দুই দেশকে ‘আরও নিরাপদ ও শক্তিশালী’ করতে একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশকে 'আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ' করতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একটি উজ্জ্বল ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়া সমর্থন করে। আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে আমাদের অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার আশা করি।'
মার্কো রুবিও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানান।
রুবিও বলেন, এই উদযাপন বাংলাদেশ ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এমন একটি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা বাংলাদেশের জনগণকে তাদের দেশের ভবিষ্যৎ পথ নির্ধারণের সুযোগ দেবে।
বাংলাদেশ এই বিশেষ মুহূর্ত উদযাপন করছে উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটির জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এক বার্তায় বলেন, স্বাধীনতা অর্জন ছিল মর্যাদা ও অস্তিত্ব রক্ষার পাশাপাশি অধিকার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়।
অধ্যাপক ইউনুস বলেন, 'রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়, যা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিনে শুরু হয়েছিল।'
তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সেই বীর শহীদদের, যারা মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং যাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ দেশের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা এনে দিয়েছে।
দেশ-বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে এবং জনগণের কাছে স্বাধীনতার পূর্ণ সুফল পৌঁছে দিতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, 'জনমুখী ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমরা সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছি এবং রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করছি।'
তিনি আরও বলেন, 'মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের এই শুভক্ষণে আসুন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য একযোগে কাজ করার শপথ নিই।'