Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
March 15, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, MARCH 15, 2026
টেডি বিয়ারকে একসময় শিশুদের জন্য বিপজ্জনক ভাবা হতো কেন?

আন্তর্জাতিক

স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিন
16 November, 2025, 06:10 pm
Last modified: 16 November, 2025, 06:27 pm

Related News

  • কাসু মারজু: বিশ্বের ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক পনির’
  • পোশাকশিল্পের পর বাংলাদেশের পরবর্তী বৈদেশিক আয়ের খাত হতে পারে বৈশ্বিক খেলনা বাজার
  • সন্তানদের জন্য খেলনা কিনবেন কি না
  • এ গ্রামের টমটম চালায় সারাদেশের শিশুরা
  • মোর্শেদ মিশু ও তার দলের ‘ফেলনা খেলনা টেলনা দেয়াল’

টেডি বিয়ারকে একসময় শিশুদের জন্য বিপজ্জনক ভাবা হতো কেন?

তবে সবাই কিন্তু এই নতুন খেলনা নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিল না। কিছু সমাজ সমালোচক টেডি বিয়ারকে এক অশুভ প্রতীক হিসেবে দেখতে শুরু করেন। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, মেয়েরা যদি মানুষের মতো দেখতে পুতুলের চেয়ে এই নরম পশমের প্রাণীকে বেশি পছন্দ করতে শুরু করে, তাহলে তাদের মধ্যে শিশু পালনের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি নষ্ট হয়ে যাবে।
স্মিথসোনিয়ান ম্যাগাজিন
16 November, 2025, 06:10 pm
Last modified: 16 November, 2025, 06:27 pm
একটি আসল মিকটম টেডি বিয়ার, যা একসময় টেডি রুজভেল্টের দুই নাতি-নাতনি, মার্ক ও অ্যান-এর হাতে ছিল।ছবি: এনএমএএইচ।

টেডি বিয়ারের ইতিহাস শুরু হয়েছিল আমেরিকার এক গভীর জঙ্গলে। ১৯০২ সালের নভেম্বর মাস, প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট মিসিসিপিতে শিকারে বেরিয়েছেন। তাঁর একটাই লক্ষ্য—একটি কালো ভালুক শিকার করবেন। গল্পটা অনেকটা এরকম: বেশ কয়েকদিন ধরে জঙ্গলে তন্ন তন্ন করে খোঁজার পরও যখন রুজভেল্ট একটা ভালুকের ছায়াও দেখতে পেলেন না, তখন তাঁর শিকারি সঙ্গীরা এক আহত, বুড়ো ভালুককে ধরে এনে একটা উইলো গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলল।

তারা প্রেসিডেন্টকে বলল, এই নিন আপনার শিকার করার সুযোগ, এবার বিজয় ঘোষণা করুন। কিন্তু এই দৃশ্য দেখে রুজভেল্ট আঁতকে উঠলেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, এমন দুর্বল ও অসহায় প্রাণীকে হত্যা করা কোনো সম্মানিত মানুষের কাজ হতে পারে না। এটা খেলোয়াড়সুলভ আচরণ নয়! তিনি বরং ওই জরাজীর্ণ ভালুকটিকে যন্ত্রণাহীন মৃত্যু দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। প্রেসিডেন্টের এই অদ্ভুত দয়ার খবর দ্রুতই সংবাদপত্রে ছড়িয়ে পড়ল।

এক কার্টুন থেকে জন্ম নিল 'টেডি'স বিয়ার'

রাজনৈতিক কার্টুনিস্ট ক্লিফোর্ড কে. বেরিম্যান ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় কয়েকটি ছবিতে এই ঘটনাটি তুলে ধরেন। একটি ছবিতে দেখা যায়, ছিপছিপে গড়নের রুজভেল্ট একটি ভালুককে হত্যা করতে অস্বীকার করছেন। আরেকটি ছবিতে নাদুসনুদুস চেহারার রুজভেল্টের পাশে একটি ছোট্ট ভালুকের ছবি আঁকা হয়, যার চোখ দুটো ছিল বড় বড় আর মুখে শিশুর মতো সরলতা।

ব্রুকলিনের এক ক্যান্ডি দোকানের মালিক, মরিস মিকটম, কার্টুনের এই মিষ্টি ভালুক ছানার মধ্যে ব্যবসার এক দারুণ সুযোগ দেখতে পেলেন। তিনি তাঁর স্ত্রী রোজকে অনুরোধ করলেন ভালুকটির একটি স্টাফড বা তুলতুলে সংস্করণ তৈরি করার জন্য। রোজ একটি নমুনা তৈরি করলেন এবং দোকানের জানালায় রাখামাত্রই সেটি বিক্রি হয়ে গেল!

এরপর রোজ আরও বানাতে শুরু করলেন। কিন্তু চাহিদা এত বাড়তে লাগল যে, শুধু হাতে তৈরি করে কুলানো যাচ্ছিল না। তাই ১৯০৩ সালে তাঁরা দুজন মিলে কারখানায় উৎপাদন শুরু করেন। মিকটম প্রেসিডেন্টের নামানুসারে তাঁর এই নরম সঙ্গীদের নাম রাখলেন 'টেডি'স বিয়ার' বা 'টেডির ভালুক'। ১৯০৬ সালের শেষের দিকে, এই নাম ছোট হয়ে গিয়ে দাঁড়াল 'টেডি বিয়ার'।

জার্মানি থেকে আমেরিকা: বিশ্বজুড়ে টেডির জয়যাত্রা

প্রায় একই সময়ে, জার্মানির স্টিফ কোম্পানিও কাকতালীয়ভাবে তাদের নিজস্ব ভালুক তৈরি করছিল। ১৯০৩ সালে, স্টিফ নিউ ইয়র্কের একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের কাছে ৩,০০০টি ভালুক বিক্রি করে। এক বছর পর, রুজভেল্ট, যিনি 'টেডি' ডাকনামটা একেবারেই পছন্দ করতেন না (একবার তিনি এটিকে 'জঘন্য বেয়াদবি' বলেছিলেন), তিনিই তাঁর পুনঃনির্বাচনী প্রচারণায় এই আদুরে ভালুককে মাসকট হিসেবে ব্যবহার করলেন। হোয়াইট হাউসে মিকটমের তৈরি একটি টেডি বিয়ারকে খুব গুরুত্ব দিয়ে প্রদর্শন করা হয়।

১৯০২ সালে ক্লিফোর্ড বেরিম্যানের অঙ্কিত একটি কার্টুন, যেখানে প্রেসিডেন্ট থিওডর রুজভেল্টের সেই ভাল্লুকটিকে গুলি করতে অস্বীকৃতি জানানোর দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে। ছবি : স্মিথসোনিয়ান আর্কাইভস।

এই ঘটনা টেডি বিয়ারকে আরও বিখ্যাত করে তোলে। ১৯০৬ সালে, ম্যানহাটনের একটি দোকান ৬০,০০০-এরও বেশি টেডি বিয়ার বিক্রি করে। এমনকি জার্মানির স্টিফ কোম্পানিও আমেরিকান নাম 'টেডি বিয়ার' গ্রহণ করে।

'সন্তানহীনতার কারণ হবে টেডি বিয়ার!' 

তবে সবাই কিন্তু এই নতুন খেলনা নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিল না। কিছু সমাজ সমালোচক টেডি বিয়ারকে এক অশুভ প্রতীক হিসেবে দেখতে শুরু করেন। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, মেয়েরা যদি মানুষের মতো দেখতে পুতুলের চেয়ে এই নরম পশমের প্রাণীকে বেশি পছন্দ করতে শুরু করে, তাহলে তাদের মধ্যে শিশু পালনের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি নষ্ট হয়ে যাবে। আর এর চূড়ান্ত পরিণতি হবে সন্তানহীনতা।

১৯০৭ সালে, মিশিগানের রেভারেন্ড মাইকেল জি. এস্পার তাঁর অনুসারীদের সতর্ক করে বলেন, 'আমাদের শৈশবের ভালো পুরোনো পুতুলগুলোকে সরিয়ে দিয়ে 'টেডি বিয়ার' নামের এই ভয়ংকর বস্তুটিকে জায়গা দেওয়ার এই ফ্যাশন" জন্মহার কমিয়ে দেবে।'

এই বিষয়টি নিয়ে সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়, যদিও বেশিরভাগ মানুষ এস্পারের এই ভিত্তিহীন ভয়ের সাথে একমত ছিল না। এস্পারের এই বক্তব্যের কয়েকদিন পর, নেভাডার রেনো ইভনিং গেজেট পত্রিকা 'টেডি বিয়ারের রাজত্ব চলছে' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে এক স্থানীয় নারী এস্পারের কথার জবাবে বলেন, 'টেডি বিয়ার কেবল একটি ফ্যাশন, এবং আমি মনে করি না যে এটি শিশুদের খেলার জন্য কোনোভাবেই ক্ষতিকর।'

শৈশবের নতুন সঙ্গী ও এক নতুন বাজার

পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ইতিহাসবিদ এবং 'কিডস স্টাফ: টয়েজ অ্যান্ড দ্য চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড অফ আমেরিকান চাইল্ডহুড' বইয়ের লেখক গ্যারি ক্রস বলেন, সেই সময়ে শৈশব সম্পর্কে একটি আরও 'সহনশীল ও উদার দৃষ্টিভঙ্গি' তৈরি হচ্ছিল এবং জাতি সেই মতকেই সমর্থন করেছিল। ক্রস বলেন, তখন 'শিশুদের আরও বেশি সময় ধরে শিশুই থাকতে দেওয়ার' একটি নতুন মানসিকতা তৈরি হচ্ছিল।

বিশেষ করে, টেডি বিয়ার শিশুদের জিনিসপত্রের ক্রমবর্ধমান চাহিদা তৈরি এবং তা মেটাতে সাহায্য করেছিল—যা বিংশ শতাব্দীর শুরুতে একটি প্রায় নতুন বাজার ছিল, কারণ তখন শিশুশ্রম কমে আসছিল।

পরবর্তী কয়েক দশকে, এই ভালুকগুলো উত্তাল সময়ে—এমনকি যারা শৈশব পার করে এসেছে, তাদের জন্যও—এক সান্ত্বনার উৎস হয়ে ওঠে। দুই বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈন্যরাও তাদের ন্যাপস্যাকে ভরে নিজেদের টেডি বিয়ার সঙ্গে নিয়ে যেত।

শীঘ্রই এই ভালুকগুলো সাহিত্য ও পপ সংস্কৃতিতে একটি উষ্ণ আশ্রয় খুঁজে পায়। ১৯২১ সালে, ইংরেজ লেখক এ. এ. মিলনে তাঁর এক বছর বয়সী ছেলেকে একটি তুলতুলে বন্ধু উপহার দেন, যা পরে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত ভালুকে পরিণত হয়। কারণ, সে এমন কিছু করত যা প্রত্যেক শিশু তার খেলনার কাছে চায়: সে জীবন্ত হয়ে উঠত! মিলনে 'উইনি-দ্য-পুহ' সিরিজ লেখার পর, তাঁর আমেরিকান প্রকাশক ই.পি. ডাটন স্টাফড পুহকে একটি সফরে পাঠান।

এরপর ১৯৫৭ সালে, যখন এলভিস প্রিসলি 'লাভিং ইউ' চলচ্চিত্রে '(লেট মি বি ইওর) টেডি বিয়ার' গানটি পরিবেশন করেন, তখন ভক্তরা তাঁকে হাজার হাজার স্টাফড বিয়ার পাঠিয়ে তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করে।

আত্মপ্রকাশের এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর, সংগ্রাহকদের কাছে এই ভালুকের কদর এখনও তুঙ্গে। ২০২২ সালের নভেম্বরে, ১৯০৬ সালের একটি স্টিফ বিয়ার £১০,৫০০ পাউন্ডে (প্রায় $১২,৭৪৬ ডলার) বিক্রি হয়। যদিও এই সংখ্যাটি ২০০০ সালে বিক্রি হওয়া স্টিফ লুই ভিটন টেডি বিয়ারের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি। ডিজাইনারের স্বাক্ষরযুক্ত লোগোসহ বেরেট এবং ট্রেঞ্চ কোট পরা সেই টেডি বিয়ারটি $১,৮২,৫৫০ ডলারে বিক্রি হয়েছিল, যা এখনও একটি টেডি বিয়ার বিক্রির গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ধরে রেখেছে।

মিকটম দম্পতি ১৯০৩ সালে যে আইডিয়াল টয় কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা একসময় আমেরিকার সবচেয়ে বড় পুতুল তৈরির কোম্পানিতে পরিণত হয়। ১৯৬৩ সালে টেডি বিয়ারের ৬০তম জন্মদিনে, মিকটমের ছেলে বেঞ্জামিন, রুজভেল্টের নাতি কারমিটকে একটি আসল টেডি বিয়ার উপহার দেন।

যদিও কারমিট এই ঐতিহাসিক খেলনাটি স্মিথসোনিয়ান জাদুঘরে দান করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর সন্তানদের পরিকল্পনা ছিল অন্যরকম। তাঁর স্ত্রী, মেরি রুজভেল্ট, স্বীকার করেন, 'ওরা এখনই এটা হাতছাড়া করতে চাইছিল না।' এক বছর পর যখন শিশুরা রাজি হলো, তখন এই ঐতিহাসিক খেলনাটি অবশেষে ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ আমেরিকান হিস্ট্রি-তে পৌঁছায়, যেখানে এটি আজও রয়েছে। এটি এক শিশুর সরলতা এবং এক প্রেসিডেন্টের উদার মনোভাবের এক জীবন্ত স্মৃতিচিহ্ন।

Related Topics

টপ নিউজ

টেডি বিয়ার / খেলনা / বিপজ্জনক

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: টিবিএস
    কাল থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং থাকছে না, আগের মতোই মিলবে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেল
  • ছবি: সংগৃহীত
    প্রথমবারের মতো ট্রেনে স্টারলিংকের ইন্টারনেট চালু করল বিএসসিএল
  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    রক্তক্ষরণ নয়, মস্তিষ্কে ইনফেকশন ধরা পড়েছে মির্জা আব্বাসের; বিদেশ নেওয়ার প্রস্তুতি
  • ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: রয়টার্স
    যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার জন্য ইরান ‘কখনো অনুরোধ করেনি’: আরাগচি
  • ইনফোগ্রাফিক: টিবিএস
    নন-বন্ডেড ১,১০০ পোশাক কারখানার কাঁচামাল সংগ্রহ সহজ করতে উদ্যোগ নিচ্ছে এনবিআর
  • ছবি : ডেভিড প্লাংকার্ট/ব্লুমবার্গ
    ইরান সংঘাতের ক্ষত: যেভাবে বদলে যেতে পারে উপসাগরীয় অঞ্চলের ভবিষ্যৎ

Related News

  • কাসু মারজু: বিশ্বের ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক পনির’
  • পোশাকশিল্পের পর বাংলাদেশের পরবর্তী বৈদেশিক আয়ের খাত হতে পারে বৈশ্বিক খেলনা বাজার
  • সন্তানদের জন্য খেলনা কিনবেন কি না
  • এ গ্রামের টমটম চালায় সারাদেশের শিশুরা
  • মোর্শেদ মিশু ও তার দলের ‘ফেলনা খেলনা টেলনা দেয়াল’

Most Read

1
ছবি: টিবিএস
অর্থনীতি

কাল থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং থাকছে না, আগের মতোই মিলবে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেল

2
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

প্রথমবারের মতো ট্রেনে স্টারলিংকের ইন্টারনেট চালু করল বিএসসিএল

3
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

রক্তক্ষরণ নয়, মস্তিষ্কে ইনফেকশন ধরা পড়েছে মির্জা আব্বাসের; বিদেশ নেওয়ার প্রস্তুতি

4
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার জন্য ইরান ‘কখনো অনুরোধ করেনি’: আরাগচি

5
ইনফোগ্রাফিক: টিবিএস
অর্থনীতি

নন-বন্ডেড ১,১০০ পোশাক কারখানার কাঁচামাল সংগ্রহ সহজ করতে উদ্যোগ নিচ্ছে এনবিআর

6
ছবি : ডেভিড প্লাংকার্ট/ব্লুমবার্গ
আন্তর্জাতিক

ইরান সংঘাতের ক্ষত: যেভাবে বদলে যেতে পারে উপসাগরীয় অঞ্চলের ভবিষ্যৎ

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net