ইরান ‘পতনের মুখে’, হরমুজ খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প
হরমুজ খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে ইরান: ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে এমন দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ইরান বর্তমানে 'পতনের মুখে' রয়েছে এবং দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, 'ইরান এইমাত্র আমাদের জানিয়েছে যে তারা বর্তমানে 'পতনের মুখে' রয়েছে। তারা চায় আমরা যেন যত দ্রুত সম্ভব 'হরমুজ প্রণালি খুলে দিই'।'
ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব সংকটের প্রতি ইঙ্গিত করে ট্রাম্প আরও বলেন, 'তারা এখন তাদের নেতৃত্বের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমি বিশ্বাস করি তারা এটি করতে সক্ষম হবে।'
'যেকোনো পরিস্থিতিতে' একে অপরের পাশে থাকবে রাশিয়া ও ইরান
রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোসভ বলেছেন, মস্কো ও ইরান 'যেকোনো পরিস্থিতিতে' একে অপরকে সমর্থন দিয়ে যাবে।
ইরানের উপ–প্রতিরক্ষামন্ত্রী রেজা তালাই-নিকের সঙ্গে এক বৈঠকে আন্দ্রেই বেলোসভ এ কথা বলেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার মধ্যেই এই মন্তব্য সামনে এল। উভয় দেশই চলমান সংঘাতের একটি কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
অন্য দেশের ওপর খবরদারির দিন শেষ যুক্তরাষ্ট্রের: ইরান
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, অন্য দেশগুলো কী করবে, যুক্তরাষ্ট্র এখন আর তা 'নির্ধারণ' করে দিতে পারে না।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে রেজা তালাই-নিককে উদ্ধৃত করে বলা হয়, 'স্বাধীন দেশগুলোর ওপর নিজেদের নীতি চাপিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র আর নেই।'
তালাই-নিক আরও বলেন, ওয়াশিংটন 'মেনে নেবে যে, তাদের অবশ্যই বেআইনি ও অযৌক্তিক দাবিগুলো থেকে সরে আসতে হবে।'
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
এশীয় মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে অস্ত্র সক্ষমতা ভাগাভাগিতে প্রস্তুত ইরান: উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী
ইরানের উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী রেজা তালাই-নিক জানিয়েছেন, 'স্বাধীন দেশ, বিশেষ করে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সদস্যদের' সঙ্গে নিজেদের প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র সক্ষমতা ভাগাভাগি করতে প্রস্তুত ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে এ কথা বলা হয়েছে।
কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত এসসিও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের এক বৈঠকে তালাই-নিক বলেন, 'আমেরিকার পরাজয়ের অভিজ্ঞতা আমরা সংগঠনের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।'
সম্প্রতি রাশিয়া ও বেলারুশের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন ইরানের এই কর্মকর্তা। ওই বৈঠকে তেহরানের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন তারা।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে ইরানের পূর্ণ অধিকার রয়েছে: জাতিসংঘে রুশ রাষ্ট্রদূত
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করা এবং এটি নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত। একই সঙ্গে তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ভণ্ডামি ও জলদস্যুতার অভিযোগ তুলেছেন।
জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, 'পুরো দায়ভার ইরানের ওপর চাপানোর একটি চেষ্টা করা হয়েছিল, যেন ইরানই তার প্রতিবেশীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'যুদ্ধের সময় হামলার শিকার হওয়া কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের নিজস্ব জলসীমায় জাহাজ চলাচল সীমিত করতে পারে।'
নেবেনজিয়া তার বক্তব্যে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোকে জলদস্যুদের সঙ্গে তুলনা করেন। পাশাপাশি কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের হামলায় সমর্থন দেওয়া ইউরোপীয় দেশগুলোর তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, 'জলদস্যুরা যেমন তাদের জাহাজে মাথার খুলি ও আড়াআড়ি হাড়ের চিহ্নযুক্ত কালো পতাকা ওড়ায়, পশ্চিমা দেশগুলো তাদের মতো নয়; বরং তারা একতরফা জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপের দোহাই দিয়ে নিজেদের বেআইনি কর্মকাণ্ড আড়াল করার চেষ্টা করছে।'
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
১ মে'র পর কি ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবেন ট্রাম্প?
ইরানের সাথে শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন একটি অভ্যন্তরীণ আইনি সময়সীমার (ডেডলাইন) মুখোমুখি হয়েছেন, যা চলমান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে।
১৯৭৩ সালের 'ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন' অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ১ মে'র মধ্যে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য। এই অনুমোদন না পেলে আইনত তাকে যুদ্ধ গুটিয়ে নিতে হবে। এই অনুমোদনের জন্য মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) এবং সিনেট উভয় কক্ষেই সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় একটি যৌথ প্রস্তাব পাস হতে হয়। তবে এখন পর্যন্ত তেমন কিছু ঘটেনি।
কলোরাডো ল স্কুলের আইনের সহযোগী অধ্যাপক মারিয়ম জমশিদি বলেন, ৬০ দিনের এই সময়সীমাকে আরও ৩০ দিন বাড়াতে হলে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসের কাছে লিখিতভাবে নিশ্চিত করতে হবে যে, সামরিক শক্তি অব্যাহত রাখা একটি 'অপরিহার্য সামরিক প্রয়োজন'।
তিনি আরও বলেন, 'এই ৯০ দিনের সময়সীমার বাইরে যদি কংগ্রেস যুদ্ধ ঘোষণা না করে বা সামরিক পদক্ষেপ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি না দেয়, তবে প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই সশস্ত্র বাহিনীর মোতায়েন বন্ধ করতে হবে।'
তবে অধ্যাপক জমশিদি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করেছেন: 'কংগ্রেসের কাছে এমন কোনো স্পষ্ট আইনি পথ নেই যার মাধ্যমে তারা প্রেসিডেন্টকে এই আইন মেনে চলতে বাধ্য করতে পারে। অতীতে অনেক প্রেসিডেন্টই এই আইন মানতে অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশনের এই অংশটি অসাংবিধানিক।'
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
পুতিনের সঙ্গে বৈঠক: রাশিয়ার কূটনৈতিক সমর্থনের প্রশংসা করলেন আরাগচি
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাশিয়ার কূটনৈতিক সমর্থনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের গভীরতাকে স্বাগত জানিয়েছেন। সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এক বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আরাগচি বলেন, 'সাম্প্রতিক ঘটনাবলি আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের গভীরতা ও শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। আমাদের সম্পর্ক ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই সংহতির জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। সেই সঙ্গে আমরা রাশিয়ার এই কূটনৈতিক সহযোগিতাকে স্বাগত জানাই।'
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাশিয়ার সমর্থনকে ইরান বড় ধরণের কৌশলগত শক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে।
তথ্যসূত্র: ডন
হরমুজ অবরোধে ইরানের তেল রপ্তানি ও উৎপাদন কমছে
হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের জেরে ইরানের তেল রপ্তানিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। কেপলার-এর তথ্যের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, অবরোধ কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইরানি তেলের চালান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অবরোধ শুরুর পর খুব কম সংখ্যক তেলবাহী জাহাজ অঞ্চলটি ছাড়তে পারছে, ফলে রপ্তানি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ইরানের অপরিশোধিত তেল উৎপাদন অর্ধেকেরও বেশি কমে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে দৈনিক উৎপাদন নেমে আসতে পারে প্রায় ১২ থেকে ১৩ লাখ ব্যারেলে।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
আবার আলোচনায় বসতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে ইরান
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে করা একটি অনুরোধ বর্তমানে পর্যালোচনা করছে ইরান। তবে তেহরান এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা জবাব দেয়নি।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচনার ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পারমাণবিক ইস্যু। এর পাশাপাশি, অতীতে আলোচনার টেবিলে বসা অবস্থাতেই যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা চালানোর কারণে দুই দেশের মধ্যে এক গভীর আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, যা নিরসন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরান একটি ধাপে ধাপে অগ্রসর হওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে। যেখানে প্রথমেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা হবে না—এমন গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা নিশ্চিত করার ওপর। এসব বিষয় নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল পারমাণবিক কর্মসূচির মতো বৃহত্তর ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা করতে চায় তেহরান।
এর বিনিময়ে তেহরান ইঙ্গিত দিয়েছে যে, যদি একটি বিস্তারিত ও কার্যকর চুক্তি সম্পন্ন হয়, তবে তারা সেই চুক্তির অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে পারে।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
ইরানের নতুন প্রস্তাবে নাখোশ ট্রাম্প: শুরুতেই সমাধান চান পারমাণবিক ইস্যুর
রয়টার্সসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে, ইরানের প্রস্তাবিত নতুন পরিকল্পনায় সন্তুষ্ট নন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই প্রস্তাবে তেহরান যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত আলোচনা স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে।
ট্রাম্পের সাথে তার উপদেষ্টাদের বৈঠকের বিষয়ে অবগত একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ইরান যে প্র
স্তাব দিয়েছে তাতে ট্রাম্প নাখোশ। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র চায় আলোচনার শুরুতেই যেন পারমাণবিক বিষয়টির মীমাংসা করা হয়।
নিউ ইয়র্ক টাইমস হোয়াইট হাউসের আলোচনার বিষয়ে অবগত একাধিক ব্যক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ট্রাম্প তাঁর উপদেষ্টাদের বলেছেন যে তিনি ইরানের প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নন।
সিএনএন তাদের প্রতিবেদনে দুজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বরাত দিয়ে বলেছে, ট্রাম্পের এই প্রস্তাব গ্রহণ করার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান প্রশ্নের সমাধান না করে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নিলে আলোচনায় আমেরিকার হাতে থাকা অন্যতম প্রধান কৌশলগত শক্তি বা 'লেভারেজ' হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
যুদ্ধ অবসানে ইরানের দেওয়া নতুন প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে আমেরিকা
ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি আপাতত থমকে রয়েছে। পাশাপাশি ওই অঞ্চল থেকে জ্বালানি সরবরাহও কমেছে। এই পরিস্থিতিতে তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে ইরানের দেওয়া নতুন প্রস্তাব নিয়ে সোমবার নিজের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার দিনের শুরুতে তেহরানের এই নতুন প্রস্তাব প্রকাশ্যে আনে ইরানি সূত্র। প্রস্তাবে বলা হয়, যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জাহাজ চলাচল-সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত থাকবে।
তবে এই প্রস্তাবে ওয়াশিংটনের সন্তুষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ আমেরিকার দাবি, শুরু থেকেই পারমাণবিক ইস্যুর মীমাংসা করতে হবে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
