আমাদের যা যা প্রয়োজন, ইরান তার প্রায় 'সবকিছুতেই' রাজি হয়েছে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাদের যা যা প্রয়োজন, ইরান তার প্রায় 'সবকিছুতেই' রাজি হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ দাবি করেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ইরান যুদ্ধও কি তার এড়িয়ে চলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া তথাকথিত 'চিরস্থায়ী যুদ্ধগুলোর' একটিতে পরিণত হতে পারে?
এর আগে গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এমন প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প প্রশংসা করেছিলেন। যদিও ২০১৫ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মধ্যস্থতায় হওয়া পারমাণবিক চুক্তিতেও ইরান একই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ট্রাম্প সেই চুক্তির তীব্র সমালোচনা করে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে সেখান থেকে প্রত্যাহার করে নেন।
ট্রাম্প এর আগেও দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রকেউচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি দিতে ইরান সম্মত হয়েছে। তবে তেহরান এ দাবি অস্বীকার করেছে। বরং এটি দুই পক্ষের আলোচনার অন্যতম প্রধান অমীমাংসিত বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ইস্যুতে আলোচনায় তেমন অগ্রগতি হয়নি।
সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, অন্য অনেক সংঘাতের তুলনায় ইরান যুদ্ধ অনেক কম সময় স্থায়ী হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আফগানিস্তান যুদ্ধ 'প্রায় ১০ বছর' চলেছিল। যদিও বাস্তবে যুদ্ধটি প্রায় ২০ বছর স্থায়ী হয় এবং এর একটি অংশ ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদকালেও ছিল।
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি 'সামরিকভাবে ইরানকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়েছেন', যদিও তেহরানের কাছে এখনও 'কিছু ক্ষেপণাস্ত্র' রয়েছে।
তার ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে সেগুলোও ধ্বংস করতে পারে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার জবাবে গত সপ্তাহেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, 'আমরা আলোচনা করছি, দেখা যাক কী হয়।'
