গাইবান্ধায় ৮৭ নির্মাণ শ্রমিক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ৮৭ জন নির্মাণ শ্রমিককে প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: আবু রায়হান দোলন জানান, এই নির্মাণ শ্রমিকরা গত বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দুইটি নৌকায় ফুলছড়িতে আসার পরপরই তাদের ৭৫ জনকে নেয়া হয় টেংড়াকান্দি মাদ্রাসায় আর ১২জনকে নেয়া হয়েছে স্থানীয় চর কাতলামারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
ফূলছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো: রফিকুজ্জামান জানান, মাদ্রাসা ও স্কুলে কোয়ারেন্টিনে থাকা শ্রমিকদের কারো শরীরে এখনো করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা যায়নি।
তিনি বলেন, "প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকা সবাইকে আমারা কঠোর নজরদারিতে রেখেছি যাতে সন্দেহজনক কিছু নজরে এলেই ব্যবস্থা নেওয়া যায়। আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনে নমুনা পরীক্ষা করা হবে।"
প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বলছেন, কয়েকদিন আগে নারায়ণগঞ্জ এবং মুঞ্জিগঞ্জ থেকে বেশ কিছু নির্মাণ শ্রমিক যমুনা নদী দিয়ে গাইবান্ধা আসছেন এমন খবর পাওয়ায় পরপরই সিরাজগঞ্জ, বগুড়া এবং গাইবান্ধার নদী তীরবর্তী উপজেলাগুলোর প্রশাসিনক কর্মকর্তারা সর্তক নজর রাখেন। এক পর্যায়ে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত হবার পর বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ৪টি দোকানীকে তাদের বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়।
দোকানীদের কেন কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাহী অফিসার মো: রাসেল মিয়া জানান, শ্রমিকদের অনেকেই ওইসব দোকানীর কাছ থেকে সিগারেটসহ বিভিন্ন সামগ্রী কিনেছেন।
