করাচি ও লাহোর থেকে 'নন-ইমার্জেন্সি' কর্মীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
পাকিস্তানের করাচি ও লাহোর কনস্যুলেটে কর্মরত 'নন-ইমার্জেন্সি' কর্মী (জরুরী নয় এমন) এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অবিলম্বে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ইরানি নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পাকিস্তানে তীব্র মার্কিনবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত রবিবার করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে এক ভয়াবহ বিক্ষোভ চলাকালে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ৬০ জন আহত হন। বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ কনস্যুলেট ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বড় ধরনের সংঘর্ষ বাধে। দেশটির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে চলা সহিংসতায় এ পর্যন্ত মোট ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
নিরাপত্তা পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ায় মার্কিন নাগরিকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ঝুঁকি এড়াতে কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কার্যক্রম বা সেখানে দায়িত্বরত কর্মীদের অবস্থার কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিগত কয়েক দিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্থাপনাগুলোতে হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে ওয়াশিংটন। তারই অংশ হিসেবে পাকিস্তানে নিয়োজিত কূটনীতিক ও কর্মীদের নিরাপত্তা জোরদারে এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
