Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
January 18, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, JANUARY 18, 2026
বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি, বাড়েনি মজুরি: ভোক্তার নাভিশ্বাস

অর্থনীতি

টিবিএস রিপোর্ট
05 December, 2024, 08:00 pm
Last modified: 05 December, 2024, 10:20 pm

Related News

  • নভেম্বরে গণভোট চায় জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ আটদল; বৈঠক শেষে সিইসিকে স্মারকলিপি প্রদান
  • নির্বাচনের দিন যারা গণভোট করতে চান তাদের উদ্দেশ্য জুলাই সনদকে অকার্যকর করা: গোলাম পরওয়ার
  • ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৩৫ শতাংশ
  • ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কর-জিডিপি অনুপাত আরও কমে ৬.৬%
  • জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৮.৫৫ শতাংশ

বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি, বাড়েনি মজুরি: ভোক্তার নাভিশ্বাস

এরমধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশে। সে তুলনায়, নভেম্বরে নিম্ন আয়সীমায় থাকা দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকদের মজুরি হার বেড়েছে মাত্র ৮ দশমিক ১০ শতাংশ, যার সাথে খাদ্য মূল্যস্ফীতির ৫ দশমিক ৭০ শতাংশের মতো ব্যবধান রয়ে গেছে। 
টিবিএস রিপোর্ট
05 December, 2024, 08:00 pm
Last modified: 05 December, 2024, 10:20 pm
অলংকরণ: দুনিয়া জাহান/ টিবিএস

রাজধানীর ইস্কাটনের শাহ ডিপার্টমেন্ট স্টোরের দোকানী আক্ষেপ করে বলছিলেন, "সয়াবিনের সাপ্লাইয়ে দুর্নীতি আছে, বুঝলেন ভাই, একেবারে পুরা দুর্নীতি।' 

তাঁর দোকানে আসা এক ক্রেতার উদ্দেশ্যেই একথা বলা। সয়াবিনের ছোট বোতল হাতে নিয়ে তিনিও উত্তর দেন, "তাই তো দেখছি, নাহলে কালকেই কিনলাম ৯০ টাকায়, আজকে ১০০ টাকা হয় কেমনে!"  

ক্রেতার এই আক্ষেপে মাথা দুলিয়ে সায় দিলেন দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দোকান মালিক শাহ আলম। 

তিনি বলেন, "তেলের সেই রকম মনে করেন সাপ্লাই নাই। আবার সবকিছুর দাম একসাথে বাড়তাছে। অনেক কাস্টমার আসেন, তাঁরা জিনিসপত্রের দরদাম শুনে ফেরত যায়, কেনাকাটা করে না।"

গত আড়াই বছর ধরে বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের মানুষকে জীবনধারণের জন্য প্রতিনিয়ত এক নীরব সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। খাদ্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে না তাঁদের মজুরি। 

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য বলছে, গেল নভেম্বরে দেশে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশে। আগের মাস অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এই হার গত চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এরমধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশে। সে তুলনায়, নভেম্বরে নিম্ন আয়সীমায় থাকা দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকদের মজুরি হার বেড়েছে মাত্র ৮ দশমিক ১০ শতাংশ, যার সাথে খাদ্য মূল্যস্ফীতির ৫ দশমিক ৭০ শতাংশের মতো ব্যবধান রয়ে গেছে।

নিত্যপণ্য কেনার ক্ষেত্রে শ্রমজীবী মানুষের এই হিমশিম অবস্থা— আসলে নিম্ন আয় থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত পর্যন্ত সবারই প্রকৃত আয় কমে যাওয়াকে তুলে ধরছে।

সমস্যার শুরুটা হয়েছিল বিগত স্বৈরাচারী সরকারের অর্থনৈতিক দুর্ব্যবস্থাপনার সময়েই। ২০২২ সালের মে মাস থেকেই মজুরির চেয়ে দ্রুত বেড়েছে মূল্যস্ফীতি। গত জুলাইয়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ, যা ছিল গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এসময় মজুরি বেড়েছিল মাত্র ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ।

নভেম্বরে কৃষি, শিল্প ও সেবাখাতের ৬৩ ধরনের পেশায় — অক্টোবর মাসের তুলনায় মজুরি ১ শতাংশীয় পয়েন্টেরও কম বেড়েছে। অক্টোবরের ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ থেকে যা নভেম্বরে হয়েছে ৮ দশমিক ১০ শতাংশ।

অন্যদিকে, লাগামহীনভাবে বাড়তেই আছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি, যা ১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে। গৃহস্থের আর্থিক সঙ্গতির ওপর যা আরও চাপ তৈরি করেছে।

একদিকে খাদ্যের মতো মৌলিক পণ্যদ্রব্যের চড়া দাম, অন্যদিকে আয় না বাড়ার এই ঘটনা হয়েছে সবখাতেই – যার প্রভাবই সর্বত্রই লক্ষ করা যাচ্ছে। তবে ব্যক্তির সামাজিক শ্রেণিভেদে সেই প্রভাবের তারতম্যও রয়েছে।

ইস্কাটনের আরেক দোকানি খায়রুল হকের মতে, সরবরাহের উৎসেই জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, "আমরা পাইকারদের থেকে কার্টন হিসেবে পণ্য কিনি। সেখানে তাঁরা আগের চেয়ে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা বেশি নিচ্ছে। একইভাবে পণ্য পরিবহনে ভ্যান ভাড়া ৫০ টাকা বেশি নিচ্ছে। এখন তাঁরা ১৫০ টাকার মতো নেয়।"

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায়, বিভিন্ন পেশার মানুষও টাকা বেশি চায়, ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে থাকে। তবে ব্যয়ের তুলনায় মজুরি বা আয় সেভাবে বাড়েনি মানুষের।  

মজুরির নেতিবাচক প্রবণতা 

মজুরির প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের আশেপাশেই থাকছে, গত নভেম্বরে যা ৮ দশমিক ১০ শতাংশ হয়েছে। 

মূল্যস্ফীতিতে চরম দুর্ভোগের কথা জানালেন বেসরকারি চাকুরীজীবী মনোয়ার ইসলাম। এক বছর আগে তাঁর বেতন বেড়েছিল মাত্র আড়াই শতাংশ। অথচ জিনিসপত্রের ঊর্ধ্বগতির মিছিল থেমে থাকেনি। যে মাসে তাঁর বেতন বাড়ে, তখন মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ১২ শতাংশ হারে। গত বছরের শেষপর্যন্ত টানা হয়েছে দুই অঙ্কের মূল্যস্ফীতি। কিন্তু, বেতন আর বাড়েনি। 

মনোয়ার বলেন, "অনেক কিছুতে এখন খরচ কমানোর চেষ্টা করি। বিশেষ করে গরুর গোশত খেতে পারি না। খেলেও কম খাই। পরিস্থিতির কোনো উন্নতির লক্ষণ দেখি না। আমার বেতন আরেকবার বাড়ার আগে জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁবে বলে মনে হচ্ছে।" খাবার খরচ ছাড়াও, বাড়িভাড়া, বিদ্যুৎ ও পানির বিল সবই বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

বেসরকারি আরেক চাকুরে, জোতির্ময় চক্রবর্তী অবশ্য কিছুটা আশাবাদী।  তিনি বলেন, "শীতকাল চলছে, তাই শাকসবজির দাম কিছুটা কম। এখানে স্বস্তির একটা জায়গা আছে। গাজরের দাম ১৮০ টাকা থেকে কমে ৯০ টাকা হয়েছে। বেগুনের দামও কমেছে।"

তাঁর বেতন বেড়েছে কিনা জানতে চাইলে জোতির্ময় বলেন, গতবছর নতুন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি নিয়েছি, সেখানে আগের প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বেশি বেতন পাচ্ছি। 

ইস্কাটনে সবজি বিক্রেতা আব্দুল মোতালেব টিবিএসকে বলেন, "তবে কয়েক মাস আগের চেয়ে কম হলেও –  বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবারের শীতের শুরুতে সবজির দাম তুলনামূলক বেশি। যেমন গত বছর এই সময়ে নতুন আলুর কেজি ৫০-৬০ টাকা ছিল, কিন্তু এবছর এখন ১১০ টাকা। গত বছরের তুলনায় বিভিন্ন সবজির দাম ১০-৩০ টাকা বেশি।"

তিনি আরও বলেন, "সবজির দাম বেশি হওয়ায় এখন বেচাকেনাও কম। ক্রেতারা এসে দাম জিজ্ঞেস করে অনেকে চলে যান। বাজারে সবজির সরবরাহ বেশ ভালো কিন্তু দাম কমছে না। বেচাকেনা না থাকলে আমাদের পেটওতো চলে না।"

দিনমজুর ফজলুল হক-ও হতাশাই ব্যক্ত করেন। ফজলুল বলেন, "সপ্তাহের মধ্যে ২-৩ দিন কাজ পাই, কাজ থাকলে প্রতিদিন ৭০০ - ১,০০০ টাকা পারিশ্রমিক পাই। আগের মতো এখন কাজ পাওয়া যায় না। সপ্তাহে বাড়িতে ১,০০০ টাকাও পাঠাতে পারি না। বাজারে সবজি কিনে খাব- সে উপায়ও নেই। সবজির দামও বেশি। গত দুই মাস ধার করে বাড়িতে টাকা পাঠিয়েছি।"

তিনি আরও বলেন, "আমি ঢাকাতে মেসে থাকি, সেখানে একবেলা খাবার খেতে ৯০ টাকা লাগে। ৩ মাস আগেও সেটা ৮০ টাকা ছিল। মাসে একবার মুরগি খেতে পারি। কিন্তু গরুর মাংস বাড়িতে না গেলে খাওয়া হয় না। ২-৩ মাস পরে বাড়িতে গেলে তখন এক কেজি গরুর মাংস কিনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাই। জুলাইয়ের আন্দোলনের পরে একবার গ্রামে বাড়ি জামালপুরে গিয়েছিলাম, এখন হাতে টাকা নেই তাই বাড়িতেও যেতে পারছি না।"

 

Related Topics

টপ নিউজ

খাদ্য মূল্যস্ফীতি / নভেম্বর / ২০২৪-২৫ অর্থবছর

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    বিক্রির ২৫ শতাংশ হতে হবে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ, নইলে নতুন ওষুধের অনুমোদন পাবে না কোম্পানিগুলো
  • দাইদাই ভেবেছিলেন, হয়তো ডজনখানেক লোক তাকে সাহায্য করতে আসবে। ছবি: জিমু নিউজ
    শূকর জবাইয়ে সাহায্য চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট চীনা তরুণীর; পরদিনই হাজারো মানুষের ঢল
  • ছবি: সংগৃহীত
    কুমিল্লা-৪: হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বহাল, অবৈধই থাকল বিএনপি প্রার্থীর
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    ৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব
  • ছবি: এএফপি
    ভেপার ধরিয়ে দিতে হটলাইন, ধরা পড়লে বেত্রাঘাত: ই-সিগারেটের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুরের 'যুদ্ধঘোষণা'
  • ছবি: স্ক্রিনগ্র্যাব
    ‘এটা কি হাতের অঙ্ক যে আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা আর নেই?’

Related News

  • নভেম্বরে গণভোট চায় জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ আটদল; বৈঠক শেষে সিইসিকে স্মারকলিপি প্রদান
  • নির্বাচনের দিন যারা গণভোট করতে চান তাদের উদ্দেশ্য জুলাই সনদকে অকার্যকর করা: গোলাম পরওয়ার
  • ২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৩৫ শতাংশ
  • ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কর-জিডিপি অনুপাত আরও কমে ৬.৬%
  • জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৮.৫৫ শতাংশ

Most Read

1
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

বিক্রির ২৫ শতাংশ হতে হবে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ, নইলে নতুন ওষুধের অনুমোদন পাবে না কোম্পানিগুলো

2
দাইদাই ভেবেছিলেন, হয়তো ডজনখানেক লোক তাকে সাহায্য করতে আসবে। ছবি: জিমু নিউজ
আন্তর্জাতিক

শূকর জবাইয়ে সাহায্য চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট চীনা তরুণীর; পরদিনই হাজারো মানুষের ঢল

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

কুমিল্লা-৪: হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়ন বহাল, অবৈধই থাকল বিএনপি প্রার্থীর

4
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

5
ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

ভেপার ধরিয়ে দিতে হটলাইন, ধরা পড়লে বেত্রাঘাত: ই-সিগারেটের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুরের 'যুদ্ধঘোষণা'

6
ছবি: স্ক্রিনগ্র্যাব
বাংলাদেশ

‘এটা কি হাতের অঙ্ক যে আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা আর নেই?’

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net