অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস রোগীর জন্য কোভিড-১৯ প্রাণঘাতী: জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান
অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির করেনোভাইরাস সংক্রমণ হলে তা ভয়াবহ হয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি এবং জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান।
তিনি বলেন, সাধারণ রোগীদের তুলনায় ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা একবারেই কম থাকে। এমন পরিস্থিতি করোনায় আক্রান্ত হলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত 'বিএইচআরএফ ডায়াবেটিস এ্যাওয়ারনেস ফেলোশিপ-২০২১' প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
নরডিস্কের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান বিএইচআরএফ ডায়াবেটিস অ্যাওয়ারনেস ফেলোশিপ-২০২১ প্রাপ্ত গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে সনদ ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান আরও বলেন, 'বাংলাদেশসহ বর্তমান বিশ্বে ডায়াবেটিস একটি মহামারি রোগ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। করোনা আরেকটি মহামারি। পৃথিবীতে দুইটি মহামারি এক সঙ্গে চলছে। দুইটি মহামারি যখন এক সঙ্গে চলতে থাকে, তখন এটি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।'
'করোনা হলে ডায়াবেটিস যে হয় এটা প্রমাণিত নয়, তবে ডায়াবেটিস রোগীর করোনা হয়। আর ডায়াবেটিস আক্রান্তদের করোনা হলে সেটি আরও মারাত্বক। এক্ষেত্রে রোগীর যদি অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলে সেটা আরও ভয়াবহ হয়।'
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি কেউ শিক্ষিত না হয়, তাহলে তার পক্ষে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই কঠিন। তাই একবার ডায়াবেটিস হয়ে গেলে সেটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিজেকেই সব কিছু শিখে নিতে হবে। আরও ভালো হয় এই অসুখটা হওয়ার আগে যদি কেউ নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। এই অসুখ বা রোগ সম্পর্কে সবারই জানা উচিত, শেখা উচিত, ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি তৌফিক মারুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রাশেদ রাব্বিসহ অন্যান্য সদস্যরা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্য নুরুল ইসলাম হাসিব।
