২০২৫ সালে কয়টি দেশে বোমা হামলা চালিয়েছেন ট্রাম্প?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সপ্তাহে নিশ্চিত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার একটি ডকিং ফ্যাসিলিটিতে সামরিক হামলা চালিয়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ক্যারিবীয় ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভেনেজুয়েলার জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার পর এটিই দেশটির মূল ভূখণ্ডের ভেতরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ।
ফ্লোরিডায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলায় একটি 'বিস্ফোরণ' ঘটেছে। তার দাবি, ওই স্থানটি মাদকবাহী নৌকা বোঝাই করার কাজে ব্যবহৃত হতো। ট্রাম্প বলেন, 'যে এলাকায় নৌকাগুলোতে মাদক তোলা হতো, সেখানে একটি বড় বিস্ফোরণ হয়েছে। আমরা সব নৌকায় আঘাত করেছি এবং এখন ওই এলাকাটিতেও হামলা চালিয়েছি। সেটি এখন আর সেখানে নেই।' তবে হামলার বিষয়ে তিনি আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।
নিজেকে 'শান্তির প্রেসিডেন্ট' হিসেবে প্রচার এবং ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে আটটি যুদ্ধ শেষ করার দাবি জানিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার আশা ব্যক্ত করলেও, জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এটি ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ সামরিক হামলা। সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা 'এসিএলইডি' আল জাজিরাকে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিদেশে ড্রোন বা বিমান ব্যবহার করে মোট ৬২২টি বোমা হামলা চালিয়েছে। এটি বিদেশে যুদ্ধে না জড়ানোর বিষয়ে ভোটারদের দেওয়া তার প্রতিশ্রুতির সম্পূর্ণ বিপরীত।
২০২৫ সালে কোন কোন দেশে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্র ২০২৫ সালে মোট সাতটি দেশে সামরিক হামলা চালিয়েছে।
ভেনেজুয়েলা এবং ক্যারিবীয় সাগর
এই সপ্তাহে ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে একটি ডকিং ফ্যাসিলিটিতে হামলা চালানোর বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে। এটি ট্রাম্প প্রশাসনের মাদক পাচারবিরোধী অভিযানের অংশ বলে জানানো হয়েছে। তবে হামলাটি ঠিক কোথায় হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে ডিসেম্বরের শুরুতে মার্কিন নৌবাহিনী ভেনেজুয়েলা উপকূল থেকে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করে। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব ট্যাংকার মাদুরো সরকারের অর্থনীতির প্রধান অর্থনৈতিক উৎস হিসেবে কাজ করছিল। আগস্ট থেকে ক্যারিবীয় সাগরে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন একে 'জাতীয় জরুরি অবস্থা' হিসেবে উল্লেখ করলেও, বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—ভেনেজুয়েলা মাদক পাচারের প্রধান উৎস নয়।
গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ৩০টি ছোট নৌকায় হামলা চালিয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, এসব হামলায় অন্তত ৯৫ জন নিহত হয়েছেন। সংস্থাটি এসব ঘটনাকে 'বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড' হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। বিশেষ করে ২ সেপ্টেম্বরের হামলায় 'ডাবল ট্যাপ'—অর্থাৎ প্রথম হামলার পর পুনরায় হামলা—পদ্ধতি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথম হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা পানিতে ভাসমান অবস্থায় থাকাকালে দ্বিতীয় দফা হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। তবে এসব হামলার ভিডিও প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ।
ভেনেজুয়েলা সরকার অভিযোগ করেছে, মাদক পাচার দমনের নামে যুক্তরাষ্ট্র আসলে দেশটিতে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। অন্যদিকে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলাকে একটি 'মাদক রাষ্ট্র' হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর দিন ফুরিয়ে এসেছে।
নাইজেরিয়া
বড়দিনের দিনে নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সোকোতো রাজ্যে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফায় হামলা চালিয়েছে। এ হামলাকে ট্রাম্প 'শক্তিশালী ও প্রাণঘাতী' বলে বর্ণনা করেছেন। ওয়াশিংটনের দাবি, আইএসআইএল (আইএস)–সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্য করেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এই হামলার আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে নাইজেরিয়া সরকারের ওপর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প ও টেড ক্রুজসহ সিনিয়র রিপাবলিকান নেতারা নাইজেরিয়া সরকারের বিরুদ্ধে 'খ্রিস্টান গণহত্যায়' মদদ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। তবে নাইজেরিয়া সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, দেশটিতে চলমান সহিংসতায় মুসলিম ও খ্রিস্টান—উভয় সম্প্রদায়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় 'মিডল বেল্ট' অঞ্চলে খ্রিষ্টান কৃষকদের ওপর হামলার অভিযোগ থাকলেও, মার্কিন সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে উত্তরের সোকোতো অঞ্চলে। মূলত 'লাকুরাওয়া' নামে একটি নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়। নাইজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযানকে 'সফল' বলে অভিহিত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বড়দিনের সময়টিকে বেছে নেওয়ার পেছনে উদ্দেশ্য ছিল ট্রাম্পের খ্রিষ্টান সমর্থকদের সন্তুষ্ট করা এবং নাইজেরিয়ার খ্রিষ্টানদের 'রক্ষাকারী' হিসেবে নিজেদের ভাবমূর্তি তুলে ধরা। ট্রাম্প জানিয়েছেন, সামনে এ ধরনের আরও হামলা চালানো হবে। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ।
সোমালিয়া
সোমালিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই আল-কায়েদা–সংশ্লিষ্ট আল-শাবাব এবং আইএসআইএল-এর একটি শাখার বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে এখান থেকে বেশিরভাগ মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করলেও, ২০২২ সালে বাইডেন প্রশাসন তাদের পুনরায় মোতায়েন করে।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে এসে সোমালিয়ায় বিমান হামলার মাত্রা অভাবনীয়ভাবে বেড়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, চলতি বছর সোমালিয়ায় অন্তত ১১১টি হামলা চালানো হয়েছে, যা বুশ, ওবামা ও বাইডেন প্রশাসনের সময়কার সম্মিলিত হামলার সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
তবে এসব বিমান হামলায় বেসামরিক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। গত মাসে সোমালিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি হামলায় ৭ শিশুসহ অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। যদিও যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত সোমালিয়ায় বেসামরিক নিহতের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ্যে জানায় না।
সিরিয়া
গত ১৯ ডিসেম্বর সিরিয়ায় আইএসআইএল-এর ৭০টি অবস্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এক সপ্তাহ আগে পালমিরায় এক বন্দুকযুদ্ধে দুই মার্কিন সেনা এবং একজন দোভাষী নিহতের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়।
যদিও কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে ট্রাম্প সরাসরি আইএসআইএল-কে এর জন্য দায়ী করেছেন।
নিহত দুই সেনা সদস্যের নিজ রাজ্য আইওয়ার নামানুসারে এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে 'অপারেশন হকআই'। এই হামলায় জঙ্গিদের বেশ কয়েকটি অস্ত্রাগার ধ্বংস হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে ট্রাম্প সিরিয়ার যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার কথা বললেও, ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি সন্ত্রাসীদের দমনে 'চরম প্রতিশোধ' নেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছেন।
ইরান
চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করে এবং ২২ জুন ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা চালায়। অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এই অভিযানে মার্কিন বিমান ও নৌবাহিনী অংশ নেয়।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরানের পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলা করতেই নাতানজ, ইসফাহান এবং ফোরদোর স্থাপনাগুলোতে এই হামলা চালানো হয়েছে।
পেন্টাগনের হিসাবমতে, এই হামলার ফলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি অন্তত দুই বছর পিছিয়ে গেছে।
সম্প্রতি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি পুনরায় পারমাণবিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করে, তবে তিনি দেশটিকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেবেন।
ইয়েমেন
লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার প্রতিবাদে ২০২৪ সালের শুরু থেকেই ইয়েমেনে হামলা চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে 'অপারেশন রাফ রাইডার' নামে এই হামলা আরও তীব্র ও দৈনিক ভিত্তিতে শুরু হয়।
ওমানের মধ্যস্থতায় মে মাসে যুদ্ধবিরতি হওয়ার আগ পর্যন্ত মার্কিন হামলায় ইয়েমেনের বন্দর, বিমানবন্দর, রাডার সিস্টেম এবং নানা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস হয়।
ওই হামলায় হতাহতের সংখ্যা নিয়ে দুই পক্ষ ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে তারা প্রায় ৫০০ হুথি যোদ্ধাকে হত্যা করেছে, তবে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মার্কিন হামলায় অন্তত ১২৩ জন নিহত হয়েছে যাদের বেশিরভাগই ছিল সাধারণ নাগরিক।
ইরাক
১৩ মার্চ ইরাকের আল-আনবার প্রদেশে মার্কিন বিমান হামলায় আইএসআইএল-এর দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা আবদুল্লাহ 'আবু খাদিজা' নিহত হন। ইরাকি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যৌথ সমন্বয়ে এই অভিযানটি চালানো হয়।
ট্রাম্প এই সফলতার প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, 'শক্তির মাধ্যমেই শান্তি আসবে।'
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীও এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আবু খাদিজা ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসআইএল-এর কার্যক্রম দেখাশোনা করতেন এবং তিনি বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক সন্ত্রাসীদের একজন ছিলেন।
এর আগে ২০১৪ সালেও ওবামা প্রশাসন ইরাকে আইএসআইএল দমনে একই ধরনের হামলার নির্দেশ দিয়েছিল।
বিদেশে সামরিক অভিযান নিয়ে ট্রাম্প অতীতে যা বলেছিলেন
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদের নির্বাচনী প্রচারণা থেকেই 'আমেরিকা ফার্স্ট' (সবার আগে আমেরিকা) নীতির কথা বলে আসছিলেন। বিদেশি যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন আদায় করেছিলেন।
এক সময়কার এক প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে তিনি বুশ প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ৯/১১ হামলার পর ইরাক যুদ্ধ ছিল একটি 'বিশাল বড় ভুল'। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই যুদ্ধে দুই ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ অপচয় হয়েছে এবং প্রাণ হারিয়েছেন হাজার হাজার মার্কিন সেনা।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার সময়ও ট্রাম্প আবার বিশ্বজুড়ে শান্তি পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করেন। শপথ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তার সাফল্য কেবল যুদ্ধে জয়ী হওয়ার মাধ্যমে নয়, 'বরং কতগুলো যুদ্ধ তিনি শেষ করতে পেরেছেন এবং কতগুলো যুদ্ধ শুরু হওয়া থেকে ঠেকাতে পেরেছেন—তার ওপর ভিত্তি করেই তাকে বিচার করা হবে'।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি বজায় রাখার এই বক্তব্যের পেছনে ট্রাম্পের কোনো গভীর বা দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক কৌশল নেই। কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফট-এর বিশেষজ্ঞ সারাং শিডোর বলেন, 'দক্ষিণ আমেরিকায় ট্রাম্পের বর্তমান পদক্ষেপগুলো বিংশ শতাব্দীর সেই পুরোনো হস্তক্ষেপবাদী নীতির কথাই মনে করিয়ে দেয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র ল্যাটিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের সরকার পতনে সরাসরি ভূমিকা রেখেছিল।'
তিনি বলেন, 'লাতিন আমেরিকা, নাইজেরিয়া ও সোমালিয়ায় সাম্প্রতিক হামলাগুলো মূলত বিদেশের মাটিতে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নিজের প্রভাব জাহির করার একটি কৌশল মাত্র।'
