ইরানি মিসাইল হামলা কমেছে ৯০%, ইরানের ৫৮% মিসাইল লঞ্চারই ধ্বংস: দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
যুদ্ধের প্রথম দিনের তুলনায় ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা প্রায় ৯০ শতাংশ কমেছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম-এর কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার।
তিনি বলেন, ইরানের ড্রোন হামলার ঘটনাও কমেছে অন্তত ৮৩ শতাংশ। গত সপ্তাহান্তেই কুয়েতে ইরানি ড্রোন হামলায় আমেরিকার ছয় সেনার মৃত্যু হয়েছিল।
কুপার বলেন, বৃহস্পতিবারও আমেরিকার বি-২ বোমারু বিমান থেকে কয়েক ডজন ২ হাজার পাউন্ডের পেনিট্রেটর বোমা ফেলা হয়েছে। মাটির গভীরে লুকিয়ে রাখা ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল লঞ্চারগুলোই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, 'আমরা ইরানের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের সমতুল্য অবকাঠামোতেও আঘাত হেনেছি। এর ফলে আমেরিকানদের ওপর হামলার ক্ষমতা অনেকটাই হারিয়েছে তেহরান।'
ইরানের ৫৮ শতাংশ মিসাইল লঞ্চার ধ্বংস: ট্রাম্প
বৃহস্পতিবার এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের প্রায় ৫৮ শতাংশ মিসাইল লঞ্চার ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরান এতটাই বিধ্বস্ত যে 'ফের সামরিক শক্তি সঞ্চয় করতে তাদের অন্তত ১০ বছর সময় লাগবে'।
ইরানের ওপর কতদিন এই হামলা চলবে, সেই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, 'অনেকে বলছেন যুদ্ধ নাকি শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু আমি মনে করি না যে যুদ্ধ শেষ হয়েছে। আমি যখন চাইব, তখনই এটা শেষ হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমাদের অনুমোদন ছাড়া কাউকেই সর্বোচ্চ নেতা হতে দেওয়া হবে না। আমরা চাই না আগামী দশ বছর পর আমেরিকার অন্য কোননো প্রেসিডেন্ট এই একই সমস্যায় পড়ে দিশেহারা বোধ করুন।'
ইরানের ৩০টিরও বেশি রণতরি ধ্বংস: সেন্টকম
যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইরানের ৩০টিরও বেশি রণতরি ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সেন্টকম।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, 'আপনারা হয়তো শুনেছেন, প্রেসিডেন্ট কিছুক্ষণ আগে ২৪টি রণতরি ডুবিয়ে দেওয়া বা ধ্বংস করার কথা বলেছিলেন। সেই সময় পর্যন্ত তথ্যটি সঠিক ছিল। কিন্তু বর্তমানে ইরানের ধ্বংস হওয়া রণতরির সংখ্যা ৩০ ছাড়িয়ে গেছে।'
