দলের প্রয়োজনে যেকোনো জায়গায় যেতে রাজি মাশরাফি
আলোচনাটা গত বছরের ডিসেম্বর থেকে। তখন অবশ্য পাকিস্তান সফর নিশ্চিত হয়নি। সফর নিশ্চিত হওয়ার আগে বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্রিকেটারদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এই 'অপশন' পেয়ে পাকিস্তান সফর থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন মুশফিকুর রহিম।
দলে থাকলে আপনি কী করতেন? বঙ্গবন্ধু বিপিএল চলাকালীন এমন প্রশ্ন করা হয় মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। জবাবে ওয়ানডে অধিনায়ক জানিয়েছিলেন, দলে থাকলে হয়তো পাকিস্তানে যেতেন তিনি। তবে মুশফিকের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা জানান মাশরাফি।
দুই মাস পরও একই কথা জানালেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। আগামী এপ্রিলে একটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট খেলতে পাকিস্তানে যাবে বাংলাদেশ। ওয়ানডে দলে থাকলে পাকিস্তানে যাবেন তিনি। কেবল পাকিস্তানই নয়, দলের প্রয়োজনে যেকোনো জায়গায় যেতে রাজি বর্তমান বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার।
সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের আগে মাশরাফি বলেছেন, 'প্রথমত জানি না এই সিরিজের পর কী হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রয়োজনে আমাকে যেখানেই ডাকবে, সেখানে থাকব। ক্রিকেট বোর্ড আমাদের অভিভাবক। আমার বিশ্বাস একবার, দুইবার, দশবার ভেবেই সিদ্ধান্ত নেবে তারা। আমাদের উচিত ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তটাকেই মেনে নেওয়া।'
মুশফিক এখনো আগের অবস্থানেই আছেন। বাংলাদেশের তৃতীয় দফার পাকিস্তান সফরেও তিনি যাবেন না। এবারও মুশফিকের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাচ্ছেন মাশরাফি, 'একেক জনের একেক রকম চিন্তা। মুশফিক যায়নি, তার এমন সিদ্ধান্তকে শতভাগ সম্মান জানাই। বোর্ড থেকেই এমন সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। না যেতে চাইলে যাবে না। সফরের আগে নির্বাচকরা নির্ধারণ করবেন- কে যাবে আর কে যাবে না।'
দুটি টেস্ট, তিনটি টি-টোয়েন্টি ও একটি ওয়ানডের সিরিজকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথম দুই দফায় দুটি টি-টোয়েন্টি (বৃষ্টিতে একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়) ও একটি টেস্ট খেলে এসেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ দফায় একটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট খেলতে আগামী এপ্রিলে পাকিস্তান সফরে যাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
