ট্রাম্প কেন তার শুল্কনীতি থেকে পিছু হটছেন না
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্ককে সম্প্রতি অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট।
রায়ে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের একতরফাভাবে আরোপিত শুল্ক অবৈধ… ট্রাম্পের হাতে আর শুল্ক আরোপের "অন-অফ সুইচ" থাকছে না… ভবিষ্যতে শুল্ক আরোপ করতে হলে দীর্ঘ ও কারিগরি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাণিজ্য-সম্পর্কিত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে — অথবা কংগ্রেসের মাধ্যমে তা পাস করতে হবে।
রায়ে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহার করে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপকে বৈধতা দিলে তা "শুল্কনীতির ওপর প্রেসিডেন্টের কর্তৃত্বের এক আমূল সম্প্রসারণ" হিসেবে বিবেচিত হতো। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস বলেন, সংবিধান অনুযায়ী কর ও শুল্ক আরোপের ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের — আইইইপিএ প্রেসিডেন্টকে সে ক্ষমতা দেয় না।
তবে এর অর্থ এই নয় যে ট্রাম্পের শুল্কনীতি হঠাৎ করেই বিলীন হয়ে যাবে। বরং আরও শুল্ক আসছে। ১৯৬০ ও ১৯৭০–এর দশকে কংগ্রেসে পাস হওয়া কিছু পুরোনো আইন আছে, যা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্টকে শুল্ক বাড়ানোর অনুমতি দেয়। ইয়েল বাজেট ল্যাবের এক সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে:
প্রেসিডেন্টের কাছে কংগ্রেসের নতুন অনুমোদন ছাড়াই শুল্ক আরোপের আরও আইনি ভিত্তি রয়েছে। এগুলো সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত: প্রথমত, যেগুলোতে ফেডারেল সংস্থার তদন্ত প্রয়োজন, তবে চূড়ান্ত শুল্ক আরোপে খুব কম বিধিনিষেধ থাকে (ধারা ২০১, ২৩২ ও ৩০১); দ্বিতীয়ত, ধারা ১২২, যা তদন্ত ছাড়াই অস্থায়ীভাবে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয়, তবে তা ১৫% হারে এবং সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের জন্য প্রযোজ্য।
এছাড়া ১৯৩০ সালের ট্যারিফ অ্যাক্টের ৩৩৮ ধারা (যা স্মুট-হাওলি আইন নামেও পরিচিত) রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট কোনো তদন্ত বা সময়সীমা ছাড়াই ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করতে পারেন। তবে অতীতে কোনো প্রেসিডেন্ট এ ক্ষমতা ব্যবহার করেননি, ফলে এটি প্রয়োগ করা হলে ভবিষ্যতে এর বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জের আশঙ্কা থেকেই যায়।
এই মুহূর্তে এসব আইন বহাল আছে, এবং ট্রাম্প এরমধ্যে অন্তত কিছু আইনের সুযোগ নেবেন বলেও মনে করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরপরই তিনি ধারা ১২২ ব্যবহার করে সব দেশের সব আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন, যা একদিন পর ১৫ শতাংশ করা হয়।
এর অর্থ, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের আমদানির ওপর সামগ্রিক আইনি শুল্কহার (কমপক্ষে ২০২৪ সালের আমদানির গড় হিসাবে) প্রায় ৯ শতাংশে নেমে আসার কথা থাকলেও বাস্তবে তা খুব সামান্যই কমবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কব্যবস্থা অত্যন্ত জটিল এবং এতে অসংখ্য ছাড় রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করা শুল্কের তুলনায় নতুন শুল্কগুলো আরও বিস্তৃত। এগুলো বিদ্যমান অন্যান্য শুল্কের সঙ্গে মিলিত হয়ে কার্যকর শুল্কহার আগের চেয়েও বাড়িয়ে দিতে পারে।
ধারা ১২২–এর আওতায় আরোপিত শুল্ক অস্থায়ী — যার মেয়াদ মাত্র পাঁচ মাস। কিন্তু মেয়াদ শেষ হলে ট্রাম্প তা আবার নবায়ন করতে পারেন, যতক্ষণ না নতুন করে মামলা হয় এবং বিষয়টি আবার সুপ্রিম কোর্টে যায়।
তারপরও কাজ না করলে তিনি অন্য আইনগুলো ব্যবহার করতে পারেন, এবং প্রতিবারই আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়তে পারেন। অর্থাৎ, ট্রাম্প তার মেয়াদের বাকি মেয়াদজুড়ে উচ্চ শুল্ক আরোপ অব্যাহত রাখতে পারবেন।
প্রশ্ন হলো, এই শুল্কের উদ্দেশ্য কী ছিল? বিষয়টি কখনোই স্পষ্ট ছিল না। ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক যুক্তি ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্য ঘাটতি কমানোই তার লক্ষ্য। এমনকি তথাকথিত "লিবারেশন ডে"-তে ঘোষিত শুল্কও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতির সূত্র ধরে নির্ধারিত হয়েছিল।
কিন্তু বাণিজ্য ঘাটতি দূর করা সহজ নয়। ঘাটতির কাঠামো কিছুটা বদলালেও — সেই ঘাটতি চীন থেকে সরে অন্য দেশের সঙ্গে হলেও — সামগ্রিকভাবে তা কিন্তু প্রায় অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে।
অর্থনীতিবিদরা আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতির প্রকৃত কারণ নিয়ে একমত নন, তবে এটা পরিষ্কার যে অর্থনীতিকে বড় ক্ষতি না করে কেবল শুল্ক চাপিয়ে ঘাটতি দূর করা কঠিন। শেয়ারবাজারে পতন এবং পুঁজি আমেরিকা ছাড়তে শুরু করলে ট্রাম্পও বিষয়টি অনুধাবন করেন — এ কারণেই তিনি তার শুল্ক পরিকল্পনার বৃহত্তর অংশ থেকে পিছু হটেন।
ট্রাম্প বিশ্বাস করতেন, শুল্ক আমেরিকান উৎপাদনশিল্পে পুনর্জাগরণ আনবে। কিন্তু অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছিলেন—শুল্ক আসলে মধ্যবর্তী পণ্যের ওপর কর, যা উৎপাদনশিল্পকে সহায়তার চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে।
গাড়ি, নির্মাণসহ বহু শিল্পই ইস্পাত ব্যবহার করে। আমদানি করা ইস্পাতের ওপর কর বসালে মার্কিন ইস্পাত উৎপাদকরা সুরক্ষা পেলেও অন্যান্য শিল্পের উৎপাদন ব্যয় তাতে বেড়ে যায়।
বাস্তবে সেটাই হয়েছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের প্রতিশ্রুত উৎপাদনশিল্পের "স্বর্ণযুগ" উল্টো দিকে হাঁটছে। "লিবারেশন ডে" শুল্ক ঘোষণার পর টানা আট মাস উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থান কমেছে। ইনস্টিটিউট ফর সাপ্লাই ম্যানেজমেন্টের সূচক ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা ২৬ মাস সংকুচিত হয়েছে। বাইডেন আমলে চিপ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে যে উৎপাদন খাতে কলকারাখানা নির্মাণব্যয় বেড়েছিল, ট্রাম্পের প্রথম নয় মাসে তা কমেছে। অর্থাৎ, নতুন কারখানা নির্মাণে বা বিদ্যমান কারখানা সম্প্রসারণে বাইডেন আমলের তেজ আর নেই।
এই মন্দার পুরো দায় অবশ্য ট্রাম্পের নয় — তার দায়িত্ব নেওয়ার আগেই এ ধীরগতি শুরু হয়েছিল। তবে উৎপাদনকারীরা বলছেন, শুল্ক পরিস্থিতি আরও খারাপ করছে।
এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনীতিতে শুল্কের প্রভাব আশঙ্কার মতো বড় আকারে হয়নি। ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি কিছুটা দুর্বল ছিল, তবে তা মূলত সরকারি অচলাবস্থার কারণে; যা পরবর্তী প্রান্তিকে ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার সামান্য ওপরে থাকলেও— তা বিস্ফোরিত হয়নি বা ভেঙে পড়েনি।
তবে অর্থনীতি ধসে পড়েনি বলে এটিকে সাফল্য বলা যায় না। কারণ শুল্কের উদ্দেশ্য ছিল অর্থনীতির সমস্যা সমাধান করা — অথচ বাস্তবে কিছুই সমাধান হয়নি।
বরং ভোক্তারা নানা আমদানি পণ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কিয়েল ইনস্টিটিউটের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৫ সালের শুল্কের ৯৬ শতাংশ বোঝা যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারক ও ভোক্তাদের ওপর পড়েছে; বিদেশি রপ্তানিকারকরা এর মাত্র ৪ শতাংশ বহন করেছে। অনেক ক্ষেত্রে রপ্তানি মূল্য কমেনি; বরং বাণিজ্যের পরিমাণই কমে গেছে।
জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, আমেরিকানরা শুল্কনীতির বিরোধী। ফক্স নিউজের জরিপেও একই ফল এসেছে; বাণিজ্য ও অর্থনীতি নিয়ে ট্রাম্পের অনুমোদন হার নেতিবাচক। ভোক্তা আস্থা সূচকও নিম্নমুখী।
সম্ভবত এই চাপ অনুধাবন করেই ট্রাম্প কিছু শুল্ক শিথিল করার কথা ভাবছেন। ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক তালিকা পুনর্বিবেচনা করে কিছু পণ্যকে ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।
অনেক দেশের বহু পণ্যের ওপর ব্যাপক শুল্ক — মূলত একটি অকার্যকর নীতি, যা অর্থনৈতিক ক্ষতি ছাড়া তেমন কিছু অর্জন করে না।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্প তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান এবং বিচারপতিরা বিদেশি স্বার্থে প্রভাবিত বলে অভিযোগ তোলেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রায়টিকে "আইনবহির্ভূত" বলেও আখ্যা দেন।
প্রশ্ন হচ্ছে, কেন ট্রাম্প ও তার অনুগামীরা এত ক্ষুব্ধ? রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, সুপ্রিম কোর্টের রায়কে শুল্ক বাতিলের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা তার জন্য সুবিধাজনক হতে পারত। কিন্তু তিনি নীতিটি আঁকড়ে ধরেছেন।
এখানে একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলো—নিজের কর্তৃত্ব চ্যালেঞ্জ হওয়া তিনি সহ্য করতে পারেন না। শুল্ক ছিল তার সিগনেচার পলিসি; সেখান থেকে সরে আসা মানে অপদস্থ হওয়া।
আরেকটি ব্যাখ্যা—তিনি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে দেখেন এবং তা অপছন্দ করেন।
তৃতীয় সম্ভাব্য ব্যাখ্যা—শুল্ক তার কাছে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার। যেমন প্রথমেই বিস্তৃত শুল্ক আরোপ করে পরে নির্দিষ্ট কোম্পানিকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ থাকলে—ব্যবসায়ীরা অনুকূল সিদ্ধান্তের আশায় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সখ্য গড়তে বাধ্য হন।
সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা সম্ভবত ক্ষমতা। আইইইপিএ–র আওতায় শুল্ক আরোপের ক্ষমতা ট্রাম্পকে দেশভিত্তিক, হারভিত্তিক এবং ছাড়ভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিয়েছিল। এটি ছিল নজিরবিহীন ব্যক্তিগত ক্ষমতা, যা তাকে কার্যত এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সুবিশাল বৈদেশিক অর্থনৈতিক নীতি পরিচালনার সুযোগ দেয়।
এই কারণেই সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার অতিরিক্ত বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আইইইপিএ–ভিত্তিক শুল্ক বাতিল করেছে।
এটি ছিল এমন এক ধরনের ব্যক্তিকেন্দ্রিক ক্ষমতা, যা ট্রাম্পের আগে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে ছিল না। এর মাধ্যমে তিনি কার্যত একাই পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে পেরেছেন। একই সঙ্গে এটি তাকে এবং তার পরিবারকে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। রাজনৈতিকভাবে তার অবস্থানকে মজবুত করতেও এই ক্ষমতা ব্যবহার হয়েছে—কারণ তিনি শুল্কে ছাড় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেখিয়ে এমন ব্যবসায়িক গোষ্ঠীগুলোর ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছেন, যারা তার রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতি রাখে।
এছাড়াও, এই ক্ষমতা তাকে এক ধরনের অগোছালো অথচ কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে দিয়েছে। শল্যচিকিৎসার ছুরির মতো শুল্ক ব্যবহার করে তিনি এমন বাণিজ্য ও উৎপাদন নিরুৎসাহিত করতে পেরেছেন, যা ব্যক্তিগতভাবে তার পছন্দ ছিল না।
অন্যভাবে বললে, ১৯৯০–এর দশকের বাণিজ্য ঘাটতি–কেন্দ্রিক উদ্বেগ থেকে শুল্কনীতির সূচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তা আমেরিকার প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাকে এক ধরনের স্বৈরতান্ত্রিক কাঠামোর দিকে ঠেলে দেওয়ার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছিল। সম্ভবত এ কারণেই সুপ্রিম কোর্ট কারিগরি ব্যাখ্যার পরিবর্তে, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার অতিরিক্ত বিস্তার নিয়ে উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে আইইইপিএ–ভিত্তিক শুল্ক বাতিল করেছে।
আধুনিক রিপাবলিকান পার্টির একটি বড় অংশের কাছে মনে হয়, স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতাই নিজেই এক ধরনের যুক্তিতে পরিণত হয়েছে। অনেক রিপাবলিকানের দৃষ্টিতে শুল্ক ভালো ছিল, কারণ তা প্রেসিডেন্টকে আরও শক্তিশালী করেছিল; আর সুপ্রিম কোর্টের রায় তাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য, কারণ তা 'সাম্রাজ্যবাদী প্রেসিডেন্সি'র লাগাম টেনে ধরেছে।
কিন্তু, রায়ের এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান যেমন বিচার বিভাগ নিজেদের অবস্থান অটুট রেখেছে। কিন্তু তাদের সামনে আরও এমন পরীক্ষা আসবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিবন্ধের বিশ্লেষণটি লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও পর্যবেক্ষণের প্রতিফলন। অবধারিতভাবে তা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর অবস্থান বা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।
সূত্র: এশিয়া টাইমসে প্রকাশিত মূল নিবন্ধের বিশ্লেষণ থেকে পরিমার্জিত ও ভাবানুবাদিত।
