Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Wednesday
April 22, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
WEDNESDAY, APRIL 22, 2026
রিও’র যীশু যথার্থই বিশ্বের সপ্তাশ্চর্য!

ফিচার

তারেক অণু
16 May, 2022, 08:55 pm
Last modified: 16 May, 2022, 09:01 pm

Related News

  • ছাগলের দুধপানে বেঁচে আছে এতিম হাতি: কেনিয়ায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের বিচিত্র কায়দা
  • হোজ্জা তুমি কার!
  • ডিএনএ সূত্র ধরে জন্মদাতা পিতামাতার পরিবারের খোঁজে তিন মহাদেশে!
  • কী করে ভ্রমণ করবেন? 
  • যদি জল-জঙ্গল আর চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গলে হয় একদিনের ভ্রমণ

রিও’র যীশু যথার্থই বিশ্বের সপ্তাশ্চর্য!

সারা বিশ্বে স্ট্যাচু অব লিবার্টি বাদে আর কোন বিশালাকার মূর্তিই বা এত বিখ্যাত ! তার ওপর আবার সম্প্রতি এটি বিশ্বের নতুন সপ্তাশ্চর্যে স্থান করে নিয়েছে বেশ ঢাকঢোল পিটিয়েই। চলুন ঘুরে আসি, বিশ্বের এ বিস্ময়ের পাদদেশ থেকে...
তারেক অণু
16 May, 2022, 08:55 pm
Last modified: 16 May, 2022, 09:01 pm
ছবি লেখকের সৌজন্যে

সৌম্য দর্শন একজন আলিঙ্গনের জন্য দুই হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছেন পাহাড় চূড়োয়। ঠোটের কোণে স্মিত হাসি, মুখে অভয় প্রদানের চিহ্ন, চোখের দৃষ্টি কোথায় যেয়ে ঠেকেছে তা বলার উপায় নেই; কখনো মনে হয় সামনের অতলান্তিক মহাসাগরের নীলে, কখনো মনে হয় অন্তহীন মহাকাশের দূরের কোন রূপোলী নক্ষত্রে। মানুষটি একা, দাঁড়াবার ভঙ্গিতে বন্ধুত্বের আহবানের সাথে সাথে খানিকটা একাকীত্বও মিশে আছে। কিন্তু সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপই নেই তার। দিন নেই, রাত নেই বছরের পর বছর রোদ-ঝড়-বৃষ্টি মাথায় দাঁড়িয়ে আছেন তিনি ব্রাজিলের সমুদ্র তীরবর্তী এক বিশাল মহানগরীর কোটি মানুষের আশা-ভরসার প্রতীক হয়ে। মহানগরীর নাম রিও দ্য জেনিরো।

ব্যস, বুঝে ফেলেছেন নিশ্চয়ই রিওর সেই বিখ্যাত যীশু মূর্তি নিয়ে কথা হচ্ছে ! আর সারা বিশ্বে স্ট্যাচু অব লিবার্টি বাদে আর কোন বিশালাকার মূর্তিই বা এত বিখ্যাত ! তার ওপর আবার সম্প্রতি এটি বিশ্বের নতুন সপ্তাশ্চর্যে স্থান করে নিয়েছে বেশ ঢাকঢোল পিটিয়েই। ধর্মপ্রচারকদের নিয়ে বালখিল্যতাজনক উৎসাহ নেই আমার; কিন্তু এই সম্পর্কিত স্থাপত্য দেখার ইচ্ছে আছে ষোল আনা, বিশেষ করে প্রাচীন ইতিহাসময় হলে তো কথাই নেই। যদিও এই যীশুমূর্তি এমন প্রাচীন কিছু না। চলুন ঘুরে আসি, এই বিশ্বের বিস্ময়ের পাদদেশ থেকে।

ছবি লেখকের সৌজন্যে

প্রবল ঝড়ের কারণে বিমানযাত্রার দেরি হওয়ায় রিওতে প্রবেশ ঘটেছিল বেশ আঁধার রাতে, তখনই অনেক অনেক দূর থেকে চলন্ত অবস্থাতেই চোখে পড়েছিল এই বিস্ময়ের দিকে। গাঢ় আঁধারের মাঝে শূন্যে দাড়িয়ে আছে ধবধবে সাদা যীশু, বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে। আসলে বিশেষভাবে আলো ফেলা হয় মূর্তিটিতে; যাতে আঁধারে একেবারে ফ্লোরেসেন্ট লাইটের মত ঝকঝক করে, আর দেখা যায় সবখান থেকেই।

আর দিনের আলোতেও রক্ষে নেই, রিওর যেখানেই যান না যেন, কোপাকাবানার সৈকতে, লাপার নাচের আসরে অথবা উপত্যকার ফাঁকে গজিয়ে ওঠা ফ্যাভেলায়; যীশুর পাথুরে নীরব দৃষ্টি তাড়া করবেই আপনাকে। পরিত্রাণ নেই সেখানে না যাওয়া পর্যন্ত।

অবশ্য যাবার ব্যবস্থা দুটি: এক সড়ক পথে, দুই উড়ে! সবসময়ের জন্য প্রস্তত আছে হেলিকপ্টার, আবহাওয়া ভাল থাকলেই যীশুর একেবারের নাকের ডগা থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসবে আপনাকে বিন্দুমাত্র ঘাম না ঝরিয়েই. সেইসাথে মুফতে পাবেন- বিশ্বের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন নগরীগুলোর একটির অপূর্ব আদিকচক্রবাল প্যানোরোমা। তবে মানিব্যাগ থেকে কয়েকশ ডলার ঝরে যাবে সেই কয়েক মিনিটেই। কাজে কাজেই সড়কে ফিরে আসি!

ছবি লেখকের সৌজন্যে

সেই সাথে খেয়াল রাখতে হবে আবহাওয়ার কথা। দেখা গেল নিচে ঝকঝকে রোদে, কিন্তু ঐ প্যাঁচানো পাহাড়ের মাথায় উঠতে উঠতে যে মেঘের ভেলা এসে যীশুসহ সারা শহরকে হতভম্ব আপনার সামনে ডেভিড কপারফিল্ডের মত উধাও করে দেবে না, তার কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই, আবহাওয়ার পূর্বাভাস মন দিয়ে শুনে, সারা দিন মেঘমুক্ত আকাশ আর শুকনো বালির সৈকতের প্রতিশ্রুতি পেলেই না যাওয়ার কথা ওঠে!

এমন এক রোদেলা চনমনে আলোভরা দিনেই আপাত আস্তানা লেবননের লেমন স্পিরিট হোস্টেল থেকে স্থানীয় ( লোকাল) বাসে চেপে করকোভাডো পাহাড়ে যাবার ট্রেন ষ্টেশনে পৌঁছালাম আমরা তিন মূর্তি, (করকোভাডো পাহাড়ের মাথাতেই যীশুমূর্তি অবস্থিত) , কিন্তু বিধি বাম! পর্যটকদের দল বিশাল লাইন দিয়ে দাড়িয়ে আছে, পরের ট্রেনের টিকেট পেতে হলে অন্তত ঘণ্টা তিনেক অপেক্ষা করতেই হবে! এই হল বেশি বিখ্যাত কিছু দেখতে যাবার সমস্যা- সবাই হাভাতের মত ছুটে যায়- এই দর্শণীয়গুলো দেখে সেগুলোর সাথে ছবি তুলতে। কাজেই অনেক বেশি বুদ্ধিমান ভ্রমণপিপাসু এমন মার্কামারা গন্তব্য এড়িয়েও চলেন সময় এবং অর্থ দুই-ই বাঁচানোর জন্য।

এই সময় যীশুর বার্তাবাহক হয়ে স্বর্গ না হলেও পাশের রাস্তা থেকে আবির্ভূত হলেন সিনর আলভ্যারেজ লুইজ কস্টা ! পেশায় ট্যাক্সিচালক তিনি, একটি বিশেষ কোম্পানির পোশাক পড়ে আছেন- যারা দর্শনার্থীদের নিয়ে পাহাড়ের চুড়োয় নিয়ে যায়, আবার ফেরৎ নিয়ে আসে। যীশুর কাছে কয়েক ঘণ্টা থাকার মাঝে বোনাস হিসেবে মিলবে পথের মাঝেখানে একাধিক জায়গায় থামার সুযোগ, যেখানে ছবির মত সাজানো শহরটির ছবি তোলার অদ্বিতীয় সুযোগ তো মিলবেই আর আছে টিজুকা (Tijuca) বনের নিসর্গ উপভোগের সুযোগ!

এখন বলেন, রিও মহানগরীতে বন আসল কোথা থেকে? আসলে  টিজুকা বন সারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহরঘেঁষা বন যাকে ইংরেজিতে বলে আরবার ফরেস্ট। আর সেই করকোভাডো পাহাড় কিন্তু এই বনের মাঝেই অবস্থিত!

ছবি লেখকের সৌজন্যে

তাই ট্রেন ধরার ঝামেলার বদলে- সিনর কস্টার জানে সওয়ার হলে রথ দেখার সাথে সাথে কলা তো বেচা হবেই- ফাঁকতালে রথে চড়ার আনন্দও উপভোগ করা যেতে পারে একাদশীর কৃষ্ণের মত ! তার ট্যাক্সির ভাড়াও যথেষ্ট ন্যায্য, আর কি চড়ে বসলাম হলদে- কালো ট্যাক্সিতে। প্যাঁচানো রাস্তা দিয়ে ঘুরে ঘুরে উঠতে থাকলাম পাহাড় শীর্ষে। মাঝে দুইবার যাত্রা বিরতি নেওয়া হল। একবার বিশেষ এক জায়গায় থেকে রিওর রূপ উপভোগের জন্য- এক পাশে দেখা গেল বিশ্বের বৃহত্তম স্টেডিয়াম মারকানা, যেখানে এক সময়ে ২ লাখ দর্শক একসাথে ফুটবল উপভোগ করতে পারত! এখন সেই ধারণক্ষমতা কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে।

তখনও যীশু বেশ দূরে, কিন্তু তার আসে পাশে হেলিকপ্টারের দলের আনাগোনা বোঝা যাচ্ছে বেশ। সেই সাথে রসিক মেঘের দলের অবস্থানের কারণে মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে শূন্যে ভেসে আছে কোনো অলৌকিক জাদুকর! যদিও সাথের পাড় নাস্তিক ইয়াইয়াস সেরণা মুচকি হাসি দিয়ে বলল- যীশু বাবা মনে হচ্ছে ব্যাঞ্জি জাম্পিং দেবার জন্য দাঁড়িয়েছে!

আরেকবার দাঁড়ানো হল রাস্তার পাশেই এক ঝাঁকড়া গাছের ডালে দুটো ছোট্ট বাঁদর দেখায়, একেবারে ক্ষুদে প্রজাতির, কয়েক ইঞ্চি মাত্র লম্বা, ঝুলে থাকা লেজটা দেহের সমানই বলা চলে! কিন্তু বেশি মাত্রায় লাজুক আর ক্ষিপ্রতার দিক থেকে স্পাইডারম্যানের পরদাদাকে হার মানানো জীবদুটো জাদুবলে উধাও হয়ে গেল ঘন সবুজ বনে!

এর পরে থামা হল, একেবারে পাহাড়ের মাঝামাঝি এক বিশেষ বাসস্টপে- যেখান থেকে একমাত্র অনুমতিপ্রাপ্ত মাইক্রোবাস উপরে যেতে পারে। তাতেই মুরগির খাঁচার মত চাপাচাপি করে কয়েক মিনিটের যন্ত্রণা সয়ে আমরা পৌঁছালাম যীশুর পাদদেশে। বেশ ছড়ানো জায়গা; সেখানে কিছু রেস্তোরাঁ আর রকমারি দোকানের অবস্থান, এবং সেখানে মূল পণ্য অবশ্যই নানা পদার্থের, নানাকৃতির যীশুর ক্ষুদে মডেল।

আর সেখান থেকে দেখা যাচ্ছে ১৩০ ফুট লম্বা এবং ৯৮ ফুট চওড়া( মানে ছড়ানো হাতের মাপ অনুযায়ী) মূর্তিটার পিছন দিক, মনে হল তার মাথায় কি যেন কাটার মত বসানো আছে ? কাঁটার মুকুট নাকি!

ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার মূর্তির পাদদেশে লেখক। ছবি সৌজন্যেপ্রাপ্ত

সাথের দূরবীন দিয়ে ফোকাস করতে দেখি মুকুট নয়, কিন্তু বেশ কয়েকটা অ্যান্টেনা জাতীয় ধাতব শলাকা। নিশ্চয়ই কোনো ব্যবহারিক কাজের জন্য। তার পাশের সিঁড়ি বেয়ে বেশ কিছু ধাপ অতিক্রম করে অবশেষে পৌঁছানো গেল বিশ্বের বিস্ময়ের নিচে, চোখ তুলে তাকালাম পাথুরে মুখের দিকে, সেখানে তখনো হেলিকপ্টারের ভিড়, আর চারপাশে গিজগিজ করছে মাছের বাজারের চেয়েও ভয়াবহ জনতার দঙ্গল। মোটামুটি সবাইই ব্যস্ত যীশুর মূর্তির সামনে তারই দুহাত ছড়ানো ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে একটি মুহূর্ত ক্যামেরায় বন্দী করায়।

ব্যক্তিগত অভিমত ব্যক্ত করার অভয় দিলে বলতে পারি, আমার প্রথমেই মনে হল এটি এত জনপ্রিয় কেন! সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,৩০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ৬৩৫ টন ওজনের মূর্তিটির চেয়ে আরও বড় যীশুমূর্তি বিশ্বে আছে চার খানা; তাদের কোনটাইতো এত জনপ্রিয় নয়! কিন্তু ১৯২২ সালে নির্মাণকাজ শুরু হবার পর ১৯৩১ সালে যীশু দুহাত মেলে দাঁড়াবার পর থেকেই এই বিশেষ স্থানটির জনপ্রিয়তা ব্যাপক- এটি কি এর সামনের-পিছনের অপূর্ব নৈসর্গিক দৃশ্যের জন্য? নাকি বারংবার অসংখ্য চলচ্চিত্র- কার্টুন- পত্রিকায় এর ছবি আসার জন্য!

ছবি লেখকের সৌজন্যে

বিশালাকার মূর্তিটি নিরেট- কেবল নিচ থেকে দেখা যায় কাছে গেলে, ভিতরে যাবার কোন উপায় নেই। সেখানে মিনিট পনের থাকতেই বেড়া ভাঙ্গা ভেড়ার পালের মত শুভ্র মেঘের দল ছুটে এল নানা উপত্যকার ফাঁক দিয়ে নিজেদের রাজত্ব বিস্তার করতে করতে। খানিক পরেই যীশুকে মন হল রহস্যময় কোন আগন্তক, যার মুখমণ্ডল ঘিরে আছে পাতলা মেঘের পর্দা।  সেই সাথে চোখ পড়ল তার বিশাল হাতের পাঁচ আঙ্গুলের দিকে, নিখুঁত কাজ বটে- কিন্তু কেমন যেন প্রাণহীন, ভাস্কর্যকলার সৌষ্ঠব, মাধুর্য অনুপস্থিত সেখানে। 

সেই সাথে বলতেই হবে- খৃস্টান ধর্মকে নিজেদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যে কদর্য ইতিহাস রচনা করেছিল উপনিবেশিক প্রভুরা তার গণ্ডী থেকে এখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি ল্যাতিন আমেরিকা। যত্রতত্র গির্জা স্থাপন করে, যীশুর মূর্তি গড়ে, ক্রুশের ভয় দেখিয়ে তারা দখল করে নিয়েছিল দুইটি মহাদেশ। যীশু নামের কেউ যদি বলেও থাকে ২০০০ বছর আগে, কেউ তোমার একগালে চড় মারলে অপর গালটিও এগিয়ে দিও, সেই শান্তির বাণী ভুলে সন্ত্রাসময় কলঙ্কই রচনা করে গেছে ইউরোপিয়ানরা। এখনো করে যাচ্ছে তাদের বংশধরেরা, যে দেশে মানুষ না খেয়ে থাকে আকছার, সেখানে গড়া হয় এমন হাজার গির্জা আর বিশালাকার ক্রুশ। যার উপরে ক্ষুদ্ধ হয়ে এই ব্রাজিলেরই বিখ্যাত রেভারেন্ড হেলডের কামারা বলেছিলেন "When I give food to the poor, they call me a saint. When I ask why they are poor, they call me a communist."

তাই আমরা এসেছি কোন পুণ্য অর্জনের মিথ্যে আশায় নয়, কেবলমাত্র বিখ্যাত একটি স্থাপত্যকে কাছে থেকে দেখার জন্য। সেখানেও ঝিরঝিরে বৃষ্টি আর মেঘের দল বিশ্বাসঘাতকতা করায় সেই অবস্থানটুকুও সংক্ষিপ্ত করে কিছু মুহূর্ত ফ্রেমবন্দী করে আবার নিচের পানে ছুটলাম।

Related Topics

টপ নিউজ

ভ্রমণকাহিনী / রিওর যীশু

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ফি অপরিবর্তিত থাকছে; চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মকর্তাদের পুনর্বহাল আদালতের ওপর
  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    'কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে সাইবার আইনে দ্রুত বিচার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
  • কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজা। ছবি: সংগৃহীত
    মানহানির মামলায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    একীভূত ৫ ব্যাংকের অসুস্থ আমানতকারীদের টাকা ফেরতের বিষয়টি বিবেচনাধীন: আমির খসরু
  • ছবি: টিবিএস
    আ.লীগকে সরাতে ১৬ বছর লেগেছে, আপনাদের সরাতে ১৬ দিনও লাগবে না: এটিএম আজহার
  • রাজধানীর একটি ফিলিং স্টেশনের চিত্র। ছবি: টিবিএস
    তেলের দাম বাড়ার পর ফিলিং স্টেশনে কমেছে লাইনের চাপ, অপেক্ষার সময় কমছে রাজধানীতে

Related News

  • ছাগলের দুধপানে বেঁচে আছে এতিম হাতি: কেনিয়ায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের বিচিত্র কায়দা
  • হোজ্জা তুমি কার!
  • ডিএনএ সূত্র ধরে জন্মদাতা পিতামাতার পরিবারের খোঁজে তিন মহাদেশে!
  • কী করে ভ্রমণ করবেন? 
  • যদি জল-জঙ্গল আর চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গলে হয় একদিনের ভ্রমণ

Most Read

1
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ফি অপরিবর্তিত থাকছে; চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মকর্তাদের পুনর্বহাল আদালতের ওপর

2
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

'কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে সাইবার আইনে দ্রুত বিচার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

3
কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি মুফতি আমির হামজা। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

মানহানির মামলায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

4
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

একীভূত ৫ ব্যাংকের অসুস্থ আমানতকারীদের টাকা ফেরতের বিষয়টি বিবেচনাধীন: আমির খসরু

5
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

আ.লীগকে সরাতে ১৬ বছর লেগেছে, আপনাদের সরাতে ১৬ দিনও লাগবে না: এটিএম আজহার

6
রাজধানীর একটি ফিলিং স্টেশনের চিত্র। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

তেলের দাম বাড়ার পর ফিলিং স্টেশনে কমেছে লাইনের চাপ, অপেক্ষার সময় কমছে রাজধানীতে

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net