয় বংশোদ্ভূত বৃদ্ধ
  • নির্বাচিত সরকারের কাছে স্থিতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের 
  • সর্বোচ্চসংখ্যক নিরপরাধ অভিবাসী তাড়ানোর রেকর্ড; তবু ওবামা-বাইডেনের চেয়ে এখনও পিছিয়ে ট্রাম্প

Most Read

1
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

'এমনটা ঘটার কথা ছিল না; আমরা স্তম্ভিত': উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর ইরানের পাল্টা হামলায় বিস্মিত ট্রাম্প

2
ফাইল ছবি: ইউএস নেভি
আন্তর্জাতিক

মার্কিন রণতরীতে ৩০ ঘণ্টা ধরে জ্বলেছে আগুন, অসুস্থ কয়েক সেনা, মেঝেতে ঘুমাচ্ছেন ৬০০ নাবিক

3
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

কয়েক মিনিটের ব্যবধানে রক্ষা, যেভাবে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে 'বেঁচে ফিরলেন' মোজতবা খামেনি

4
ইরানের হরমুজগান প্রদেশের অন্তর্গত কেশম দ্বীপের স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি: আল জাজিরা
আন্তর্জাতিক

কেশম দ্বীপ: হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও ভূতাত্ত্বিক বিস্ময়

5
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ দ্রুত সম্পন্ন করার বিকল্প নেই: গভর্নর
অর্থনীতি

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ দ্রুত সম্পন্ন করার বিকল্প নেই: গভর্নর

6
ছবি: ইপিএ
আন্তর্জাতিক

হরমুজ রক্ষায় ‘হয়তো আমাদের থাকারই দরকার নেই, কারণ আমাদের তেলের অভাব নেই’: ট্রাম্প

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net