Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Monday
April 13, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
MONDAY, APRIL 13, 2026
ইরানের ‘ডার্ক ফ্লিট’: অদৃশ্য নৌবহর কীভাবে টিকিয়ে রাখছে বৈশ্বিক তেলের বাজার

আন্তর্জাতিক

সিরিল উইডারশোভেন, অয়েলপ্রাইস ডটকম
12 April, 2026, 07:40 pm
Last modified: 12 April, 2026, 07:45 pm

Related News

  • ‘আমি একদিনেই ইরানকে শেষ করে দিতে পারি’: ট্রাম্প
  • ইরান যুদ্ধে প্রাথমিক খরচ ১১.৫ বিলিয়ন ডলার: ইসরায়েলের অর্থ মন্ত্রণালয়
  • হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণা ট্রাম্পের; ইরানকে টোল দেওয়া জাহাজ আটকের নির্দেশ
  • আলোচনার দুয়ার খুলেছে পাকিস্তান, সরাসরি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় ইসলামাবাদ
  • হরমুজ প্রণালি খুললেও কেন সংকট কাটবে না: তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা অব্যাহত

ইরানের ‘ডার্ক ফ্লিট’: অদৃশ্য নৌবহর কীভাবে টিকিয়ে রাখছে বৈশ্বিক তেলের বাজার

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পণ্যের প্রচলিত প্রবাহ কার্যত বন্ধ হলেও—বাস্তবতা হলো এটি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। প্রবাহের ধরন বদলে গেছে। আগে এটি ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত বৈশ্বিক তেলবাণিজ্যের ধমনী; এখন যা নিয়ন্ত্রিত করিডোরে পরিণত হয়েছে।
সিরিল উইডারশোভেন, অয়েলপ্রাইস ডটকম
12 April, 2026, 07:40 pm
Last modified: 12 April, 2026, 07:45 pm
ছবি: রয়টার্স

দেখতে যেন এক চিরন্তন গল্প—অথবা অস্ট্রেলীয় বুমেরাংয়ের মতো বারবার ফিরে আসা ভুল—কিন্তু বৈশ্বিক তেলের বাজার আবারও মারাত্মকভাবে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। শিরোনামে উঠে আসছে বিপর্যয়, স্থবিরতা এবং হরমুজ প্রণালির প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর। আন্তর্জাতিক ট্যাংকার ট্র্যাকিং ডেটা বলছে, জাহাজ চলাচল ধসে পড়েছে; উপসাগরীয় রপ্তানিকারকেরা উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছে। দৃশ্যমান সব সূচকই বলছে, পুরো ব্যবস্থাই তীব্র চাপের মুখে। তবুও তেলের প্রবাহ বন্ধ হয়নি। এবার তা খোলামেলা নয়, বাজারে সহজে পরিমাপযোগ্য নয়, এমনকি স্বচ্ছ পরিমাণেও নয়। তবুও প্রবাহ আছে—নিয়মিত, সচেতনভাবে—এবং এমন পরিমাণে যা বৈশ্বিক বাজারের ভারসাম্যকে নতুনভাবে গড়ে তুলছে। এর মূল রহস্য—ইরানের তথাকথিত "ডার্ক ফ্লিট" বা জ্বালানিবাহী জাহাজের গোপন বহর। দীর্ঘদিনের পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর উপায় হিসেবে ইরান এই বহরের কার্যক্রম শুরু করেছিল। কিন্তু, সেটিই এখন তেহরানের ভূরাজনৈতিক শক্তির কৌশলগত হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

এটিকে আর প্রান্তিক ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি এখন এমন এক কেন্দ্রীয় স্তম্ভে পরিণত হয়েছে, যার ওপর সংকটকালে বৈশ্বিক তেলব্যবস্থা দাঁড়িয়ে থাকে। রুঢ় সত্য হলো—এই ব্যবস্থাকে এখন শুধু সহ্যই করা হচ্ছে না, বরং পরোক্ষভাবে এর ওপর নির্ভরও করা হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পণ্যের প্রচলিত প্রবাহ কার্যত বন্ধ হলেও—বাস্তবতা হলো এটি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। প্রবাহের ধরন বদলে গেছে। আগে এটি ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত বৈশ্বিক তেলবাণিজ্যের ধমনী; এখন যা নিয়ন্ত্রিত করিডোরে পরিণত হয়েছে। হরমুজ দিয়ে সামগ্রিক বাণিজ্যিক চলাচল ৯০ শতাংশের বেশি কমেছে। তবে এই পতন সমান নয়। এটি মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজ, বড় উপসাগরীয় রপ্তানিকারক এবং নিয়মতান্ত্রিক বিমা ও কমপ্লায়েন্স কাঠামোর অধীন জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। একই সময়ে একটি সমান্তরাল ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে—যা এই তেল পরিবহনের দৃশ্যমান পতনের আড়ালে চলছে। ইরান-সংশ্লিষ্ট ট্যাংকার, নিষেধাজ্ঞাভুক্ত এবং অস্বচ্ছ মালিকানার জাহাজগুলো এখনো প্রণালি দিয়ে চলাচল করছে, অনেক সময় ইরানি নৌবাহিনীর নীরব বা প্রকাশ্য অনুমোদনে। ফলে তৈরি হয়েছে দ্বৈত সামুদ্রিক বাণিজ্য ব্যবস্থা—একটি দৃশ্যমান, নিয়ন্ত্রিত ও স্থবির; অন্যটি অস্বচ্ছ, নমনীয় এবং সক্রিয়।

বাজার বিশ্লেষক ও মতামতদাতাদের জন্য এই পার্থক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অন্যান্য উৎপাদকরা যেখানে ব্যয়বহুল বিকল্প পথে রপ্তানি সীমিত করছে, সেখানে ইরান তার জ্বালানি প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, ইরানের রপ্তানি প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৭ লাখ ব্যারেলের মধ্যে রয়েছে—যা যুদ্ধপূর্ব অবস্থার কাছাকাছি। শুধু মার্চ মাসেই প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ ব্যারেল তেল এভাবে হরমুজ দিয়ে গেছে। অর্থাৎ, প্রণালি বন্ধ নয়—বরং ইরানের নিয়ন্ত্রণে।

এই পরিস্থিতি আকস্মিক নয়। বছরের পর বছর নিষেধাজ্ঞার চাপে নিজেদের মানিয়ে নিতে গিয়ে তেহরান এটি তৈরি করেছে, অনেকটা ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী রাশিয়ার "শ্যাডো ফ্লিট" থেকে শিক্ষা নিয়ে। স্বীকার করা কঠিন হলেও, ইরান একটি জটিল, বিকেন্দ্রীভূত এবং সহজে ভাঙা যায় না—এমন একটি ব্যবস্থা দাঁড় করিয়েছে, যা পুরো মাত্রার সামুদ্রিক সংঘাত ছাড়া ভেঙে দেওয়া কঠিন। এই "ডার্ক ফ্লিট"-এর মূলভিত্তি হলো জাহাজের অস্বচ্ছ মালিকানা, এআইএস সিগন্যাল বিকৃতি বা বন্ধ রাখা এবং সমুদ্রেই জাহাজ-থেকে-জাহাজে পণ্য স্থানান্তর। এসব জাহাজ সাধারণত কম আইনি স্বচ্ছতা আছে এমন দেশগুলোতে নিবন্ধিত শেল কোম্পানির অধীনে পরিচালিত হয়।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেখা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এসব জাহাজ নিয়মিত "অদৃশ্য" হয়ে যায়। সংঘাতের শুরুতে অন্তত ৪০টি জাহাজ এআইএস সিগন্যাল বন্ধ করেছিল—যা পরে আরও বেড়েছে।
এই জাহাজগুলো একা কাজ করে না; বরং একটি নেটওয়ার্কের অংশ। ইরানের বন্দরগুলো, বিশেষ করে খার্গ দ্বীপ, এসব জাহাজের লোডিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। একই সঙ্গে পারস্য উপসাগরও ভাসমান স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জলসীমা এসব জাহাজের তেল স্থানান্তরের অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ক্রেতার কাছে পৌঁছানোর আগে তেল একাধিকবার জাহাজ বদল করে—বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এদের প্রধান গন্তব্য হচ্ছে চীন। এই প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত তেলের উৎস কার্যত অদৃশ্য হয়ে যায়। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন কার্যক্রম নয়, বরং একটি সুসংগঠিত ও টেকসই সরবরাহ শৃঙ্খল।

বর্তমান বাজার বিশ্লেষণের সবচেয়ে বড় ভুল হলো—হরমুজ দিয়ে জাহাজের দৃশ্যমান চলাচল কমে যাওয়া মানেই সরবরাহ কমে গেছে—এই ধারণা করা। বাস্তবে তা সঠিক নয়। গোয়েন্দা তথ্য বলছে, প্রতিদিন ১০ থেকে ১৭ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল এখনো প্রবাহিত হচ্ছে। এর বড় অংশই সেই প্রণালি দিয়ে যাচ্ছে, যাকে "বন্ধ" বলা হচ্ছে। উপসাগরের ভেতরেই অন্তত ২৫টি জ্বালানি তেলভর্তি ইরানি ট্যাংকার এই ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কাজ করছে। সংঘাত শুরুর পর তারা কোটি কোটি ব্যারেল তেল পরিবহন করেছে। এছাড়া সমুদ্রে প্রায় ১৪ কোটি ব্যারেল তেল ভাসমান স্টোরেজ হিসেবে জমা রয়েছে—যা তেহরানের রাজস্ব স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি কৌশলগত মজুত হিসেবেও কাজ করছে।

একই সময়ে, হরমুজের বাইরে বিকল্প অবকাঠামোও সক্রিয় করা হয়েছে—বিশেষ করে ওমান উপসাগরের জাস্ক টার্মিনাল। যদিও এর সক্ষমতা সীমিত, তবুও এটি প্রণালি এড়িয়ে রপ্তানির সুযোগ দেয়। প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল দৈনিক সক্ষমতার এই টার্মিনাল সম্পূর্ণ অবরোধের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা দেয়। সব মিলিয়ে এটি একটি হাইব্রিড রপ্তানি মডেল—নিয়ন্ত্রিত প্রণালি, সমুদ্রভিত্তিক স্টোরেজ, বিকল্প রুট ও ছায়া লজিস্টিকসের সমন্বয়।

সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্ন হলো—এটি বন্ধ করা হচ্ছে না কেন? এর উত্তর নিহিত রয়েছে বর্তমান নীতির একটি মৌলিক দ্বন্দ্বে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা একদিকে ইরানের আয় কমাতে চায়, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ইরানি তেলের প্রবাহ পুরোপুরি সরিয়ে দিলে বৈশ্বিক সরবরাহে ভয়াবহ ধাক্কা লাগবে। হরমুজ সংকটে ইতোমধ্যে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস প্রবাহের ১৫–২০ শতাংশ বিঘ্নিত হয়েছে। এর সঙ্গে যদি ইরানি তেলও বন্ধ হয়, তবে বাজারে ভয়াবহ সংকট তৈরি হবে।

বর্তমানে আমরা এক ধরনের "কৌশলগত অস্পষ্টতা" দেখছি। নিষেধাজ্ঞা আছে, কিন্তু প্রয়োগ অসম। কখনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে, কখনো নীরব সহনশীলতা দেখানো হচ্ছে। বাস্তবতা হলো—ইরানের "ডার্ক ফ্লিট" নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে চলতে দেওয়া হচ্ছে, কারণ এটি বাজারে সরবরাহ বজায় রাখতে সাহায্য করছে। এটি স্থায়ী সমাধান নয়, কিন্তু আপাতত এটাই বাস্তবতা।

তবে বাজারে ভুল মূল্যায়ন স্পষ্ট। আর্থিক বাজার এখনো দৃশ্যমান তথ্যের ওপর নির্ভর করছে—সরকারি রপ্তানি, প্রচলিত জাহাজ চলাচল ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর। কিন্তু একই সমান্তরালে চালু থাকা এই অদৃশ্য ব্যবস্থার পরিসর তারা ধরতে পারছে না।

ফলে স্বল্পমেয়াদে সরবরাহ সংকটকে অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে, আবার দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি অবমূল্যায়িত হচ্ছে। স্বল্পমেয়াদে ইরানের "ডার্ক ফ্লিট" ঝুঁকি কমাচ্ছে, কিন্তু এই ব্যবস্থাই আবার অস্বচ্ছ ও ভঙ্গুর। একই সঙ্গে ইরান এখন শুধু উৎপাদক নয়—বরং জ্বালানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণকারী শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

এটি আর সাময়িক বিচ্যুতি নয়; বরং নতুন বাজার কাঠামোর ইঙ্গিত। বৈশ্বিক তেলব্যবস্থা দুই ভাগে বিভক্ত হচ্ছে—একটি স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত, অন্যটি অস্বচ্ছ ও রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত। ইরান দ্বিতীয় ব্যবস্থায় নেতৃত্ব দিচ্ছে, তবে রাশিয়াও একই পথে এগিয়েছে এবং অন্যরাও এই পন্থা অনুসরণ করতে পারে। এতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা কমে যাবে, আর লজিস্টিকস নিয়ন্ত্রণ উৎপাদনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

তবে এই "ডার্ক ফ্লিট" নিজেই অস্থির। জাহাজগুলো পুরোনো, রক্ষণাবেক্ষণ দুর্বল, আবার এগুলোর জন্য বিমার সুবিধাও সীমিত। এসব জাহাজের কোনোটি দুর্ঘটনা-কবলিত হলে হঠাৎ বড় সরবরাহ সংকট তৈরি করতে পারে এবং পরিবেশগত বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এই ব্যবস্থা একটি ধূসর অঞ্চলে টিকে আছে—না পুরো বৈধ, না পুরো দমন করা—বরং প্রয়োজনের কারণে সহ্য করা হচ্ছে।

উপসাগরীয় সংঘাতকে সাধারণত ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেখা হয়। কিন্তু সমুদ্রপথে চলমান এই নীরব লড়াই আরও গুরুত্বপূর্ণ। প্রচলিত নজরদারির বাইরে যে তেল প্রবাহ চলছে, সেটিই এখন বড় বাস্তবতা। ইরানের জন্য "ডার্ক ফ্লিট" শুধু বিকল্প নয়—বরং কৌশলগত সম্পদ, যা রাজস্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থায় প্রভাব বজায় রাখছে।

এটি দেখাচ্ছে—ভূরাজনৈতিক চাপের মধ্যে জ্বালানি বাজারের কাঠামো বদলে যাচ্ছে। উৎপাদন, পরিবহন ও মূল্যের প্রচলিত সম্পর্ক ভেঙে গিয়ে এখন নিয়ন্ত্রণ নির্ভর করছে জ্বালানিবাজী জাহাজ চলাচলের ওপর।

এই ব্যবস্থাই আপাতত বাজারকে টিকিয়ে রেখেছে—সংকটের ধাক্কা শুষে নিয়ে বড় বিপর্যয় ঠেকাচ্ছে। তবে একই সঙ্গে ঝুঁকিও জমা করছে। কারণ বৈশ্বিক অর্থনীতি যত বেশি অদৃশ্য ও অনিয়ন্ত্রিত প্রবাহের ওপর নির্ভরশীল হবে, ততই তা হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত ধাক্কার মুখে পড়বে।


লেখক: সিরিল উইডারশোভেন সমুদ্রবাণিজ্য, জ্বালানি ও ভূরাজনীতি বিষয়ক বিশ্লেষক এবং ব্লু ওয়াটার স্ট্র্যাটেজির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা। তিনি মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সুপরিচিত।


 

Related Topics

টপ নিউজ

হরমুজ প্রণালি / জ্বালানি বাণিজ্য / ইরান / রহস্যময় জাহাজ বহর

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    আইন সংশোধনের মাধ্যমে সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর মালিকানা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন সাবেক মালিকরা
  • ছবি: রয়টার্স
    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের 'শান্তি আলোচনা ব্যর্থ', পাকিস্তান ছাড়ল মার্কিন প্রতিনিধি দল 
  • সস্তা ও দ্রুতগতির হওয়ায় প্যাডেল রিকশার চাইতে স্থানীয়ভাবে তৈরি ব্যাটারি চালিত রিকশাগুলোর চাহিদা বাড়ছে৷ ছবি: সাকলাইন রিজভি।
    ঢাকার যানজট নিরসনে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে পর্যায়ক্রমে বিধিনিষেধের পরিকল্পনা পুলিশের
  • গ্রাফিক্স: টিবিএস
    জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর না বাড়ানোর চিন্তা সরকারের
  • যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা। ছবি: রয়টার্স
    আলোচনায় বসার কোনো 'তাড়া নেই', বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে: ইরান
  • ইংল্যান্ডের একটি বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করছে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি বি-৫২ স্ট্রাটোফোট্রেস বোমারু বিমান। ফাইল ছবি: গেটি/ এএফপি
    ইরান ইস্যুতে পিছু হটল যুক্তরাষ্ট্র, দীর্ঘকাল মনে রাখবে মিত্ররা

Related News

  • ‘আমি একদিনেই ইরানকে শেষ করে দিতে পারি’: ট্রাম্প
  • ইরান যুদ্ধে প্রাথমিক খরচ ১১.৫ বিলিয়ন ডলার: ইসরায়েলের অর্থ মন্ত্রণালয়
  • হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণা ট্রাম্পের; ইরানকে টোল দেওয়া জাহাজ আটকের নির্দেশ
  • আলোচনার দুয়ার খুলেছে পাকিস্তান, সরাসরি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় ইসলামাবাদ
  • হরমুজ প্রণালি খুললেও কেন সংকট কাটবে না: তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা অব্যাহত

Most Read

1
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
বাংলাদেশ

আইন সংশোধনের মাধ্যমে সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর মালিকানা ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন সাবেক মালিকরা

2
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের 'শান্তি আলোচনা ব্যর্থ', পাকিস্তান ছাড়ল মার্কিন প্রতিনিধি দল 

3
সস্তা ও দ্রুতগতির হওয়ায় প্যাডেল রিকশার চাইতে স্থানীয়ভাবে তৈরি ব্যাটারি চালিত রিকশাগুলোর চাহিদা বাড়ছে৷ ছবি: সাকলাইন রিজভি।
বাংলাদেশ

ঢাকার যানজট নিরসনে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে পর্যায়ক্রমে বিধিনিষেধের পরিকল্পনা পুলিশের

4
গ্রাফিক্স: টিবিএস
অর্থনীতি

জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর না বাড়ানোর চিন্তা সরকারের

5
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

আলোচনায় বসার কোনো 'তাড়া নেই', বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে: ইরান

6
ইংল্যান্ডের একটি বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করছে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি বি-৫২ স্ট্রাটোফোট্রেস বোমারু বিমান। ফাইল ছবি: গেটি/ এএফপি
আন্তর্জাতিক

ইরান ইস্যুতে পিছু হটল যুক্তরাষ্ট্র, দীর্ঘকাল মনে রাখবে মিত্ররা

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net