যে কারণে বিশ্বকাপ ফাইনালে নিকো উইলিয়ামসের গোল বাতিল হলো
এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল, স্পেনের তারকা নিকো উইলিয়ামস আন্তর্জাতিক কোনো বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ফেলেছেন। অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের এই উইঙ্গার অতিরিক্ত সময়ে দানি ওলমোর পাস ধরে দারুণভাবে আক্রমণে উঠে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান। কিন্তু তার উল্লাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। রেফারির বাঁশি বাজতেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
ম্যাচের ৯৬তম মিনিটে দানি ওলমো ও মিকেল মেরিনোর চমৎকার আক্রমণ থেকে আসা বল পেয়ে জালে পাঠান উইলিয়ামস। আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করে গোল করার পর উদ্যাপনও শুরু করেছিলেন তিনি।
কিন্তু রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ গোলের আগে ফাউলের সিদ্ধান্ত দেন। তার মতে, বল উইলিয়ামসের কাছে পৌঁছানোর ঠিক আগে স্পেনের মিকেল মেরিনোর ফাউলে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি মাটিতে পড়ে যান।
সিদ্ধান্তটি অনেকের কাছেই বিতর্কিত মনে হলেও ভিএআর থেকে রেফারিকে তা পুনরায় দেখে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়নি। স্পেনের বেঞ্চ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হলেও ফাউলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে এবং গোলটি বাতিল করা হয়।
সিবিএস স্পোর্টসের নিকো কান্তর জানান, রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ যদি বল জালে যাওয়ার পর বাঁশি বাজাতেন, তাহলে ভিএআরের মাধ্যমে সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনা করা যেত। কিন্তু তিনি গোল হওয়ার আগেই খেলা থামিয়ে ফাউলের সিদ্ধান্ত দেন। ফলে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী ঘটনাটি ভিএআরে পর্যালোচনার সুযোগ ছিল না।
তবে বিতর্কিত সেই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত স্পেনকে শিরোপা জেতা থেকে বিরত রাখতে পারেনি। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয় স্পেন।
