ইসরায়েলের প্ররোচনায় ইরান যুদ্ধে জড়াইনি: ট্রাম্প
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে ইসরায়েল তাকে প্রভাবিত বা প্ররোচিত করেছে—এমন দাবি জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রভাব নিয়ে খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, 'ইসরায়েল আমাকে ইরানের সাথে যুদ্ধের জন্য কখনো প্ররোচিত করেনি। বরং ৭ই অক্টোবরের ফলাফল এবং 'ইরানের কাছে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবে না'—আমার এই দীর্ঘদিনের সুদৃঢ় অভিমতই আমাকে বর্তমান অবস্থানে নিয়ে এসেছে।'
ট্রাম্প আরও লেখেন, 'আমি তথাকথিত "ফেক নিউজ" বিশেষজ্ঞ এবং জরিপগুলোর খবর শুনে ও পড়ে পুরোপুরি স্তম্ভিত হই। তারা যা বলে তার ৯০ শতাংশই মিথ্যা ও সাজানো গল্প, আর জরিপগুলোতে কারচুপি করা হয়েছে—ঠিক যেমন ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি হয়েছিল। ভেনেজুয়েলার ফলাফলের মতো, যা নিয়ে গণমাধ্যম কথা বলতে পছন্দ করে না, ইরানের ফলাফলও হবে অভাবনীয়। আর যদি ইরানের নতুন নেতারা (ক্ষমতার পরিবর্তন!) বুদ্ধিমান হন, তবে ইরানের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ হতে পারে!'
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ডানপন্থী রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং কিছু গণমাধ্যম দাবি করেছিল যে, নেতানিয়াহুর পরামর্শে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক অবস্থানে গিয়েছেন।
ট্রাম্পের মতে, তার এই কঠোর অবস্থান কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্ররোচনায় নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা এবং ইরানকে পারমাণবিক শক্তি হওয়া থেকে রুখে দেওয়ার মার্কিন কৌশলেরই অংশ।
