‘উইকেটকিপিং নিয়ে দলে প্রভাবের কিছু নেই’
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে দেওয়া হয়েছে। প্রথম দুই ম্যাচে কিপিং করবেন নুরুল হাসান সোহান, পরের দুই ম্যাচে মুশফিকুর রহিম। দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ঠিক করা হবে শেষ ম্যাচের কিপার। টিম ম্যানেজমেন্টের এমন সিদ্ধান্তে দলে কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মুশফিক-সোহান, দুজনই ইতিবাচক আছেন।
দায়িত্ব ভাগাভাগি করে দেওয়া ও সেটা প্রকাশ্যে ঘোষণা দেওয়ার ব্যাপারটিকে অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা বলছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশের সফলতম ওয়ানডে অধিনায়কের মতে, ১৬ বছর ধরে ক্রিকেট খেলে আসা মুশফিককে এভাবে পরীক্ষা নেওয়াটা যুক্তিযুক্ত নয়। একইভাবে সোহানের জন্যও এটা ভালো বার্তা নয়।
মাহমুদউল্লাহ অবশ্য বিষয়টিকে সহজভাবেই দেখছেন। কিপিং ভাগাভাগি নিয়ে দলে কোনো প্রভাব পড়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বলেন, 'প্রভাবের কিছু নেই। মুশফিক টিম ম্যান এবং দুর্দান্ত সতীর্থ। খুশি মনেই সে কিপিংয়ের দায়িত্ব সোহানের সঙ্গে ভাগাভাগি করছে। সে খুশি, সোহানও খুশি। সোহান ভালো কিপিং করছে, মুশফিকও দারুণ। কাজ ভাগাভাগি করে নেওয়াটা দলের জন্যই ভালো।'
এতো বছর পর কিপার হিসেবে মুশফিক ও সোহানের প্রমাণের কিছু আছে কিনা জানতে চাইলে ঘুরিয়ে উত্তর দেন মাহমুদউল্লাহ, 'এ বিষয়ে সব ঠিক আছে। কোনো অসুবিধাই নেই। সত্যি বলতে, দুজনই খুশি আছে। টিম ম্যানেজমেন্টও খুশি আছে। এই জিনিসগুলো নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো ব্যাপার নেই। সোহান আগের সিরিজে ভালো কিপিং করেছে। মুশি তো অসাধারণ বছরের পর বছর ধরেই। লিটনের কিপিংয়ের কথা তো এখনও বলাই হয়নি।'
জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্ট খেলে পারিবারিক কারণে দেশে ফিরেছিলেন মুশফিকুর রহিম। এরপর একটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টিতে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন সোহান। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজেও ছিলেন না মুশফিক। উইকেটের পেছনটা সামলানোর দায়িত্ব ছিল সোহানের কাঁধে।
বরাবরের মতোই কিপিংয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন দেশসেরা উইকেটরক্ষক সোহান। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুশফিক দলে ফেরায় প্রশ্ন ওঠে, কিপিংয়ের দায়িত্ব পাবেন কে। সেই উত্তর সোমবার দেন জাতীয় দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। তিনি জানান, ভাগাভাগি করে কিপিং করবেন মুশফিক-সোহান।
