হাথুরুসিংহের প্রত্যাবর্তনে রোমাঞ্চিত তাসকিন
বাংলাদেশের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চান্দিকা হাথুরুসিংহে। দ্বিতীয় দফায় লঙ্কান এই কোচের সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগের দফায় হুট করে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া নিয়ে আলোচনা আছে। বাংলাদেশে হাথুরুসিংহের দ্বিতীয় কেমন হবে, সেটা নিয়েও অনেক আলোচনা। এমন প্রশ্নে জাতীয় দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটার আশার কথা জানিয়েছেন। তাসকিন আহমেদও তাদের একজন।
২০১৪ সালে বাংলাদেশের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন হাথুরুসিংহে। তার তত্ত্বাবধানেই পরের বছর জাতীয় দলে অভিষেক হয় তাসকিনের। অভিষেকেই ভারতের বিপক্ষে ৫ উইকেট নিয়ে কোচের আস্থার প্রতিদান দেন ডানহাতি এই পেসার। পরের কয়েক বছরে হাথুরুসিংহের কোচিংয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করেন তাসকিন। লঙ্কান কোচের প্রত্যাবর্তনের খবরে তাই উচ্ছ্বসিত তিনি।
বুধবার মিরপুরে তাসকিন বলেন, 'আমি রোমাঞ্চিত যে আমাদের সেই আগের হাথুরুসিংহে কোচ আসছেন। সে যথেষ্ট ভালো মানের কোচ এবং সৎ মানুষ। নিশ্চিতভাবে তার সঙ্গে.... ভালো হবে। আমাদের মাঝে ওই সময় যারা অনেক তরুণ ছিলাম, ওরা আগের থেকে একটু পরিণত খেলোয়াড়। দলের অবস্থান আরও ভালো।'
অস্ট্রেলিয়া থেকে ক্রিকেটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন হাতুরুসিংহে, আলোচনা করছেন পরিকল্পনা নিয়ে। তাসকিন বলেন, 'উনার সঙ্গে সবারই কথা হয়েছে (এই দফায় কোচ হওয়ার পর)। উনি সবার সঙ্গেই যোগাযোগ করেছিল। পরিকল্পনা শেয়ার করেছিল, বোলারদের কী ভূমিকা, ব্যাটসম্যানদের কী ভূমিকা। আসলে আবার মিটিং করবে।'
প্রথম দফায় কোচিংয়ের সময় বাংলাদেশের স্পিনারদের ওপর বেশি নির্ভর করতেন হাথুরুসিংহে। স্পিনারদেরকে কেন্দ্র করেই পরিকল্পনা সাজানো হতো। পেসাররা উন্নতি করায় সেটা এবার বদলাবে বলে বিশ্বাস তাসকিনের, 'এখনও তো কোচ আসেননি। এলে মিটিং করলে বুঝতে পারবো। নিশ্চিতভাবেই তখনকার পেসারদের চেয়ে এখনকার পেসাররা বেশি ধারাবাহিক।এটাও একটা ইতিবাচক দিক। আশা করছি পেসাররাও খেলবে ইনশা আল্লাহ।'
আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আসবে ইংল্যান্ড। এই সফরে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে ইংলিশরা। এই সিরিজে ফিট তাসকিনকে পেতে তাকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে। হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে বিপিএলে ঢাকা ডমিনেটর্সের শেষ তিনটি ম্যাচে খেলা হয়নি তার। বুধবার থেকে শুরু হয়েছে তাসকিনের পুনর্বাসন, আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু করবেন বোলিং।
