Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
March 15, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, MARCH 15, 2026
ভারতীয় শকুনের সংখ্যা কমে যাওয়া যেভাবে ৫ লাখ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী!

আন্তর্জাতিক

টিবিএস ডেস্ক
26 July, 2024, 05:35 pm
Last modified: 26 July, 2024, 08:09 pm

Related News

  • হিন্দু মন্দিরে ভারতের টি-২০ বিশ্বকাপের ট্রফি নিয়ে যাওয়াকে ঘিরে বিতর্ক
  • ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার নিন্দা না জানানোয় ভারত সরকারকে ‘মেরুদণ্ডহীন, ভীতু’ বললেন অরুন্ধতী
  • রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় পুরোনো দেয়াল ধসে দুই শিশুর মৃত্যু 
  • মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ভারতের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে সরকার  
  • মোংলায় নিজ অস্ত্রের গুলিতে কোস্টগার্ড কর্মকর্তার মৃত্যু

ভারতীয় শকুনের সংখ্যা কমে যাওয়া যেভাবে ৫ লাখ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী!

স্টেট অব ইন্ডিয়া’স এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৬ সালে গবাদি পশুর চিকিৎসায় ডাইক্লোফেনাক ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এর পর থেকে কিছু এলাকায় শকুনের মৃত্যুও কমতে শুরু করে। তবে শকুনের তিনটি প্রজাতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদের জনসংখ্যা ৯১ থেকে ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।
টিবিএস ডেস্ক
26 July, 2024, 05:35 pm
Last modified: 26 July, 2024, 08:09 pm

ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

একসময় ভারতের প্রায় সবখানেই শকুন দেখা যেত। তবে এখন শকুনের সংখ্যা উল্লেখজনকভাবে কম। আর এর কারণ হলো গবাদিপশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত ডাইক্লোফেনাক নামে ব্যথানাশক একটি ওষুধ। সস্তা এ ওষুধটি শকুনের জন্য খুবই মারাত্মক ছিল। যেসব গবাদিপশুকে এ ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল, সেসব পশুর মৃতদেহ খেয়ে বহু শকুনের কিডনি নষ্ট হয়ে যায় এবং এরা মারা যায়। খবর বিবিসির। 

ভারতে যেখানে একসময় ৫০ মিলিয়ন শকুন ছিল, সেখানে ১৯৯০ এর দশকের মাঝামাঝি এ সংখ্যা প্রায় শূন্যে নেমে আসে।

স্টেট অব ইন্ডিয়া'স এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৬ সালে গবাদি পশুর চিকিৎসায় ডাইক্লোফেনাক ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এর পর থেকে কিছু এলাকায় শকুনের মৃত্যুও কমতে শুরু করে। তবে শকুনের তিনটি প্রজাতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদের জনসংখ্যা ৯১ থেকে ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।

তবে এখানেই শেষ নয়। গবেষকরা বলছেন, শকুন কমে যাওয়ার ফলে মানুষের মৃত্যুর হারও বেড়েছে।

আমেরিকান ইকোনমিক অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রকৃতির 'পরিচ্ছন্নতাকর্মী' এসব পাখি কমে যাওয়ায় খুব সহজেই মারাত্মক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটছে। আর এসব ব্যাকটেরিয়ার কারণে পাঁচ বছরে অতিরিক্ত পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

গবেষণার সহলেখক ও ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো'স হ্যারিস স্কুল অব পাবলিক পলিসির সহকারী অধ্যাপক আইয়াল ফ্র্যাঙ্ক বলেছেন, 'আমাদের পরিবেশ থেকে ব্যাকটেরিয়া ও রোগ-জীবাণুযুক্ত মৃত প্রাণীগুলো অপসারণে শকুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এসব পাখি প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে বিবেচিত। এসব পাখি না থাকলে অসুখ ছড়াতে পারে।' 

ছবি: এএফপি

ফ্র্যাঙ্ক ও তার সহলেখক অনন্ত সুদর্শন গবেষণায় ভারতের বিভিন্ন জেলায় মানুষের মৃত্যুর হারের দিকে নজর দেন। তারা এসব জেলায় শকুনের জনসংখ্যা কমার আগে ও পরে মানুষের মৃত্যুর হারের তুলনা করেন।

তারা দেখতে পান, যেসব জেলায় শকুনের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে, সেসব জেলায় মানুষের মৃত্যুর হারও আগের তুলনায় চার শতাংশ বেড়েছে। 

গবেষকরা আরও লক্ষ্য করেন, যেসব শহর এলাকায় মৃত গবাদিপশু ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া হতো, সেসব এলাকায় মানুষের মৃত্যুর হার বেশি। 

গবেষকদের অনুমান- শকুন কমে যাওয়ায় ২০০০ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে প্রতি বছর অতিরিক্ত এক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর এ মৃত্যুগুলো হয়েছিল রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার কারণে। 

উদাহরণস্বরূপ, শকুন কমে যাওয়ায় পথের কুকুরগুলো ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া মৃত পশুগুলো খেত। কিন্তু তারা শকুনের মতো পরিবেশকে জীবাণুমুক্ত করতে পারত না। এসব কুকুর থেকে ব্যাকটেরিয়া কোনোভাবে পানিতে ছড়িয়ে পড়ে। সেই পানি থেকে ছড়িয়ে পড়ে মানুষের শরীরেও। 

ছবি: এএফপি

অনন্ত সুদর্শন বলেন, 'মানুষের বিভিন্ন কার্যকলাপ, শকুনদের বাসস্থান হারানো, বন্যপ্রাণীর ব্যবসা, জলবায়ু পরিবর্তন এসবেরও অনেক প্রভাব রয়েছে পাখিগুলোর ওপর, এমনকি আমাদের নিজেদের ওপরেও।' 

২০০০ সালের গোড়ার দিকে ভারতে তিন প্রজাতির শকুন অর্থাৎ সাদা মাথার শকুন ৯৮ শতাংশ, লাল-মাথার শকুন ৯১ শতাংশ ও ভারতীয় শকুনের সংখ্যা ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।

মানুষের জন্য উপকারী এ পাখিগুলো সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলেও গবেষণায় উল্লেখ করা হয়।


অনুবাদ: রেদওয়ানুল হক

Related Topics

টপ নিউজ

শকুন / ভারত / মৃত্যু / গবেষণা

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • হরমুজ। ছবি: এপি
    ইউয়ানে দাম মেটানো হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন করতে দিতে পারে ইরান
  • বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
    বিশ্বাস করেন সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খালি তদবির: মির্জা ফখরুল
  • ছবি: সংগৃহীত
    ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বে ঢাবি-র একক আধিপত্য, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাদের আক্ষেপ
  • ছবি: সংগৃহীত
    রাজধানীর এভারকেয়ারে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার
  • ছবি: রয়টার্স
    যে ৭ কারণে ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প এখনো জয়ী হতে পারেননি
  • ২০১২ সালের ৫ ডিসেম্বর টোকিওর ইয়োকোহামা বন্দরে একটি এলএনজিবাহী জাহাজ। ছবি: রয়টার্স
    ১২ দিনে জ্বালানি নিয়ে এসেছে ১৬টি জাহাজ, আরও তিনটি আসছে

Related News

  • হিন্দু মন্দিরে ভারতের টি-২০ বিশ্বকাপের ট্রফি নিয়ে যাওয়াকে ঘিরে বিতর্ক
  • ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার নিন্দা না জানানোয় ভারত সরকারকে ‘মেরুদণ্ডহীন, ভীতু’ বললেন অরুন্ধতী
  • রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় পুরোনো দেয়াল ধসে দুই শিশুর মৃত্যু 
  • মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ভারতের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে সরকার  
  • মোংলায় নিজ অস্ত্রের গুলিতে কোস্টগার্ড কর্মকর্তার মৃত্যু

Most Read

1
হরমুজ। ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

ইউয়ানে দাম মেটানো হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন করতে দিতে পারে ইরান

2
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
বাংলাদেশ

বিশ্বাস করেন সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খালি তদবির: মির্জা ফখরুল

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বে ঢাবি-র একক আধিপত্য, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাদের আক্ষেপ

4
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

রাজধানীর এভারকেয়ারে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার

5
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যে ৭ কারণে ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প এখনো জয়ী হতে পারেননি

6
২০১২ সালের ৫ ডিসেম্বর টোকিওর ইয়োকোহামা বন্দরে একটি এলএনজিবাহী জাহাজ। ছবি: রয়টার্স
বাংলাদেশ

১২ দিনে জ্বালানি নিয়ে এসেছে ১৬টি জাহাজ, আরও তিনটি আসছে

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net