Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
March 27, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, MARCH 27, 2026
ভারতের ধনাঢ্য মশলা-রত্ন বণিকদের তৈরি ১৫,০০০ বিলাসবহুল অট্টালিকা যেভাবে পরিত্যক্ত ও ক্ষয়ের পথে

ফিচার

টিবিএস ডেস্ক
27 April, 2023, 12:35 pm
Last modified: 02 May, 2023, 08:53 pm

Related News

  • বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় ভারত: দ্রৌপদী মুর্মু
  • ইরান যুদ্ধ: রাশিয়া-চীন লাভে, পশ্চিমা বিশ্ব চাপে
  • নয়াদিল্লিতে জয়শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর বৈঠক
  • বিরোধীদের আপত্তির মুখেই মহারাষ্ট্রে ধর্মান্তর বিরোধী আইন পাস, গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও হয়রানির আশঙ্কা
  • আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ মার্কিন কমিশনের

ভারতের ধনাঢ্য মশলা-রত্ন বণিকদের তৈরি ১৫,০০০ বিলাসবহুল অট্টালিকা যেভাবে পরিত্যক্ত ও ক্ষয়ের পথে

প্রায় এক শতাব্দী ধরে বিত্তশালী ব্যাংকার ও বণিকরা ছেত্তিনাদে এই প্রাসাদসম বাড়িগুলো বানানোর পেছনে অঢেল টাকা খরচ করেছেন। ভবনের বহির্সজ্জা ও অন্দরসজ্জা- সবকিছুতেই ছিল আভিজাত্য ও বিলাসিতার ছোঁয়া। ১৮৫০ সালের দিকে তারা অট্টালিকাগুলো নির্মাণ করতে শুরু করে।
টিবিএস ডেস্ক
27 April, 2023, 12:35 pm
Last modified: 02 May, 2023, 08:53 pm
২০১০ সালে ছেত্তিনাদের একটি অট্টালিকার ঝাপসা সিল্যুয়েটে তোলা এক সাইক্লিস্টের ছবি। ছবি: লিসা টাইলার/লাইটরকেট/গেটি ইমেজেস

দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের শিভাগঙ্গা জেলার একটি অঞ্চল ছেত্তিনাদ। ৬০০ বর্গমাইলের এ অঞ্চলে রয়েছে প্রায় ১৫,০০০ রাজকীয় অট্টালিকা, যেগুলোর বেশিরভাগই এখন ক্ষয় হওয়ার পথে। ইনসাইডার-এর একটি প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে এই অট্টালিকাগুলোর পেছনের গল্প এবং এগুলোর বর্তমান অবস্থা। 

প্রায় এক শতাব্দী ধরে বিত্তশালী ব্যাংকার ও বণিকরা ছেত্তিনাদে এই প্রাসাদসম বাড়িগুলো বানানোর পেছনে অঢেল টাকা খরচ করেছেন। ভবনের বহির্সজ্জা ও অন্দরসজ্জা- সবকিছুতেই ছিল আভিজাত্য ও বিলাসিতার ছোঁয়া। বর্তমানের হিসেবে এসব চোখ ধাঁধানো-প্রাসাদসম বাড়ির নির্মাণ খরচ শত শত কোটি টাকা। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর লোকজন স্থানান্তরিত হওয়ায় এবং সরকার নতুন নতুন আইনের আরোপের ফলে এ অঞ্চলের সম্পদের জৌলুস কমতে থাকে।

২০০৫ সালে তোলা ছবি- তামিলনাড়ুর ছেত্তিনাদে একটি জরাজীর্ণ অট্টালিকার সামনে দিয়ে যাচ্ছে এক সাইকেল আরোহী। ছবি: লিসা টাইলার/লাইটরকেট/গেটি ইমেজেস

যদিও এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে অট্টালিকাগুলো। এই সুরম্য অট্টালিকাগুলোর গড় বিস্তৃতি ৫০,০০০ বর্গফুট পর্যন্ত হতে পারে এবং প্রায় ৫০টিরও বেশি কক্ষ রয়েছে। কোনো কোনো অট্টালিকায় রয়েছে প্রশস্ত প্রাঙ্গণ। অট্টালিকাগুলো এত বিশাল যে শেষ পর্যন্ত অনেক মালিকেরই এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের সামর্থ্য ছিল না।

ছেত্তিনাদের একটি অট্টালিকার একটি চাবি। ছবি: এরিক লাফোর্গে/গামা-রাফো/ গেটি ইমেজেস

চেন্নাই থেকে ২৫০ মাইল দক্ষিণে, তামিলনাড়ুর এক শুষ্ক অঞ্চল ছেত্তিনাদ। ছেত্তিনাদে যাওয়ার পথে সাধারণ ভারতীয় গ্রামের সকল বৈশিষ্ট্যই চোখে পড়বে- ফসলের মাঠ, ছোট ছোট গ্রাম আর ছোট ছোট কংক্রিটের দালান।

আকাশে মেঘ, তাই মাঠে গরু চড়ানো শেষে বাড়ি ফেরার তাড়া ছেত্তিনাদের এক কৃষকের। ছবি: এরিক লাফোর্গে/গামা-রাফো/ গেটি ইমেজেস

কিন্তু ছেত্তিনাদে পৌঁছানোর পর অস্বাভাবিক কিছু জিনিসের দেখা মিলবে- এর ৭৩টি গ্রাম ও দুটি শহরের রাস্তার পাশে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ১৫,০০০ রাজকীয় দালান; সবগুলোই ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় রয়েছে। তবে অট্টালিকাগুলোর পূর্বের জৌলুসের সাথে পাল্লা দিয়ে নেই বিলাসিতা।

কিছু কিছু অট্টালিকায় এখনও এর বাসিন্দারা বসবাস করছেন, কিন্তু অনেকগুলো দালানই ক্ষয়ে ক্ষয়ে পড়ছে।

ছেত্তিনাদের এই সুরম্য অট্টালিকাগুলো নির্মাণ করেছিল নাট্টুকোট্টাই ছেত্তিয়ার বংশ, যারা কয়েশো বছর আগে সুনামিতে বাস্তুহারা হয়ে তামিলনাড়ুর এ অঞ্চলে এসে বসতি গড়েছিল।

ছেত্তিনাদের একটি বাসে চড়ে যাচ্ছেন যাত্রীরা। ছবি: লিসা টাইলার/লাইটরকেট/গেটি ইমেজেস

১৬০০ সালের দিকে তারা রত্নপাথর ও লবণের ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু ছেত্তিয়ার পরিবার বিত্তশালী হয়ে ওঠে মূলত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য শুরু করার পর।

২০০৬ সালে করাইকুরিতে ছেত্তিনাদের একটি অট্টালিকার ভেঙে ফেলা অংশ বিক্রির জন্য রাখা। ছবি: লিসা টাইলার/লাইটরকেট/গেটি ইমেজেস

এ পরিবারের সদস্যরা শুরুতে ছিল ব্যাংকার- কেউ কেউ রাজাদের ও ব্রিটিশ রাজকে টাকা ধার দিত। এরপরে তারা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়; মালয়েশিয়া, বার্মা ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোতে মশলা, চাল, রত্নপাথরের ব্যবসা ছিল তাদের। 

২০০৬ সালে ছেত্তিনাদের করাইকুরি মিউনিসিপ্যালিটির আথাংগুরিতে অবস্থিত একটি অট্টালিকার অন্দরসজ্জা। ছবি: ভি মথুরামান/ইন্ডিয়া পিকচারস/ ইউনিভার্সাল ইমেজেস গ্রুপ/ গেটি ইমেজেস

ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল টাকা আয় করেছিল ছেত্তিয়ার পরিবার এবং সেই টাকা দিয়ে তারা রাজকীয় অট্টালিকা তৈরি করে। ১৮৫০ সালের দিকে তারা ভবনগুলো নির্মাণ করতে শুরু করে।

২০২১ সালে ছেত্তিনাদের একটি অট্টালিকার ভেতরে হেটে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। ছবি: অরুণ শংকর/এএফপি/গেটি ইমেজেস

শুধু অট্টালিকা তৈরিতেই নয়, অন্দরসজ্জা ও ফিটিংস এর ক্ষেত্রেও কোনো কমতি রাখেননি তারা। বার্মা থেকে সেগুন কাঠ এবং বার্মিংহাম থেকে গ্লেজড সিরামিক টাইলস এনে ব্যবহার করেছিল তারা।

এছাড়াও, তারা সুইজারল্যান্ড থেকে গ্র্যান্ডফাদার ক্লক (ঘড়ি), বেলজিয়াম থেকে মেহগনি কাঠের ফ্রেমের আয়না এবং ভেনিস থেকে সর্বোচ্চ ১০ ফুট প্রশস্ত ঝাড়বাতিও এনেছিল বাড়ির জন্য।

২০০৬ সালে, ছেত্তিনাদের একটি অট্টালিকার ভেতরে হাতির পায়ের টুল ও হাতির দাঁত। ছবি: লিসা টাইলার/লাইটরকেট/গেটি ইমেজেস

স্থপতি বার্নার্ড ড্রাগন, যিনি ছেত্তিনাদের কিছু অট্টালিকা পুনরুদ্ধার করেছেন, তিনি এএফপিকে জানান- "একসময় ছেত্তিয়ারদের মধ্যেই প্রতিযোগিতা চলতো যে কে সবচেয়ে সুন্দর অট্টালিকা তৈরি করতে পারে- এক ভাই কিভাবে আরেক ভাইয়ের চেয়ে সুন্দর অট্টালিকা বানাবে সেই প্রতিযোগিতা চলতো।"

২০২১ সালে তামিলনাড়ুর কানাডুকাঠানে তোলা অট্টালিকাগুলোর এরিয়াল ভিউ। ছবি: অরুণ শংকর/এএফপি/গেটি ইমেজেস

বাড়ির বাইরের দিকটা জমকালো হলেও, অন্দরের জন্য নিজস্ব ঐতিহ্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বাড়িগুলোতে। প্রধান ফটক দিয়ে ঢোকার পরেই অট্টালিকায় একটা আলাদা উচু প্ল্যাটফর্মের মতো জায়গা থাকত, যেখানে ব্যবসায়িক আলাপ-আলোচনা চলতো। এটি শুধুমাত্র পুরুষদের জন্য একটি আলাদা অংশ ছিল বাড়িতে। নারীরা প্রধান ফটকের কাছে আসতে পারতো না।

২০০৬ সালে কানাডুকাঠানের একটি ছেত্তিয়ারদের অট্টালিকার ভেতরের প্রাঙ্গণ। ছবি: লিসা টাইলার/লাইটরকেট/গেটি ইমেজেস

বাড়ির ভেতরের দিকের প্রাঙ্গণে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন উৎসব-পার্বণ উদযাপন করতো। পশ্চিমা অট্টালিকাগুলোর বিপরীত স্টাইলে, সেখানে আরামের জন্য খুব কমই আসবাবপত্র রাখা হতো।

কিন্তু বাড়িতে এত এত কক্ষ থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ছিল খুবই সামান্য। পরিবারের সদস্যরা রাতে বিছানা-বালিশ পেতে একসঙ্গে ঘুমাতো।

২০২২ সালে ছেত্তিয়ারদের একটি অট্টালিকার সামনে দাঁড়ানো এক ভারতীয় নারী। ছবি: এরিক লাফোর্গে/ আর্ট ইন অল অব আস/ করবিস/ গেটি ইমেজেস

ছেত্তিয়ার পরিবারের টাইকুনরা কাজের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করে এবং আন্তর্জাতিক ট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা পায়। যেমন, ১৯৩০ সালের দিকে আর্ট ডেকো খুবই জনপ্রিয় ছিল; ফলে ছেত্তিয়াররা সেই স্টাইল অনুকরণ করে ছেত্তিনাদে।

পারিবারিক ছবিতে ছেত্তিয়ার পরিবারের দুই সদস্য। ছবি: লিসা টাইলার/লাইটরকেট/গেটি ইমেজেস

কিন্তু তাদের এই প্রভাব-প্রতিপত্তি টেকেনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে কেন্দ্র করে সবকিছু বদলে যায়, এ অঞ্চল জাপানিদের দখলে চলে যায় এবং ছেত্তিয়ারদের অনেকেই তাদের প্রাসাদ ও ধনসম্পদ ছেড়ে এই অঞ্চল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

তামিলনাড়ুর একটি জরাজীর্ণ অট্টালিকার সামনে কুকুর। ছবি: অরুণ শংকর/এএফপি/গেটি ইমেজেস

যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরেও অবস্থা পরিবর্তন হয়নি। ভারতজুড়ে স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয় এবং সরকার বৈদেশিক বাণিজ্যের উপর নানা নিয়মনীতি আরোপ করে তা সীমাবদ্ধ করে।

ছেত্তিয়ার পরিবারের এক জুটির গলায় ঐতিহ্যবাহী মালা পরা; ছবিটি কবে তোলা হয়েছিল তা জানা যায়নি। ছবি: লিসা টাইলার/লাইটরকেট/গেটি ইমেজেস

ফলে কিছুদিনের মধ্যেই প্রাসাদগুলো পরিত্যক্ত হয় এবং জরাজীর্ণ হয়ে ওঠে। কিছু কিছু অট্টালিকা দুষ্কৃতিকারীরা ভেঙে ফেলে এবং দামি দামি জিনিসপত্রগুলো হাতিয়ে নেয়। অন্যান্য প্রাসাদগুলো এখনো তাদের আসল মালিকের বংশধরদের হাতেই থেকে যায়।

ছেত্তিনাদের একটি অট্টালিকার ভেতরে কাঠের পিলার। ছবি: পারভিন সিং/ ইন্ডিয়া পিকচারস

কিন্তু দিন যত পেরোতে থাকে, মালিকেরা সুবিশাল বাড়িগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করতে হিমশিম খায়, আর নাহয় বাড়িগুলোর পরিণতি কি হবে তা নিয়ে পারিবারিক বিবাদে জড়িয়ে পড়ে।

ছেত্তিনাদের একটি অট্টালিকার ভেতরে আর্মচেয়ার, সোফা ও একাধিক ডাইনিং টেবিল। ছবি: পারভিন সিং/ ইন্ডিয়া পিকচারস/ইউনিভার্সাল ইমেজেস গ্রুপ/গেটি ইমেজেস

এই মুহুর্তে ছেত্তিনাদের এই প্রাসাদগুলোকে ইংল্যান্ডের প্রাসাদগুলোর সমকক্ষ হিসেবে দেখা হচ্ছে: যা খুব বেশি উপযোগী নয়, কিন্তু অতীতের গুরুত্বপূর্ণ এক প্রতীক। নিউইয়র্ক টাইমস এই অট্টালিকাগুলোকে 'অসামান্য বিত্তের প্রতীক, চোখ কপালে তোলার মতো ব্যয় ও আবেগের সাথে যুক্ত' বলে অভিহিত করেছে।

২০২২ সালে তামিলনাড়ুর জরাজীর্ণ এক অট্টালিকা। ছবি: এরিক লাফোর্গে/ আর্ট ইন অল অব আস/ করবিস/ গেটি ইমেজেস

বেশিরভাগ মালিকেরাই বাড়িগুলোতে সারাবছর থাকেন না। তারা চেন্নাইয়ে থাকেন এবং বিয়ে বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মতো জমায়েতের সময়গুলোতে তারা এখানে আসেন।

২০২১ সালে তোলা ছেত্তিনাদের একটি অট্টালিকার গেটের ছবি। ছবি: অরুণ শংকর/এএফপি/গেটি ইমেজেস

আবার সবারই যে বাড়ি রেখে দেওয়ার যাওয়ার সামর্থ্য আছে তা নয়। একটি অট্টালিকার মালিক রামা কুমারাপ্পান তার স্ত্রী ও দুই সন্তান এবং এক আন্টিকে নিয়ে ৬৩ বেডরুমের বিশাল অট্টালিকায় থাকতেন- সেখানের দেয়ালে এখন কালো ছাতা পড়ে গেছে।

২০০০ সালে ছেত্তিনাদের একটি অট্টালিকার ভেতরে থাকা অলংকৃত প্রতিকৃতি ও আসবাবপত্র। ছবি: পারভিন সিং/ ইন্ডিয়া পিকচারস/ইউনিভার্সাল ইমেজেস গ্রুপ/গেটি ইমেজেস

"যখন বাইরের কাউকে আপনি বলেন যে আপনি ছেত্তিয়ার, সবাই ভাবে এই লোক কতই না ধনী। বাড়িটা রাখতে পারলে আমি খুবই খুশি হতাম, কিন্তু এখন তা অসম্ভব", বলেন রামা কুমারাপ্পান।

ক্রমবর্ধমান খরচের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে কেউ কেউ তাদের অট্টালিকাগুলো ফিল্ম স্টুডিওকে ভাড়া দিয়েছেন, যেখানে প্রায়ই বিয়ের আয়োজনের শ্যুটিং করা হয়।

২০০৬ সালে নিজের অট্টালিকার সামনে আন্নামালাই চন্দ্রমৌলি। এটি পরে হোটেলে রূপান্তর করা হয়। ছবি: লিসা টাইলার/লাইটরকেট/গেটি ইমেজেস

আরও কিছু বাড়িকে বিলাসবহুল হোটেলে পরিণত করা হয়েছে। 'বাংগালা' নামক এমনই একটি হোটেলের মালিক মীনাক্ষী মায়াপ্পান। ২০১৭ সালে তিনি নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছিলেন, তিনি সবসময়ই তার বাড়ির কি পরিণতি হবে সেটা ভাবতেন।

২০২১ সালে ছেত্তিনাদের একটি অট্টালিকা ঘুরে দেখছেন দর্শণার্থীরা। ছবি: অরুণ শংকর/এএফপি/গেটি ইমেজেস

তাছাড়া, বাড়ির মালিকদের হাতেও খুব বেশি বিকল্প নেই। দূরবর্তী অঞ্চলে একটি পুরনো প্রাসাদ কেনার মতো চাহিদা কম, তার উপর আবার এগুলো রক্ষণাবেক্ষণে প্রচুর খরচ। তাই বাড়িগুলো বিক্রিও করতে পারছেন না অনেকে।

২০২১ সালে কানাডুকাঠানে নতুন করে সংস্কার করা সিভিআরএম হেরিটেজ হাউজ। ছবি: অরুণ শংকর/এএফপি/গেটি ইমেজেস

আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, অনেক মালিকই বাড়িগুলো বিক্রিই করতে চান না। সারা ভারতজুড়ে ছেত্তিনাদের অট্টালিকাগুলো বিখ্যাত ও সুপরিচিত। এরকম একটি অট্টালিকা নিজের মালিকানায় রাখা সম্মান ও প্রাচুর্য্যের প্রতীক। কোনো কোনো মালিকের কাছে এটাই বাড়ির সবচেয়ে বড় মূল্য, যদিও পুরনো সেই গৌরব এখন ফিকে হয়ে এসেছে।

(ইনসাইডার এর প্রতিবেদন থেকে অনূদিত) 

Related Topics

টপ নিউজ

অট্টালিকা / ভারত / তামিলনাড়ু / ছেত্তিনাদ / বণিক / পরিত্যক্ত / ক্ষয়ক্ষতি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬; এদিন ওয়াশিংটন ডিসি-তে রিপাবলিকান দলের জাতীয় কংগ্রেসের তহবিল সংগ্রহের নৈশভোজ আয়োজনে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    হতবাক ট্রাম্প, তার শুরু করা যুদ্ধ ইরান শেষ করতে দিচ্ছে না!
  • দ্য স্টেটসম্যানে প্রকাশিত কার্টুনটি এঁকেছেন অমল চক্রবর্তী।
    একাত্তর: কার্টুন যখন হাতিয়ার
  • আইডিএফ প্রধান আইয়াল জামির। ছবি: ফ্ল্যাশ ৯০
    চরম সেনাসংকট, যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী: সতর্ক করলেন আইডিএফ-প্রধান
  • ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল খাইবার, ২০২৩ সালের ২৩ মে। ছবি: সংগৃহীত
    পারমাণবিক বোমার দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন ইরানের কট্টরপন্থিরা
  • ছবি: সংগৃহীত
    ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আরও ১০ দিন স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের; বললেন আলোচনা ‘ভালো এগোচ্ছে’
  • ওমানে সুলতান কাবুস বন্দরের অদূরে ট্যাংকার ‘র‍্যারিটি’ নোঙর করে আছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স
    হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সবুজ সংকেতে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানিতে কমবে খরচ ও ঝুঁকি

Related News

  • বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় ভারত: দ্রৌপদী মুর্মু
  • ইরান যুদ্ধ: রাশিয়া-চীন লাভে, পশ্চিমা বিশ্ব চাপে
  • নয়াদিল্লিতে জয়শঙ্করের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর বৈঠক
  • বিরোধীদের আপত্তির মুখেই মহারাষ্ট্রে ধর্মান্তর বিরোধী আইন পাস, গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও হয়রানির আশঙ্কা
  • আরএসএস ও ‘র’-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ মার্কিন কমিশনের

Most Read

1
২৫ মার্চ, ২০২৬; এদিন ওয়াশিংটন ডিসি-তে রিপাবলিকান দলের জাতীয় কংগ্রেসের তহবিল সংগ্রহের নৈশভোজ আয়োজনে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

হতবাক ট্রাম্প, তার শুরু করা যুদ্ধ ইরান শেষ করতে দিচ্ছে না!

2
দ্য স্টেটসম্যানে প্রকাশিত কার্টুনটি এঁকেছেন অমল চক্রবর্তী।
ফিচার

একাত্তর: কার্টুন যখন হাতিয়ার

3
আইডিএফ প্রধান আইয়াল জামির। ছবি: ফ্ল্যাশ ৯০
আন্তর্জাতিক

চরম সেনাসংকট, যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী: সতর্ক করলেন আইডিএফ-প্রধান

4
ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল খাইবার, ২০২৩ সালের ২৩ মে। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

পারমাণবিক বোমার দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন ইরানের কট্টরপন্থিরা

5
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা আরও ১০ দিন স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের; বললেন আলোচনা ‘ভালো এগোচ্ছে’

6
ওমানে সুলতান কাবুস বন্দরের অদূরে ট্যাংকার ‘র‍্যারিটি’ নোঙর করে আছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স
অর্থনীতি

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সবুজ সংকেতে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানিতে কমবে খরচ ও ঝুঁকি

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net