ন্যাটোর ‘যৌথ প্রতিরক্ষা ধারা’ কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নেই: হেগসেথ
তুরস্কের আকাশসীমায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ঘটনাটি ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ বা সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ধারাকে সক্রিয় করবে না বলে মনে করছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হেগসেথ বলেন, 'তুরস্কের ভূখণ্ডে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার খবর সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র অবগত।'
তবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর 'আর্টিকেল ফাইভ' কার্যকর হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না।
উল্লেখ্য, ন্যাটোর এই বিশেষ ধারা অনুযায়ী, জোটের কোনো একটি সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং সব সদস্য দেশ মিলে তার সম্মিলিত জবাব দেয়। হেগসেথের এই মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে, এই ক্ষেপণাস্ত্র বিনিময়কে তুরস্কের ওপর সরাসরি পরিকল্পিত আক্রমণ হিসেবে দেখছে না ওয়াশিংটন।
সংবাদ সম্মেলনে হেগসেথ জানান, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান কেবল শুরু হয়েছে এবং সামনে আরও বড় ধরনের হামলার ঢেউ আসছে।
তিনি বলেন, 'এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ভাণ্ডারে থাকা 'অফুরন্ত' নিখুঁত লক্ষ্যভেদী গ্র্যাভিটি বোমা ব্যবহার করবে।'
তিনি দাবি করেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে অর্থাৎ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানি আকাশসীমার ওপর 'পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ' প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী।
পেন্টাগন প্রধান আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জন্য আরও অতিরিক্ত মার্কিন সেনাশক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছাচ্ছে। এই যুদ্ধে জয় নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সময় নেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এটি মাত্র শুরু। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমনটি বলেছেন, আমাদের সফল হওয়ার জন্য যতটুকু সময় প্রয়োজন আমরা ঠিক ততটুকুই নেব।'
