Skip to main content
  • মূলপাতা
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Thursday
January 01, 2026

Sign In
Subscribe
  • মূলপাতা
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
THURSDAY, JANUARY 01, 2026
চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে শুধুই পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন নেই

বাংলাদেশ

তাওছিয়া তাজমিম
27 December, 2025, 09:40 am
Last modified: 27 December, 2025, 11:12 am

Related News

  • হাসপাতাল যখন যুদ্ধক্ষেত্র: ত্রিপুরার ফলবাগানে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের প্রথম হাসপাতাল
  • খালেদা জিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করছেন; সুস্থ হয়ে উঠবেন আশা করি: ডা. জাহিদ
  • হাদির অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
  • উন্নত চিকিৎসার জন্য ওসমান হাদিকে আজ সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে
  • ওসমান হাদির অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন, অবস্থার উন্নতি হলে বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা

চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে শুধুই পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন নেই

তাওছিয়া তাজমিম
27 December, 2025, 09:40 am
Last modified: 27 December, 2025, 11:12 am

অন্তর্বর্তী সরকার এক বছর আগে স্বাস্থ্য খাত সংস্কারের বেশ কিছু আশাব্যঞ্জক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিল, যার অধিকাংশই এখনো আলোর মুখ দেখেনি। ফলে হাসপাতালগুলোতে শয্যা, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবলের তীব্র সংকটের কারণে বাংলাদেশের জটিল রোগীদের সামনে বিদেশে চিকিৎসা নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকছে না।

গত বছর সরকারের এক মূল্যায়নে উঠে এসেছিল, ক্যান্সার, ইনফার্টিলিটি, কিডনি ও হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট—এই চার রোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশি রোগীরা বেশি বিদেশে, বিশেষ করে ভারতে যায়।  

এই চার রোগের চিকিৎসায় বিদ্যমান ঘাটতি মেটাতে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাসপাতাল প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে বসে। সেখানে সরকারি, অলাভজনক ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়।

এই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে ছিল—সারা দেশে আটটি ক্যান্সার হাসপাতাল ও ডায়ালাইসিস সেন্টার (যা বিগত সরকারের আমলে শুরু হয়েছিল) পুরোদমে চালু করা, বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালকে পূর্ণাঙ্গভাবে সচল করা এবং ক্যান্সারের ওষুধ ও যন্ত্রপাতির ওপর কর অব্যাহতি দেওয়া। কিন্তু এসব উদ্যোগের অগ্রগতি এখন থমকে আছে।

এদিকে চিকিৎসার জন্য রোগীদের বিদেশে পাড়ি জমানো অব্যাহত রয়েছে। গন্তব্য হিসেবে ভারত এখনো তালিকার শীর্ষে। জানা গেছে, ২০২৪ সালে প্রায় ৪ লাখ ৮২ হাজার বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য ভারতে গেছেন। সাম্প্রতিক ভিসা জটিলতার কারণে এই সংখ্যা কিছুটা কমলেও চিকিৎসার জন্য বিদেশগামী বাংলাদেশিদের প্রায় অর্ধেকই এখনো ভারতে যান। এর পরের অবস্থানে রয়েছে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ টিবিএসকে বলেন, 'ক্যান্সার, কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট ও ইনফার্টিলিটির মতো রোগে বিদেশমুখিতা কমাতে হলে রোগ-ভিত্তিক সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন দরকার। শুধু পরিকল্পনা করলে হবে না, সেটি বাস্তবায়ন করতে হবে। নাহলে রোগীরা উপকৃত হবে না এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে যাওয়াও থামবে না।' 

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ইকোসিস্টেমের অভাব। শুধু ভবন বা যন্ত্রপাতি থাকলেই স্বাস্থ্যসেবা কার্যকর হয় না; এর সঙ্গে দরকার প্রশিক্ষিত জনবল, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা, গবেষণা, সাপোর্ট স্টাফ ও নীতিগত সমন্বয়।

স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন জানান, স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়াতে কমিশনের রিপোর্টে বেশ কিছু সুপারিশ করে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে ক্যান্সার চিকিৎসার যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর ছাড়, মেডিকেল যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর সুবিধা দেয়া, সরকারি খরচে বেসরকারি হাসপাতালের শয্যা ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ। 

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতের চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করতে কমিশন একটি স্বতন্ত্র সংস্থা গঠনেরও প্রস্তাব দিয়েছে। কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে সরকারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পরিকল্পনা থমকে যাওয়ায় মাশুল গুনছেন রোগীরা

দেশের ক্যাান্সার চিকিৎসার সক্ষমতা এখনো চরমভাবে অপ্রতুল। তাই ক্যান্সার রোগীরাই চিকিৎসার জন্য সবচেয়ে বেশি বিদেশে যান। 

গ্লোবোক্যান ২০২০ প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতি বছর বাংলাদেশে ১ লাখ ৫৬ হাজার মানুষের দেহে ক্যান্সার শনাক্ত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ড প্রতি ১০ লাখ মানুষের জন্য অন্তত একটি রেডিওথেরাপি মেশিন রাখার পরামর্শ দেয়। সেই হিসাবে, বাংলাদেশের ৩০০টি এই মেশিন দরকার। কিন্তু বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে রেডিওথেরাপি মেশিন রয়েছে মাত্র ৩৭টি, যার বেশিরভাগই আবার অচল। 

ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য দেশের একমাত্র বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতাল ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আটটি রেডিওথেরাপি মেশিনের মধ্যে মাত্র দুটি চালু আছে। বাকি ছয়টি মেশিনের মধ্যে চারটি পুরোপুরি বিকল ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি দুটি মেশিনও চালু করার অবস্থায় নেই, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিকল ঘোষণা করা হয়নি। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের একজন রেডিওথেরাপিস্ট টিবিএসকে বলেন, 'মাত্র দুটি মেশিন দিয়ে প্রতিদিন ১৮০ থেকে ২০০ জনকে থেরাপি দেয়া হয়। কিন্তু রোগী আসেন আরো তিন-চারশোজন।' তিনি আরো বলেন, মেশিন স্বল্পতার কারণে টিউমার বোর্ড রোগীদের দেরিতে চিকিৎসার তারিখ দেওয়া হয়। এখন যারা তারিখ পাচ্ছেন, তারা ৮ থেকে ১০ মাস পর থেরাপি দিতে পারবেন। 

একই অবস্থা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনকোলজি বিভাগেও। সেখানে মাত্র একটি রেডিওথেরাপি মেশিন চালু রয়েছে। এ মেশিন দিয়ে প্রতিদিন ৭০ জন রোগীকে থেরাপি দেওয়া যায়। অথচ সেখানে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ জন রোগী চিকিৎসার জন্য আসছেন।

বিএমইউ-এর ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন টিবিএসকে বলেন, 'একটিমাত্র রেডিওথেরাপি মেশিনে রোগীর চাপ সামলানো কঠিন। ব্যাকআপ না থাকায় এই মেশিনটি নষ্ট হলে চিকিৎসা বন্ধ থাকবে। আমাদের দুটি মেশিন স্থাপনের জন্য ব্যাংকার রেডি আছে, মেশিন পাওয়া গেলে দিনে তিনশোর বেশি রোগীকে রেডিওথেরাপি দেওয়া যেতো।' 

তিনি আরও বলেন, 'রোগীদের যদি রেডিওথেরাপি পেতে তিন-চার মাস অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে ক্যান্সারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।' 

ডা. আকরাম কেমোথেরাপির জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির সংকটের কথাও তুলে ধরেন। বর্তমানে অনুদান হিসেবে পাওয়া মাত্র আটটি ইনফিউশন পাম্প রয়েছে এই বিভাগে। 'কেমোথেরাপি ও স্যালাইন প্রয়োগ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে ইনফিউশন পাম্প জরুরি। আমাদের আরো ২০-৩০টি ইনফিউশন পাম্প প্রয়োজন।'

ক্যান্সারের ওষুধ ও যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল সরকারের। চলতি বছরে মার্চে ক্যান্সারের ওষুধ তৈরির উপাদান আমদানিতে উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন পর্যন্ত এটিই একমাত্র বাস্তবায়িত পরিবর্তন।

গত বছর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মধ্য মেয়াদে ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে আট বিভাগে আটটি ক্যান্সার হাসপাতাল ও ডায়ালাইসিস সেন্টার চালু করাও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলো। প্রতিটি হাসপাতাল হবে ১০০ শয্যার। 

তবে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সাইদুর রহমান টিবিএসকে জানান, এই হাসপাতালগুলোর নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। যন্ত্রপাতি কেনার প্রক্রিয়াও বাকি আছে।

'আগামী অর্থবছরে আট বিভাগে ক্যান্সার হাসপাতাল চালু করার আশা করছি আমরা। তখন ক্যান্সার চিকিৎসায় সক্ষমতা বাড়বে এবং বিদেশমুখিতা কমতে পারে,' বলেন তিনি।

ইনফার্টিলিটি নিয়ে হাসপাতালের সেবা বাড়ানোর কথা বলা হলেও খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাড়া সরকারি পর্যায়ে সেভাবে ইনফার্টিলিটির চিকিৎসা হয় না। এমনকি ঢাকা মেডিকেল কলেজেও সেবার পরিসর অত্যন্ত সীমিত।  

বাংলাদেশে ইনফার্টিলিটির চিকিৎসা মূলত বেসরকারি হাসপাতালকেন্দ্রিক। যদিও খরচ বেশি, সাফল্যের হারও আশানুরূপ নয়। তাই রোগীরা তুলনামূলক কম খরচে ভারতে ইনফার্টিলিটির চিকিৎসার জন্য যান। 

এদিকে ২০২৪ সালের আগস্টের পর ভারতীয় ভিসা জটিলতার কারণে রোগীদের চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়া আরো কঠিন হয়ে গেছে। তবে মেডিকেল ভিসায় জটিল রোগীরা যেতে পারছিলেন। তবে বর্তমানে আবার ভারত-বিরোধী রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে চট্টগ্রামে ভারতীয় ভিসা সেন্টার বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসার জন্য রোগীদের চীনে যেতে উৎসাহিত করা হয়েছে। এছাড়া বিকল্প হিসেবে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে যাচ্ছে কেউ কেউ। তবে অনেকেরই এই দেশগুলোতে চিকিৎসার খরচ ও ভ্রমণ ব্যয় বহন করার সামর্থ্য নেই। ভাষাগত সমস্যার কারণে চীনে রোগী যাওয়ার হারও কম। 

ভারতীয় ভিসা না পেয়ে বিপাকে ইনফার্টিলিটির রোগীরা। দেশের দুটি প্রাইভেট হাসপাতালে আইইউ ও ইউভিএফ করার পরও সন্তান ধারণে ব্যর্থ হওয়ার পর তিন মাস ধরে ভারতীয় ভিসার চেষ্টা করছেন ইসমত আরা। 

তিনি টিবিএসকে বলেন, 'সন্তানের জন্য দেশে সব চিকিৎসা  করেছি। গত তিন বছরে প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন আমরা ইন্ডিয়া যাওয়ার প্ল্যান করছি, কিন্তু ভিসা পাচ্ছি না। থাইল্যান্ডে আইভিএফে খরচ অনেক বেশি, তাই সেখানে যাওয়ার কথাও ভাবতে পারছি না।' 

বিদেশে চিকিৎসায় বছরে ব্যয় হচ্ছে ৫ বিলিয়ন ডলার

১৩ ডিসেম্বর ঢাকায় আয়োজিত এক সেমিনারে ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেডের এমডি ও সিইও এবং ঢাকা চেম্বার অভ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মালিক তালহা ইসমাইল বারী বলেন, মূলত দেশের স্বাস্থ্যসেবার ওপর আস্থার অভাব, ভুল রোগ নির্ণয় ও দুর্বল সেবা ব্যবস্থাপনার কারণে রোগীরা বিদেশে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে যাচ্ছে।

তালহা জানান, দেশের চিকিৎসার ওপর রোগী ও তাদের স্বজনদের অনাস্থার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—রোগ নির্ণয়ের নির্ভুলতা নিয়ে সন্দেহ, হাসপাতালের বিল হঠাৎ বেড়ে যাওয়া, লুকায়িত খরচ, ভেজাল ওষুধ ও নিম্নমানের যন্ত্রপাতি। এই বিষয়গুলোই রোগীদের মনে এই ধারণা বদ্ধমূল করে যে বিদেশে চিকিৎসা নেওয়া বেশি নিরাপদ।

এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল

জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের বিদেশমুখিতা কমাতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) এর ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। কিন্তু উদ্বোধনের তিন বছর পার হলেও সে লক্ষ্য বা প্রতিশ্রুতি অপূর্ণই রয়েছে, সক্ষমতার মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে হাসপাতালটির। 

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর অ্যালায়েন্স ফর হেলথ রিফর্মস বাংলাদেশ আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, 'চিকিৎসা নিতে বিদেশমুখিতা কমাতে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল পুরোদমে চালু করতে কাজ করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা কমাতে এই মুহূর্তে রাষ্ট্রকে উদ্যোগী হয়ে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা দরকার। এ মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকারের হাতে প্রযুক্তিসম্পন্ন এবং সবচেয়ে ভালো অবকাঠামো হচ্ছে এই হাসপাতাল। সুপারস্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু করার বিষয়টি সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে আনা হয়েছে। আজ সেখানে ৬০ জন রোগী ভর্তি আছেন। এটি ৭০০ বেডের হাসপাতাল, আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত পুরোদমে এটি চালু করার। রোগীদের বিদেশমুখী হওয়া কমাতে এ হাসপাতাল নেতৃত্ব পর্যায়ে থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।'

তবে হাসপাতালটি এখনো পুরোদমে চালু করা যায়নি। গত সপ্তাহে (২০ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমান টিবিএসকে বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়েছে। যেহেতু আগামী জুনের মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে, তাই তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে। কাজ শেষ হলে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে এবং কারা এর ভার গ্রহণ করবে।

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. শহিদুল হাসান বলেন, হাসপাতালটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অধীনেই থাকবে। এ বিষয়ে আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সিন্ডিকেটের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

অঙ্গ প্রতিস্থাপন আইনের সংশোধন

কিডনি প্রতিস্থাপনের হার বাড়াতে সরকার গত মাসে অঙ্গ প্রতিস্থাপন আইন সংশোধন করে গেজেট প্রকাশ করেছে। সংশোধিত আইনে নিকটাত্মীয়ের সংজ্ঞা প্রসারিত করা হয়েছে এবং 'ইমোশনাল ডোনর'দের অঙ্গ দানের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে কিডনি দাতার হার বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এখনো সরকারি পর্যায়ে কিডনি প্রতিস্থাপনের হার কম। 

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অভ কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি-র (এনআইকেডিইউ) রেজিস্ট্রার ডা. মো. আব্দুস শুকুর জানান, আগের তুলনায় প্রতিস্থাপনের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে।

তিনি বলেন, 'আগে মাসে একটা করে কিডনি প্রতিস্থাপন হত।  চলতি বছরের আগস্ট থেকে প্রতি সপ্তাহে ১ টা করে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। মাঝে এক সপ্তাহে দুইজন রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছে। এখন আপাতত সেটিই, অর্থাৎ সপ্তাহে দুটি করে কিডনি প্রতিস্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। মূলত ডোনারের অভাবই কিডনি প্রতিস্থাপনের মূল অন্তরায়।'

Related Topics

টপ নিউজ

চিকিৎসা / বিদেশে চিকিৎসা / চিকিৎসায় বিদেশমুখিতা / স্বাস্থ্য / স্বাস্থ্য খাত

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • তাসনিম জারা। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
    দেশে তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ, বিদেশে স্বামীর আয় ৬৫ লাখ
  • হলফনামা: তারেক ও ডা. শফিকুরের চেয়েও বার্ষিক আয় বেশি নাহিদের
    হলফনামা: তারেক ও ডা. শফিকুরের চেয়েও বার্ষিক আয় বেশি নাহিদের
  • আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
    হলফনামা : আমির খসরুর সম্পদ প্রায় ২২ কোটি টাকা, আয় ১ কোটি ৫৯ লাখ
  • আবুধাবিতে পৌঁছানোর পর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে (বামে) উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন আবুধাবির যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান (ডানে)। ছবি: এসপিএ
    দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্ব ছাপিয়ে যেভাবে স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ল সৌদি আরব ও আরব আমিরাত
  • মেট্রোরেল। ফাইল ছবি: মুমিত এম/টিবিএস
    সন্ধ্যা ৭টা থেকে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন
  • জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ফাইল ছবি: বাসস
    হলফনামা অনুযায়ী ব্যবসা থেকে বছরে ৯ লাখ আয় সারজিস আলমের

Related News

  • হাসপাতাল যখন যুদ্ধক্ষেত্র: ত্রিপুরার ফলবাগানে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের প্রথম হাসপাতাল
  • খালেদা জিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করছেন; সুস্থ হয়ে উঠবেন আশা করি: ডা. জাহিদ
  • হাদির অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
  • উন্নত চিকিৎসার জন্য ওসমান হাদিকে আজ সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে
  • ওসমান হাদির অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন, অবস্থার উন্নতি হলে বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা

Most Read

1
তাসনিম জারা। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
বাংলাদেশ

দেশে তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ, বিদেশে স্বামীর আয় ৬৫ লাখ

2
হলফনামা: তারেক ও ডা. শফিকুরের চেয়েও বার্ষিক আয় বেশি নাহিদের
বাংলাদেশ

হলফনামা: তারেক ও ডা. শফিকুরের চেয়েও বার্ষিক আয় বেশি নাহিদের

3
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বাংলাদেশ

হলফনামা : আমির খসরুর সম্পদ প্রায় ২২ কোটি টাকা, আয় ১ কোটি ৫৯ লাখ

4
আবুধাবিতে পৌঁছানোর পর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে (বামে) উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন আবুধাবির যুবরাজ শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান (ডানে)। ছবি: এসপিএ
আন্তর্জাতিক

দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্ব ছাপিয়ে যেভাবে স্বার্থের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ল সৌদি আরব ও আরব আমিরাত

5
মেট্রোরেল। ফাইল ছবি: মুমিত এম/টিবিএস
বাংলাদেশ

সন্ধ্যা ৭টা থেকে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন

6
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ফাইল ছবি: বাসস
বাংলাদেশ

হলফনামা অনুযায়ী ব্যবসা থেকে বছরে ৯ লাখ আয় সারজিস আলমের

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net