Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
April 11, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, APRIL 11, 2026
ডিনার, ডেজার্ট আর সিংহের সঙ্গে সেলফি: চীনের এই রেস্তোরাঁ কি প্রাণী নির্যাতনের চূড়ান্ত উদাহরণ?

আন্তর্জাতিক

এল পাইস
05 December, 2025, 09:45 pm
Last modified: 05 December, 2025, 09:49 pm

Related News

  • ডলারের দাপট কমাতে হরমুজ প্রণালিতে একজোট হয়েছে ইরান ও চীন
  • নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা ও যুদ্ধের খরচ জোগাতে ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন
  • ইরান যুদ্ধ থামাতে পারে কেবল চীন–রাশিয়া–ভারত: মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাক্স
  • এটি চীনের যুদ্ধ নয়, তবে বহু বছর আগেই প্রস্তুত হওয়া শুরু করেছিল বেইজিং
  • সামরিক শক্তি খাটিয়ে হরমুজ খোলার উদ্যোগ নিয়েছিল আরব দেশগুলো; ঠেকিয়ে দিয়েছে রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স

ডিনার, ডেজার্ট আর সিংহের সঙ্গে সেলফি: চীনের এই রেস্তোরাঁ কি প্রাণী নির্যাতনের চূড়ান্ত উদাহরণ?

প্রায় ১৫০ ডলার মূল্য দিয়ে অতিথিরা চার-পদের খাবার উপভোগ করার পাশাপাশি বন্য প্রাণীর সঙ্গে সেলফি তোলার সুযোগ পান।
এল পাইস
05 December, 2025, 09:45 pm
Last modified: 05 December, 2025, 09:49 pm
সিংহশাবক। ছবি: আইস্টক ফটো

কয়েকদিন আগে প্রাণী প্রেমীদের ক্ষোভ ইন্টারনেটে যেন ঝড় তুলেছিল। ঘটনা শুরু হয় তখন, যখন চীনের উত্তরাঞ্চলের শানসি প্রদেশের তাইইউয়ান শহরে অবস্থিত ওয়ানহুই রেস্তোরাঁর কিছু ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে।

ওই ছবিগুলোতে দেখা যায়, রেস্তোরাঁর অতিথিরা খাবার খাচ্ছে এবং সঙ্গে সিংহশাবকদের জড়িয়ে ধরে ছবি তুলছেন। উইচ্যাট এবং ওয়েইবো প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা এসব দৃশ্য দেখে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

প্রায় ১৫০ ডলার মূল্য দিয়ে অতিথিরা চার-পদের খাবার উপভোগ করার পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর সঙ্গে সেলফি তোলার সুযোগ পান। শুধু সিংহশাবকই নয়, কেউ চাইলে ল্যামা, কাছিম বা হরিণের সঙ্গেও ছবি তুলতে পারেন।

রয়টার্স জানিয়েছে, চীনা টিকটকে ডৌইন-এ রেস্তোরাঁটির প্রোফাইলেও এসব প্রাণীর ছবি-ভিডিও দেখা যাচ্ছে।

এই ধরনের বিনোদনের জন্য বন্যপ্রাণী ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

এই ভয়াবহ ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে প্রাণী অধিকার সংগঠনগুলো ও সাধারণ নেটিজেনরা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিরোধী ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। তাদের মতে, এটি ধনী মানুষের জন্য নির্মিত বিনোদনের নামে নির্মমতা ছাড়া আর কিছু নয়।

সংগঠন পেটা-র একজন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রয়টার্সকে বলেন, 'সিংহশাবকদের তাদের মায়ের কাছ থেকে ছিঁনিয়ে এনে অতিথিদের দুপুরের চায়ের টেবিলে আদর-সোহাগের জন্য ব্যবহার করা বিনোদন নয়, বরং শোষণ। এই প্রাণীগুলো খেলনা নয়; তারা জীবন্ত, অনুভূতিসম্পন্ন জীব।'

তিনি আরও বলেন, 'এসব সিংহশাবককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি তোলার রকমারি প্রপস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত অমানবিক।'

জুন মাসে চালু হওয়া ওয়ানহুই রেস্তোরাঁয় প্রতিদিন গড়ে ২০ জন অতিথি এসে খাওয়ার পাশাপাশি সিংহশাবকদের আদর করেন। তারা দাবি করেছে—বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রাণীগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করা হচ্ছে।

মানুষের টাকা দিয়ে প্রাণীর আদর-সোহাগের সুযোগ কেনার এই প্রথা নতুন কিছু নয়। বাণিজ্যিক পরিবেশে প্রাণীর সঙ্গে মানবের মিথস্ক্রিয়া বহু পুরনো একটি ধারণা, যার আধুনিক রূপের শুরু হয়েছিল এশিয়ার দেশগুলোতে, বিশেষত জাপানে।

২০০৪ সাল থেকে সেখানে শুরু হয় নেকো ক্যাফে বা বিড়াল ক্যাফের যুগ—এমন প্রতিষ্ঠান যেখানে অতিথিরা বিড়ালদের আদর করতে পারেন, তাদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন এবং পাশাপাশি এক কাপ চা উপভোগ করতে পারেন।

এই ধারণা দ্রুত সীমান্ত পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে অনেক দেশেই এর স্থানীয় সংস্করণ দেখা যায়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব ক্যাফে পুনর্বাসন ও দত্তক দেওয়ার প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত থাকে—সোজা কথায়, কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং প্রাণী কল্যাণ-কেন্দ্রিক উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালিত হয়।

তবে বন্য প্রাণীকে ব্যবহার করে খাবার বিক্রি করা আর গৃহপালিত প্রাণীর দত্তক প্রক্রিয়া সহজ করার মধ্যে যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে, তা তো পরিষ্কার।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার উদ্দেশ্যে সিংহশাবকদের সঙ্গে আদুরে ছবি তোলা আসলে আমাদের প্রাণীর প্রতি মানবকেন্দ্রিক (অ্যানথ্রোপোসেন্ট্রিক) দৃষ্টিভঙ্গিরই প্রতিফলন।

ভিক্টর আলগ্রা, যিনি একজন ক্লিনিক্যাল ভেটেরিনারিয়ান এবং সাড়ে ১৩ হাজার ফলোয়ারসহ ইনস্টাগ্রামে একটি অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করেন, তিনি এল পাইসকে ফোনে বলেন, 'সব সময় বিষয়টা ভালো হয় না।'

তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি প্রাণীদের সঙ্গে এই ধরনের মিথস্ক্রিয়া তাদের মঙ্গল নয়, বরং কেবল লাভের উদ্দেশ্যে করা হয়—যেমনটা ওয়ানহুই রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে—তাহলে আমাদের খুব সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

ভেটেরিনারিয়ান আলগ্রা প্রথমেই একটি জৈবিক ঝুঁকির দিক তুলে ধরেন: মানুষের মাধ্যমে প্রাণীদের ক্ষতির সম্ভাবনা।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গি সাধারণত মানবকেন্দ্রিক হওয়ায়, "অনেক সময় আমাদের কাছে পুরো পরিস্থিতি বা আসল বিপদের যথেষ্ট তথ্য থাকে না।" তবে তিনি উল্লেখ করেন, 'রিভার্স জুনোসিস' (অর্থাৎ মানুষ থেকে প্রাণীতে সংক্রমণ) বিষয়ে নির্দিষ্ট ও প্রমাণিত তথ্য রয়েছে—বিশেষ করে বন্য প্রাণীদের মধ্যে, আর তার মধ্যে প্রাইমেট (বানর প্রজাতি) সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে।

তার ভাষায়, 'আমরা অনেক সময় ভুলে যাই যে আমরাও প্রাণীদের জন্য সংক্রমণের উৎস হতে পারি।'

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত নথিভুক্ত রিভার্স জুনোসিসের ৬৩ শতাংশ ক্ষেত্রেই গুরুতর বা প্রাণঘাতী উপসর্গ দেখা গেছে। কোনো প্যাথোজেন (রোগজীবাণু) যখন নতুন কোনো প্রজাতিতে প্রবেশ করে, তখন তার পরিণতি কী হবে—তা আমরা জানি না।

তিনি সতর্ক করেন: 'এই বিষয়টি দুইমুখী—আমরা হয়তো প্রাণীকে সাধারণ ঠান্ডা দিতে পারি, কিন্তু প্রাণীর জন্য সেটা শুধু ঠান্ডা নাও হতে পারে, বরং মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।'

প্রাণীর প্রতি অত্যাচার হচ্ছে কি না তা বোঝার জন্য নিজেদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করতে বলেন ভেটেরিনারিয়ান ভিক্টর আলগ্রা, 'আমরা কি তাদের প্রয়োজন পূরণ করছি, না কি আমাদের নিজেদের চাহিদা?'

আলগ্রার ভাষায়, 'এই ধরনের কার্যকলাপ আসলে আমাদের প্রাণীর সঙ্গে যোগাযোগের চাহিদা পূরণের জন্য করা হয়। কিন্তু আমরা কখনও তাদের জিজ্ঞেস করিনি, তারা এতে অংশ নিতে চায় কি না। তারা এখানে আমাদের চাহিদা পূরণের জন্য আসেনি।'

এই কথাগুলো প্রাণীদের প্রতি নৈতিক দায়িত্ববোধ নিয়ে ভাবার সুযোগ তৈরি করে—আমরা কি তাদের সহানুভূতির সঙ্গে দেখছি, নাকি কেবল নিজেদের সুবিধার জন্য ব্যবহার করছি?

আলগ্রা সতর্ক করে বলেন, আমরা প্রাণীদের জন্য যা ভালো ভাবি, তা সব সময় তাদের প্রকৃত চাহিদা নাও হতে পারে। অনেক সময় আমাদের ভুল ব্যাখ্যার কারণে আমরা অপচেষ্টা করে বসি। এই ভুলটি ঘটে মানবকেন্দ্রিক (অ্যানথ্রোপোসেন্ট্রিক) দৃষ্টিভঙ্গির কারণে—যেখানে আমরা ভাবি প্রাণীরাও মানুষের মতো চায় বা অনুভব করে।

তিনি উদাহরণ হিসেবে কুকুরছানার বিষয়ে বলেন। এরা সাধারণত নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতে শেখে, যা ভবিষ্যতে মানুষের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়তে সাহায্য করে।

কিন্তু সেই পরিবেশ যদি ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত না হয়—যেমন কোনো শিশুর অসতর্ক আচরণ, অতিরিক্ত শব্দ বা রুক্ষভাবে কুকুরছানাকে ধরাধরি—তাহলে এর ফল বিপরীত হতে পারে। এতে মানব-প্রাণীর সম্পর্ক গড়ে ওঠার পরিবর্তে ভয় ও ভীতি তৈরি হতে পারে। কারণ, কুকুরছানারা খুব সংবেদনশীল।

বিড়ালদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও জটিল।

তারা নিজেদের এলাকা এবং স্বাধীনতা নিয়ে বেশি সচেতন। সাধারণত বিড়ালই নির্ধারণ করে কখন কার সঙ্গে মিশবে, আর কখন নয়। যদি তাদের জোর করে মানুষের সঙ্গে মিশতে বাধ্য করা হয়, তাহলে তারা চাপে পড়ে, স্ট্রেসে ভোগে।

আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির কথা উল্লেখ করে বলেন, 'আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত মানবকেন্দ্রিক। আমরা নিজেদের অনুভূতির ভিত্তিতে প্রাণীদের চাহিদা নির্ধারণ করি, যা সব সময় সঠিক নয়।'

বন্য প্রাণীদের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার ক্ষেত্রে, ভেটেরিনারিয়ান ভিক্টর আলগ্রা বলেন, 'সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখতে ভালো লাগলেও' এর পেছনে রয়েছে কিছু গুরুতর প্রশ্ন।

তিনি জিজ্ঞেস করেন, 'কেন শাবক? ওদের কি মায়ের কাছ থেকে আলাদা করা হয়েছে? ওরা বড় হলে তখন কী হবে?'

তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই ধরনের প্রাণীরা মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিশে গিয়ে 'ইমপ্রিন্টেড' হয়ে পড়ে—অর্থাৎ মানুষের প্রভাবে তাদের স্বাভাবিক আচরণ পরিবর্তিত হয়, এবং তারা আর কখনও বনে ফিরে যেতে পারে না।

তার মতে, এটা একেবারেই স্বার্থপরতা।

আলগ্রা আরও বলেন, 'বিলাসিতা ও ক্ষমতা' আমাদের মধ্যে এক ধরনের আকাঙ্ক্ষিত চাহিদা তৈরি করে। যখন আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিগুলো শেয়ার করি বা লাইক দিই, তখন আমরা সেই চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে তুলি—যা প্রাণীদের জন্য ভালো নয়।

তিনি আরও বলেন, 'সোশ্যাল মিডিয়ায় মনে হয় কেবল সিংহ ছুঁয়ে থাকা মানুষটাই ভুল করছে। কিন্তু আমরা যারা ছবিগুলো লাইক করি, শেয়ার করি— আমরা সবাই এ সমস্যার অংশ—কারণ আমরা এমন একটি ব্যবসাকে সমর্থন দিচ্ছি, যেখানে প্রাণীদের চাহিদা নয়, বরং আমাদের চাহিদাকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।'

Related Topics

টপ নিউজ

চীন / রেস্তোরাঁ / সিংহশাবক / সেল্ফি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: গ্যালো ইমেজ/অরবিটাল হরাইজন/কোপার্নিকাস সেন্টিনেল।
    তেহরানের ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ‘টোলবুথ’ চিরতরে বদলে দিতে পারে মধ্যপ্রাচ্যকে
  • জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের
    জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের
  • মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি থাকলেও উৎসাহ বোনাস দেওয়ার দাবি এবিবির
    মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি থাকলেও উৎসাহ বোনাস দেওয়ার দাবি এবিবির
  • ফাইল ছবি
    ‘মুক্তিযোদ্ধারা যাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন’ সেই তালিকা থেকে জামায়াতের নাম বাদের দাবি বিরোধীদলীয় নেতার
  • অলংকরণ: টিবিএস
    যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালি পেরোনোর অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ
  • ছবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ (বামে) এবং সেনাবাহিনীর প্রধান আসিম মুনির (ডানে)। ছবি: কিস্তান সরকারের সৌজন্যে
    ইরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে পাকিস্তানকে মধ্যস্থতা করতে চাপ দিয়েছিল হোয়াইট হাউজ

Related News

  • ডলারের দাপট কমাতে হরমুজ প্রণালিতে একজোট হয়েছে ইরান ও চীন
  • নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা ও যুদ্ধের খরচ জোগাতে ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন
  • ইরান যুদ্ধ থামাতে পারে কেবল চীন–রাশিয়া–ভারত: মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাক্স
  • এটি চীনের যুদ্ধ নয়, তবে বহু বছর আগেই প্রস্তুত হওয়া শুরু করেছিল বেইজিং
  • সামরিক শক্তি খাটিয়ে হরমুজ খোলার উদ্যোগ নিয়েছিল আরব দেশগুলো; ঠেকিয়ে দিয়েছে রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স

Most Read

1
ছবি: গ্যালো ইমেজ/অরবিটাল হরাইজন/কোপার্নিকাস সেন্টিনেল।
আন্তর্জাতিক

তেহরানের ৫০০ বিলিয়ন ডলারের ‘টোলবুথ’ চিরতরে বদলে দিতে পারে মধ্যপ্রাচ্যকে

2
জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের
অর্থনীতি

জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ভারতে শোধনের পরিকল্পনা বাংলাদেশের

3
মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি থাকলেও উৎসাহ বোনাস দেওয়ার দাবি এবিবির
অর্থনীতি

মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি থাকলেও উৎসাহ বোনাস দেওয়ার দাবি এবিবির

4
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ

‘মুক্তিযোদ্ধারা যাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন’ সেই তালিকা থেকে জামায়াতের নাম বাদের দাবি বিরোধীদলীয় নেতার

5
অলংকরণ: টিবিএস
বাংলাদেশ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হরমুজ প্রণালি পেরোনোর অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ

6
ছবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ (বামে) এবং সেনাবাহিনীর প্রধান আসিম মুনির (ডানে)। ছবি: কিস্তান সরকারের সৌজন্যে
আন্তর্জাতিক

ইরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে পাকিস্তানকে মধ্যস্থতা করতে চাপ দিয়েছিল হোয়াইট হাউজ

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net