নাশকতার মামলা: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৩২ নেতা-কর্মী কারাগারে
রাজধানীর পৃথক ছয় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৩২ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শুনানি শেষে ঢাকার পৃথক পাঁচ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে, পৃথক ছয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে এদিন আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী ছিল না।
আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার আসামিরা মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত। তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তার আসামিদের জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
আরও বলা হয়, আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হয়ে মামলার তদন্তে ব্যঘাত ঘটাবে। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের জামিনের ঘোর বিরোধিতা করছি। পরবর্তীতে গ্রেপ্তার আসামিদেরকে পুলিশ হেফাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
এর আগে, গত রবিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলাগুলোর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদকালে জানায় যে তারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
সম্প্রতি আসামিরা হরতাল ও অবরোধ করে দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ও জনমনে ভয়ভীতি এবং রাষ্ট্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটানোর জন্য বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগের শ্লোগান দিয়ে মিছিল করেছে।
গ্রেপ্তার, পলাতক এবং অজ্ঞাত আসামিরা নিজেদেরকে ছাত্রলীগের কর্মী ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ষড়যন্ত্রমূলক সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০১৩) এর ৮/৯/১০/১২/১৩ ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
ওই ঘটনায় রাজধানীর শ্যামপুর, গুলশান, মিরপুর, মতিঝিল, যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানায় পৃথক ৬টি মামলা করে পুলিশ।
