তেল-গ্যাসের দাম চড়ছে, শেয়ারে পতন: ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় অস্থির বাজার
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রভাব হিসাব কষতে গিয়ে বৈশ্বিক বাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এসময়ে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে, পুঁজিবাজারে নিম্নগতি দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে শক্তিশালী হয়েছে মার্কিন ডলার। খবর বিবিসির।
পারস্য উপসাগর থেকে সমুদ্রপথে অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি ব্যাহত হতে পারে—এ আশঙ্কায় জ্বালানিপণ্যের দামে এই উত্থান। যুদ্ধ শুরুর পর আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলারে উঠে যায়— যা ২০২৪ সালের জুলাই মাসের পর সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধি।
যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দর প্রতি থার্মাল ইউনিটে ১৬০ পেন্স এর উপরে উঠে, যা ২০২৩ সালের শুরুর পর সর্বোচ্চ এবং গত শুক্রবারের লেনদেন শেষে যা ছিল তার দ্বিগুণেরও বেশি।
ইউরোপীয় শেয়ারদরে বড় পতন লক্ষ করা গেছে। জার্মানির ডাক্স সূচক আজ সকাল ১১টার কিছু পর ৩.৭৬ শতাংশ কমে যায়; যুক্তরাজ্যের এফটিএসই-১০০ সূচক নামে ২.৫৭ শতাংশ।
এশিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার কস্পি সূচক ৭.২৪ শতাংশ এবং জাপানের নিক্কেই-২২৫ সূচক নামে ৩.০৬ শতাংশ।
বিনিয়োগকারীরা সুদের হার কমার সম্ভাবনা কম ধরে নেওয়ায় যুক্তরাজ্যের সরকারি বন্ডের রিটার্ন বা মুনাফা বেড়েছে—১০ বছরের বেঞ্চমার্ক গড়ে যা ০.১৪ শতাংশ পয়েন্টের বেশি বাড়ে।
অস্থির সময়ে 'নিরাপদ আশ্রয়' হিসেবে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন সম্পদে ঝুঁকতে থাকায় ডলার শক্তিশালী হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদারদের মুদ্রাঝুড়ির বিপরীতে ভারিত গড়ে ডলারের দর একদিনে প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে।
