তেল-গ্যাসবাহী ৬ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, আসছে আরও চারটি
জ্বালানি তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে ছয়টি জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। এছাড়া তিন লাখ ৭৫ হাজার টন এলএনজি, এলপিজি ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে আরও চারটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে।
বুধবার সাংবাদিকদের এসব তথ্য জনিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ। তিনি জানান, বহির্নোঙরে মাদার ভেসেলের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দেশের জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আসে। আর এর একটি বড় অংশ আসে কাতার, ওমান, সৌদি আরব এবং কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা চালায়। পরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা করে ইরান। হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে ইরান, ইরাক, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব—এই সাত দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য আনা-নেওয়া হয়।
বন্দর সংশ্লিষ্টদের মতে-হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে এই পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে। সে কারণে জাহাজগুলো বাংলাদেশে পৌঁছানো দেশের জ্বালানি ও আমদানি সরবরাহের জন্য স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
