Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
May 02, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, MAY 02, 2026
‘আগামীর প্রজন্মকে ইতিহাসের সঙ্গে কানেক্ট করতে টিএসসিকে টিকিয়ে রাখতে হবে’

বাংলাদেশ

টিবিএস রিপোর্ট
29 December, 2020, 05:45 pm
Last modified: 29 December, 2020, 05:51 pm

Related News

  • টিএসসিতে বড় পর্দায় হাসিনার রায় সরাসরি সম্প্রচারের আয়োজন ডাকসুর
  • ডাকসু নির্বাচনে নারী ভোটকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তনের দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা, ছাত্রশিবির–বাম ছাত্রসংগঠনের মুখোমুখি স্লোগান
  • কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হবে ‘জুলাই উইমেন্স ডে’, বন্ধ থাকবে ক্যাম্পাসের প্রবেশপথ দিয়ে যান চলাচল
  • বৈশ্বিক উষ্ণায়নে আফ্রিকার পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যশৈলী

‘আগামীর প্রজন্মকে ইতিহাসের সঙ্গে কানেক্ট করতে টিএসসিকে টিকিয়ে রাখতে হবে’

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড আয়োজিত “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভেঙ্গে নতুন ভবন: কতটা গ্রহণযোগ্য?” শীর্ষক ই-জেনারেশন টিবিএস কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আলোচকেরা।
টিবিএস রিপোর্ট
29 December, 2020, 05:45 pm
Last modified: 29 December, 2020, 05:51 pm
ছবি: সালাহ উদ্দিন আহমেদ পলাশ/ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) ভেঙে নয়, বরং প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিহাসের সাথে আগামীর প্রজন্মের সংযোগ তৈরি করতে এটাকে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা। 

রোববার রাতে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড আয়োজিত "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভেঙ্গে নতুন ভবন: কতটা গ্রহণযোগ্য?" শীর্ষক ই-জেনারেশন টিবিএস কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আলোচকেরা।  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিমন্ডলের একটি প্রাণের জায়গা হলো টিএসসি। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে এটি রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু। 

"টিএসসি এখন শুধু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকের কাছে নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের প্রাণের জায়গা। যে গ্রীক স্থপতি এটা নির্মাণ করেন, তিনিও বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে গ্রামীণ আবহের আদলে শিল্পীর নিপুন হাতে এটাকে একেঁছিলেন।"

তিনি বলেন, "আমি নিজে ১৯৮৫ তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ি। তখন আমরা এই আন্দোলনকে সাজানোর জন্য যেভাবে টিএসসিকে ব্যবহার করেছি, ঠিক তেমনি এই আন্দোলন থেকে বাঁচার জন্যও টিএসসিকে ব্যবহার করেছি। তখন বাহিরে বের হওয়ার সুযোগ ছিল না। এই টিএসসিই তখন আমাদের ঠাঁই দিয়েছিল।"

সময়ের সাথে এটার সংস্কারের প্রয়োজন আছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি মনে করিনা এটাকে ভেঙে নতুন করে রুপ দিতে হবে। এটার মূল কাঠামো সংরক্ষণ করে ইতিহাসের সাথে আগামী প্রজন্মের বন্ধন তৈরি করতে হবে। 

একান্তই যদি এটার ব্যাপ্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়, তাহলে সেটা পরিকল্পনামাফিক করতে হবে বলে মনে করেন এই শিক্ষক নেতা।

স্থপতি ও চিত্রশিল্পী মুস্তফা খালিদ পলাশ বলেন, "বাজার অর্থনীতির প্রভাবে ঢাকা শহরের পুরোনো ভবনগুলোও ভেঙে ফেলা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের সাথে সাথে ইতিহাসকে কানেক্ট করতে এই স্থাপনাগুলো টিকিয়ে রাখতে হবে। বৈশিষ্টগুলোকে টিকিয়ে রেখে এডাপটিভ রিইউজের মাধ্যমে এটাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। সরকারিভাবে এটার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।"

তিনি বলেন, "উন্নয়নের জোয়ারে আমাদের কমলাপুর রেল স্টেশন ভাঙার প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার পথে। সেখানে টিএসটি ভাঙার কথা সামনে আসায় সবার মধ্যে একধরনের ভয় কাজ করছে। টিএসটি ভাঙবে এটা ভাবাই যায় না। এটা আমাদের রক্তের সাথে মিশে আছে। আমি বুয়েটের ছাত্র হলেও এটা আমার কাছে সাডেন ডেথের মতো মনে হচ্ছে। আশাকরি কর্তৃপক্ষ কোনভাবেই এই সিদ্ধান্ত নেবেন না।"

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সামনের দৃশ্য। ছবি: সালাহ উদ্দিন আহমেদ পলাশ/ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

টিএসসিকে কেন্দ্র করে সারা দেশে আধুনিক সাংস্কৃতিক চিন্তভাবনা ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে সংগীত শিল্পী পথিক নবী বলেন, "এটাকে কেন্দ্র করে বইমেলার শুরু। একটা সময় দেশের অডিও বাজরের প্রভাবও ছিল এই টিএসসি কেন্দ্রিক। একইভাবে রাজনৈতিক পালাবদল এবং সংঘাতে এই স্থান আমাদের আগলে রাখতে চেয়েছে। সুতরাং এর গুরুত্ব বহুমুখী। টিএসটিকে কোনভাবে গুড়িয়ে দেওয়া যায় না।"

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বাবিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বলেন, "পৃথিবীতে অনেক পুরানো শহর আছে। সেখানে প্রতিবছর কনসারভেশনের জন্য আলাদা বরাদ্দ থাকে। আমাদেরও কনসারভেশন এপ্রোচে আগাতে হবে। একটা শহরের কিছু স্থাপনা থাকে যেগুলো একসময় ল্যান্ডমার্ক হয়ে উঠে। সেগুলোকে সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে সংস্কারের মাধ্যেমে।"

অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, "আমি শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে বলছি, এটাকে সংস্কার করতে হলে খুব বেশি ভাঙ্গাচোরা করা যাবেনা। এর মূল কাঠামো ঠিক রেখে সংস্কার করতে হবে। এটা এমন নয় বুড়িগঙ্গার তীরের কোন প্রতিষ্ঠান, যেটা সংস্কারের জন্য গুড়িয়ে দিতে হবে।"

এদিকে, টিএসসির সার্বিক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের উদ্যোগের বিষয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে চেয়েছে প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদগুলোর ডিন ও ইনস্টিটিউটগুলোর পরিচালকদের কাছে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও সুপারিশ আগামী ২ জানুয়ারির মধ্যে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়।

টিএসসি চালু হয় ১৯৬২ সালে। এর আগে কয়েক দফা এর সংস্কারের কথা উঠলেও তা আলোচনাতেই থেমে যায়। এর মধ্যে একবার অবশ্য টিএসসির পাশে অবস্থিত সুইমিং পুলকে ভেঙে নয় তলা ভবন নির্মাণের কথা হয়। মুল কাঠামো ঠিক রেখেই সংস্কারের সেই উদ্যোগ পরে আলোর মুখ দেখেনি।  

এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে টিএসসিকে নতুন করে গড়ার লক্ষ্যে যে আলোচনা হচ্ছে সে ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোন নোটিশ পাননি বলে জানিয়েছেন টিএসসির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সৈয়দ আলী আকবর। তিনি বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের লোকজন এসে তিনদিন মাপে-ঝোকের কাজ করেছে এই তথ্যটাই আছে। এর বেশি জানা নেই। 

উল্লেখ্য, গ্রিক স্থপতি কনস্ট্যান্টিন ডক্সিয়াডেস ষাটের দশকের শুরুতে টিএসসির নকশা করেছিলেন। পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খানের আমলে ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হয়।

 

Related Topics

টপ নিউজ

টিএসসি / স্থাপত্য

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • শজনে গাছ। ছবি: সংগৃহীত
    খাবার পানির ৯৮% মাইক্রোপ্লাস্টিক দূর করতে পারে 'অলৌকিক' শজনে গাছ: গবেষণা
  • সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের নদীতে মাছ ধরছেন এক নারী। সুন্দরবনের মতো বেশ কিছু দুর্গম এলাকায় সীমান্ত ভাগাভাগি করছে বাংলাদেশ ও ভারত। ছবি: রয়টার্স
    বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বদলে কেন কুমির ও সাপ ছাড়তে চাইছে ভারত?
  • ছবি: সংগৃহীত
    যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী খুন: বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু
  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স
    যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার শঙ্কায় চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ দ্রুত বের করছে ইরান
  • প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
    অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রয়নীতির কারণেই হামের টিকার ঘাটতি: রিপোর্ট
  • যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডার নেলিস বিমানঘাঁটিতে একটি ট্রাকে করে দীর্ঘপাল্লার হাইপারসনিক অস্ত্র পরিবহনকারী টান্সপোর্টার ইরেক্টর লঞ্চার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: ইউএস আর্মি
    ইরানের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

Related News

  • টিএসসিতে বড় পর্দায় হাসিনার রায় সরাসরি সম্প্রচারের আয়োজন ডাকসুর
  • ডাকসু নির্বাচনে নারী ভোটকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তনের দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা, ছাত্রশিবির–বাম ছাত্রসংগঠনের মুখোমুখি স্লোগান
  • কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হবে ‘জুলাই উইমেন্স ডে’, বন্ধ থাকবে ক্যাম্পাসের প্রবেশপথ দিয়ে যান চলাচল
  • বৈশ্বিক উষ্ণায়নে আফ্রিকার পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যশৈলী

Most Read

1
শজনে গাছ। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

খাবার পানির ৯৮% মাইক্রোপ্লাস্টিক দূর করতে পারে 'অলৌকিক' শজনে গাছ: গবেষণা

2
সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের নদীতে মাছ ধরছেন এক নারী। সুন্দরবনের মতো বেশ কিছু দুর্গম এলাকায় সীমান্ত ভাগাভাগি করছে বাংলাদেশ ও ভারত। ছবি: রয়টার্স
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বদলে কেন কুমির ও সাপ ছাড়তে চাইছে ভারত?

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী খুন: বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

4
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার শঙ্কায় চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ দ্রুত বের করছে ইরান

5
প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
বাংলাদেশ

অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রয়নীতির কারণেই হামের টিকার ঘাটতি: রিপোর্ট

6
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডার নেলিস বিমানঘাঁটিতে একটি ট্রাকে করে দীর্ঘপাল্লার হাইপারসনিক অস্ত্র পরিবহনকারী টান্সপোর্টার ইরেক্টর লঞ্চার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: ইউএস আর্মি
আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net