Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
March 15, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, MARCH 15, 2026
জেন জি’রা বই পড়াকে সময়ের অপচয় হিসেবে দেখছে!

আন্তর্জাতিক

দ্য আটলান্টিক
02 December, 2024, 06:55 pm
Last modified: 03 December, 2024, 03:20 pm

Related News

  • গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি রোধে নীতিমালা করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
  • 'জেন জি' নিয়ে দুনিয়াজুড়ে এত আগ্রহের কারণ কী?
  • নেপালের 'জেন জি' ভোটারদের স্বপ্ন এখন এক মিলেনিয়াল র‍্যাপারকে ঘিরে
  • দুর্নীতি, অতিমূল্যায়িত মেগাপ্রকল্প বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় ঋণঝুঁকি বাড়াচ্ছে: গবেষণা
  • নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত? ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়ে সংসদের দরজায় কড়া জেন-জি’র ২৫ প্রার্থীর

জেন জি’রা বই পড়াকে সময়ের অপচয় হিসেবে দেখছে!

আজকের প্রজন্মের পাঠে আগ্রহ নেই। তরুণরা বলছে, এসব বই গুরুত্বপূর্ণ নয়।
দ্য আটলান্টিক
02 December, 2024, 06:55 pm
Last modified: 03 December, 2024, 03:20 pm
ছবি: দ্য আটলান্টিক।

সম্প্রতি গবেষণায় একটি উদ্বেগজনক বিষয় উঠে এসেছে। অনেক শিক্ষার্থীই কলেজে উঠে পুরো বই পড়ে শেষ করার জন্য প্রস্তুত থাকে না। বক্তব্যটি অত্যন্ত ব্যাপক হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩ জন অধ্যাপকের সঙ্গে কথা বলেন প্রবন্ধটির লেখক রোজ হরোভিচ। অধ্যাপকরা প্রত্যেকেই একই কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

তরুণ সমাজের বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বিষয়ক সমালোচনা শতাব্দী ধরে চলে আসছে। তবে গত দশকে তরুণ সমাজের মধ্যে পড়ার আগ্রহের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখা গেছে। বেশিরভাগ অধ্যাপকই জানিয়েছেন, তারা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাহিত্যের প্রতি মনোযোগী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রজন্মগত পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন।

এটি কেন ঘটছে? 

এর বড় কারণ হিসেবে উঠে এসেছে স্মার্টফোন ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব। তাছাড়া অনেক সেকেন্ডারি ও হাই স্কুলগুলোতে পুরো বই খুব কমই পড়ানো হয়। তবে, প্রবন্ধে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দক্ষতাকে নয়, বরং মানসিকতার পরিবর্তনকে দায়ী করছেন রোজ। তিনি তার প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন, আজকের প্রজন্মের পাঠে আগ্রহ নেই। তরুণরা বলছে, এসব বই গুরুত্বপূর্ণ নয়।

লেখক আরও বলেন, "অধ্যাপকরা মনে করেন, তাদের শিক্ষার্থীরা অলস না। তবে তারা হতবাক হয়েছেন, এখনকার কলেজ শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকে ও সবসময় উদ্বিগ্ন থাকে। আর তারা তাদের সময়সূচির বেশিরভাগ ব্যক্তিগত উন্নয়নের চেয়ে ভবিষ্যৎ চাকরির জন্য প্রাসঙ্গিক কাজে ব্যয় করে।"

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি অধ্যাপক জেমস শ্যাপিরো একটি ইমেইলে জানিয়েছেন, "আমি কলেজে সাহিত্য পড়াই। যেসব প্রতিবেদনগুলোতে বলা হচ্ছে, সাহিত্যকর্ম বুঝতে স্নাতকের ছাত্র-ছাত্রীদের সংগ্রাম করতে হচ্ছে, এসব আমার কাছে অনেকটাই বাড়িয়ে বলা বলে মনে হয়। সময়ের সাথে আমি খুব কম পরিবর্তন দেখেছি। বরং বর্তমান ছাত্রদের পাঠের দক্ষতা অনেক বেশি তীক্ষ্ণ। তাছাড়া আমি তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখছি। আমি ভাবতাম আমি এগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জানতাম।"

তিনি আরও বলেন, " নাটক বিষয়ে পড়াতে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগে এবং কবিতা পড়াতে সময় কম লাগে। তবে আমার যে-সব সহকর্মীরা উপন্যাস পড়ান, তারা দেখছেন, ছাত্ররা এ বিষয়ে কম মনোযোগ ধরে রাখতে পারছে। যেমন জর্জ এলিয়টের বিশাল উপন্যাস ড্যানিয়েল ডেরন্ডা বা মিডলমার্চ-এর উপর আগের মতো অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া যায় না। বিষয়টা এমন নয় যে ছাত্ররা বিষয়টিতে অভ্যস্ত নয়, সমস্যা হলো, তাদের সময় এবং মনোযোগের ওপর অনেক চাপ থাকে, যার ফলে তারা সাহিত্যকর্মে পুরোপুরি বা সহজে নিমজ্জিত হতে পারে না।"

১৯৭১ সালে, ৩৭ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রীর কলেজ জীবনের একটি মূল লক্ষ্য ছিল আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়া। ৭৩ শতাংশ বলেছিলেন যে তারা কলেজে ভর্তি হয়েছেন জীবনের একটি অর্থপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশের জন্য। ২০১৫ সালের মধ্যে, এই পরিসংখ্যান প্রায় উল্টে গেছে। ৮২ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী বলছেন, কলেজে ভর্তি হয়ে আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়া তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে ৪৭ শতাংশ ছাত্রছাত্রী বলেছেন, তারা জীবনের একটি অর্থপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশ করতে চান। 

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসিক্সের অধ্যাপক জোসেফ হাউলি বলেন, "শিক্ষক ও অভিভাবকরা মূলত প্রি-প্রফেশনাল কোর্সগুলোর ওপর জোর দিয়েছেন এবং মানবিক পাঠ্যক্রমের ওপর গুরুত্ব কমিয়ে দিয়েছেন। যার কারণে এ পরিস্থিতি একটি উপন্যাস পড়ে ঘণ্টা পার করে দেওয়াকে অযৌক্তিক বলে ধারণা দেয়। 

তবে কিছু দৃষ্টিকোণ থেকে একটি আশাব্যঞ্জক উপসংহার টানা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন রোজ হরোভিচ। তিনি বলেন, আমরা যা মূল্যায়ন করি তা আমরা পরিবর্তন করি। তাই এটি যদি যুক্তিসংগত হয়ে থাকে তাহলে তা আবার সমাজে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তবে এ দায়িত্ব কেবল জেন জি প্রজন্মের নয়। যারা পরিবর্তন নিয়ে উদ্বিগ্ন তাদের সবাইকেই এ পরিবর্তনকে ফিরিয়ে আনতে কাজ করতে হবে।

Related Topics

টপ নিউজ

জেন জি / বইপড়া / আগ্রহী / অপচয় / গবেষণা / বইপড়ার আগ্রহ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • হরমুজ। ছবি: এপি
    ইউয়ানে দাম মেটানো হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন করতে দিতে পারে ইরান
  • বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
    বিশ্বাস করেন সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খালি তদবির: মির্জা ফখরুল
  • ছবি: সংগৃহীত
    ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বে ঢাবি-র একক আধিপত্য, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাদের আক্ষেপ
  • ছবি: সংগৃহীত
    রাজধানীর এভারকেয়ারে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার
  • ছবি: রয়টার্স
    যে ৭ কারণে ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প এখনো জয়ী হতে পারেননি
  • ২০১২ সালের ৫ ডিসেম্বর টোকিওর ইয়োকোহামা বন্দরে একটি এলএনজিবাহী জাহাজ। ছবি: রয়টার্স
    ১২ দিনে জ্বালানি নিয়ে এসেছে ১৬টি জাহাজ, আরও তিনটি আসছে

Related News

  • গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি রোধে নীতিমালা করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
  • 'জেন জি' নিয়ে দুনিয়াজুড়ে এত আগ্রহের কারণ কী?
  • নেপালের 'জেন জি' ভোটারদের স্বপ্ন এখন এক মিলেনিয়াল র‍্যাপারকে ঘিরে
  • দুর্নীতি, অতিমূল্যায়িত মেগাপ্রকল্প বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় ঋণঝুঁকি বাড়াচ্ছে: গবেষণা
  • নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত? ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়ে সংসদের দরজায় কড়া জেন-জি’র ২৫ প্রার্থীর

Most Read

1
হরমুজ। ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

ইউয়ানে দাম মেটানো হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন করতে দিতে পারে ইরান

2
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
বাংলাদেশ

বিশ্বাস করেন সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খালি তদবির: মির্জা ফখরুল

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বে ঢাবি-র একক আধিপত্য, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাদের আক্ষেপ

4
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

রাজধানীর এভারকেয়ারে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার

5
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যে ৭ কারণে ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প এখনো জয়ী হতে পারেননি

6
২০১২ সালের ৫ ডিসেম্বর টোকিওর ইয়োকোহামা বন্দরে একটি এলএনজিবাহী জাহাজ। ছবি: রয়টার্স
বাংলাদেশ

১২ দিনে জ্বালানি নিয়ে এসেছে ১৬টি জাহাজ, আরও তিনটি আসছে

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net