Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Thursday
September 24, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
THURSDAY, SEPTEMBER 24, 2026
স্থানীয়দের মালিকানাবোধে যেভাবে নতুন জীবন পেল মহাখালীর অবহেলিত পুকুর

ফিচার

ফয়সাল উদ্দিন সিয়াম
03 August, 2026, 02:15 pm
Last modified: 03 August, 2026, 04:34 pm

Related News

  • ভারী বৃষ্টিতে ডুবল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা, দুর্ভোগে নগরবাসী
  • ২৪ ঘণ্টায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টি, আবারও জলাবদ্ধতা চট্টগ্রামে 
  • বায়ুদূষণে দেশের ছয় শহরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৪২ জনের অকালমৃত্যু হচ্ছে: গবেষণা
  • বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি: পানি নামলেও কাদা ও আবর্জনায় চরম দুর্ভোগ
  • জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক নগর পরিকল্পনার তাগিদ প্রকৌশলীদের

স্থানীয়দের মালিকানাবোধে যেভাবে নতুন জীবন পেল মহাখালীর অবহেলিত পুকুর

এ বছর ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তাগুলো রূপ নিচ্ছে অগভীর খালে, ড্রেন উপচে পড়ছে এবং চারপাশের এলাকাগুলোয় দেখা দিচ্ছে মোটামুটি স্থায়ী জলাবদ্ধতা। এই জলাবদ্ধতা আমাদের বার বার মনে করিয়ে দেয়, শহরটি কীভাবে তার বহু পুকুর ও জলাভূমি হারিয়েছে, যা একসময় বৃষ্টির বাড়তি পানি শুষে নিত।
ফয়সাল উদ্দিন সিয়াম
03 August, 2026, 02:15 pm
Last modified: 03 August, 2026, 04:34 pm
ছবি: সৌজন্যেপ্রাপ্ত

একসময়ের আবর্জনার ভাগাড়, মহাখালীর ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথের (আইপিএইচ) ৭০ বছরের পুরোনো পুকুরটি আজ পরিণত হয়েছে স্থানীয়দের মিলনমেলায়। এ ঘটনা প্রমাণ করে, যেকোনো টেকসইপরিবর্তন নিশ্চিত করতে প্রয়োজন স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ।

এ বছর ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। রাস্তাগুলো রূপ নিচ্ছে অগভীর খালে, ড্রেন উপচে পড়ছে এবং চারপাশের এলাকাগুলোয় দেখা দিচ্ছে মোটামুটি স্থায়ী জলাবদ্ধতা। এই জলাবদ্ধতা আমাদের বার বার মনে করিয়ে দেয়, শহরটি কীভাবে তার বহু পুকুর ও জলাভূমি হারিয়েছে, যা একসময় বৃষ্টির বাড়তি পানি শুষে নিত।

তবে মহাখালীর ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথ (আইপিএইচ) প্রাঙ্গণে ঠিক তেমনই একটি পুকুর স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় আবারও ফিরে পেয়ছে নতুন প্রাণ।

বিকেল চারটার দিকে মুষলধারে এক দফা বৃষ্টির পর পুকুরপাড়ে এসে পৌঁছান তিন তরুণ নগর নকশাবিদ—শুভ, আদিবা ও তাহমিদ। গত এক বছর ধরে তারা যে প্রকল্পটি পুনরুজ্জীবিত করার কাজ করেছেন, সেটি এক নজর ঘুরে দেখতেই আসেন তারা। অবহেলায় ধ্বংসের মুখে পড়া ৭০ বছরের পুরোনো সেই পুকুরটি এখন এক প্রাণবন্ত জলাশয়ে রূপ নিয়েছে।

প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে গেলেও তারা নিয়মিতই ফিরে আসেন নিজেদের হাতে গড়া বাগান দেখতে। শুভ হেসে চারপাশের বেড়ার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, "দেখুন, অপরাজিতা লতাগুলো কত দূর পর্যন্ত বেয়ে উঠেছে!"

কাছেই দেখা যায় ওয়াটারএইড-এর একদল কর্মকর্তা এলাকাটি পরিদর্শন করছেন। বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডেন দূতাবাসের অর্থায়নে সংস্থাটি পুকুর পুনরুজ্জীবনের এই উদ্যোগ শুরু করেছিল। শহরের অজস্র জলাধারের ভিড়ে ১.২ একরের এই পুকুরটি ঠিক কী কারণে এতটা অনন্য হয়ে উঠল, তারা এখন সেটিই খতিয়ে দেখছেন।

বিকেলের রোদ পড়ে এলে ভিড় বাড়তে থাকে মানুষের। হাঁটার পথজুড়ে জমে ওঠে নারী ও শিশুদের উপস্থিতি; গল্প-আড্ডায় কাটতে থাকে মায়াবী সন্ধ্যা।

আইপিএইচ কর্মীদের টিনের ঘর, একটি মেস এবং কাছেই সাততলা বস্তি এ সবকিছুর মাঝখানে পুকুরটির অবস্থান। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানের কাজের পাশাপাশি আশপাশের হাজারো মানুষ প্রতিদিনের গৃহস্থালি কাজে এটি ব্যবহার করতেন। তবে সময়ের সাথে সাথে এটি ভয়াবহভাবে দূষিত হয়ে পড়ে এবং মহাখালী বাজার ও চারপাশের বাড়িঘরের ময়লা ফেলার ভাগাড়ে পরিণত হয়।

প্রকল্পের প্রধান নকশাবিদ শুভ বলেন, "দূষণের কারণে পুকুরের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয়ে যায়, কচুরিপানায় ছেয়ে যায় পুরো পুকুর। পানির মান ও পাড়ের পরিবেশ নষ্ট হতে থাকায় স্থানীয় মানুষও একসময় এটির প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।"

স্থানীয়রা জানান, এর আগেও বেশ কয়েকটি সংস্থা পুকুরটি পরিষ্কার ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিল; কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি, দিনশেষে সেই ময়লা-আবর্জনার নিচেই তলিয়ে থাকত পুকুরটি।

শহরের প্রাণকেন্দ্রে এক অবহেলিত পুকুর

মহাখালীতে আইপিএইচ প্রতিষ্ঠার বহু আগে থেকেই এই নিচু এলাকাটি ছিল এক বিশাল জলাভূমির অংশ। ১৯৫৩ সালে যখন প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে, মূলত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পানির প্রয়োজনীয়তা মেটাতেই এখানে পুকুরটি খনন করা হয়েছিল।

আইপিএইচ-এর ল্যাব সহকারী মো. কামাল হোসেন স্মৃতিচারণ করে বলেন, "সেই সময় এই প্রতিষ্ঠানে টিটেনাসের ইনজেকশন ও খাওয়ার স্যালাইন তৈরি হতো। স্যালাইনের জন্য যে ডিস্টিল্ড ওয়াটার প্রয়োজন, সেটাও আমরাই তৈরি করতাম; আর সেজন্য ছিল একটা ডিস্টিল্ড ওয়াটার প্ল্যান্ট। ওষুধ তৈরির সময় যদি কখনো আগুন লেগে যায়, তবে আগুন নেভানোর পানি জোগাতে এই পুকুরটি খোঁড়া হয়েছিল।"

প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন বাড়ার সাথে সাথে পুকুরটির পরিধিও বাড়ে। দুস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের (ডিএসকে) কমিউনিটি অর্গানাইজার মো. নাজিম উদ্দিনের শৈশব কেটেছে এই এলাকাতেই। তিনি জানান, একসময় গুটিবসন্তের টিকা তৈরির কাজের জন্য পাশে পশু লালন-পালন করা হতো। সেসময় এসব প্রাণীর গোসল ও পানির চাহিদা মেটাতে পুকুরটি আরও বড় করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের বয়লার চালনোর কাজেও এই পুকুরের পানি ব্যবহৃত হতো।

নতুন করে সংস্কারের ভাবনা

অবহেলিত এই পুকুরটিকে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে যখন ওয়াটারএইড কাজ শুরু করে, তখন তরুণ পেশাজীবীদের জন্য একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল শহরের একটি জলাভূমিকে কীভাবে নতুন প্রাণ দেওয়া যায়, তা নিয়ে ভাবা।

কেবল একটি প্রথাগত পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়, তার চেয়েও বড় কিছু চাওয়া হয়েছিল এই প্রতিযোগিতায়। এতে এমন সব প্রস্তাব আহ্বান করা হয়, যেখানে জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনা, স্থানীয়দের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, নারী ও সব শ্রেণির মানুষের উপযোগী নকশা তৈরি এবং অন্যান্য নগরেও এই সফল মডেলটি ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকে।

প্রায় ৪০টি প্রস্তাবের মধ্য থেকে বিজয়ী হয় 'টিম ওয়াটার-ইয়ার্ড'। পাঁচ সদস্যের এই দলে ছিলেন বুয়েটের স্থাপত্যের শিক্ষার্থী শহীদুজ্জামান শুভ ও আদিবা জামান, এমআইএসটির তাহমিদ রানা খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী নাহিদুজ্জামান স্বাধীন এবং বুয়েটের পানিসম্পদ কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী হিমেল মৌলিক।

'টিম ওয়াটার-ইয়ার্ড' হিসেবে অংশ নিয়ে এই পাঁচ সদস্যের দলটি জয়ী হয়, কারণ তাদের মূল প্রস্তাবই ছিল পুকুররের সঙ্গে স্থানীয় মানুষের সংযোগকে আবারও নতুন করে ফিরিয়ে আনা।

নকশা আঁকার আগেই তাদের দল পুকুর এবং এর চারপাশের মানুষকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করে।

আদিবা বলেন, "আপনি কচুরিপানা পরিষ্কারের পেছনে অর্থ ঢালবেন, আর কিছুদিন পর সেগুলো আবার ফিরে আসবে। এটি পরিষ্কারের জন্য আগেও অনেক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তারা পরিষ্কার করত, আর কিছুদিন পর তা আবার আগের মতোই নোংরা হয়ে যেত।"

ব্যাপারটি কেবল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মধ্যেই ছিল না, মূল সমস্যা ছিল দায়বদ্ধতার অভাব।

যেসব ছোট ছোট জায়গা মানুষের সুন্দর মুহূর্ত কাটানোর স্থান হতে পারত, সেগুলোই পরিণত হয়েছিল আবর্জনার ভাগাড়ে কারণ, স্থানগুলোকে অন্যভাবে ব্যবহার করার বা যত্ন নেওয়ার কোনো কারণ কেউ কখনো খুঁজে পায়নি।

এই চিন্তা থেকেই শুভ নিয়ে আসেন 'ওয়াটার ইয়ার্ড'-এর ধারণা।

এই ভাবনাটি দক্ষিণ এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী 'উঠান'-এর ধারণা থেকে নেওয়া, যেখানে একটি যৌথ প্রাঙ্গণ পুরো দৈনন্দিন জীবনকে একসূত্রে বেঁধে রাখে। পুকুরটিকে আলাদা কিছু হিসেবে না দেখে, এটি স্থানীয় মানুষের প্রতিদিনের জীবনযাপনের অংশ করে তোলাই ছিল এর লক্ষ্য।

এর মাধ্যমে একসময়ের আবর্জনার জায়গাগুলো হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত আঙিনা, আর পুকুরটি কোনো সীমানা না হয়ে পরিণত হবে সবার এক যৌথ উঠানে।

তাহমিদ বলেন, "সেখানে এক ধরনের স্বাভাবিক নিয়ম গড়ে উঠেছিল, যেভাবে মানুষ নিজেদের মতো করে একটি স্থান তৈরি করে নেয়। জায়গাটি হয়তো সাজানো-গোছানো ছিল না, সেখানে ময়লা-আবর্জনাও ছিল; তবুও তারা নিজেদের মতো করেই এটি ব্যবহার করতে চাইত।" 

তার মতে, এই স্বাভাবিক প্রবণতা একদম মুছে ফেলা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না, বরং এটিকে একটি সুন্দর ও কাঠামোগত রূপ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তারা এটি করেছিল।

পরিকল্পনায় পুকুরের চারপাশকে কয়েকটি পৃথক অংশে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিশুদের খেলাধুলা ও মাছ ধরার জন্য একটি ডেক, পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের এলাকা, প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রেখে গড়ে তোলা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা এবং উঁচু হাঁটার পথ বা ওয়াকওয়ের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত একাধিক সাধারণ ডেক।

এই স্থানগুলোকে ঘিরে ধাপে ধাপে একটি পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়। প্রথম ধাপ ছিল বিদ্যমানজীববৈচিত্র্য রক্ষা করা। এর পরের ধাপ ছিল নদীর তীরবর্তী ও জলাভূমির উপযোগী দেশীয় উদ্ভিদের পুনঃপ্রবর্তন করা। আর চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল পুকুরটিকে কেন্দ্র করে একটি পূর্ণাঙ্গ ও বহুমুখী বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলা।

স্থানীয়দের নেতৃত্বে পুনরুজ্জীবন

শুভ বলেন, "নকশা তৈরি করা ছিল কাজের কেবল অর্ধেক অংশ। আসল কঠিন কাজ ছিল পুকুরপাড়ে বসবাসকারী মানুষের আস্থা অর্জন করা।"

পুকুরটির পুনরুজ্জীবনের কাজ বাস্তবায়িত হয় তিনটি ধাপে; পুকুর সংস্কার, স্থানীয়দের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলের নকশা ও বিন্যাস নির্ধারণ এবং দীর্ঘমেয়াদে তা টিকিয়ে রাখার মতো একটি স্থায়ী ব্যবস্থা তৈরি।

এ লক্ষ্যে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও দুস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে) স্থানীয় অধিবাসীদের সরাসরি যুক্ত করতে শুভ এবং তার দলের সাথে যৌথভাবে কাজ করে। তারা স্থানীয়দের নিয়ে একাধিক সভা করেন, তাদের মতামত ও সমস্যার কথা শেনেন এবং একটি কমিউনিটি ভিত্তিক দল গঠন করেন, যেন এলাকার বাসিন্দারা কেবল নিষ্ক্রিয় সুবিধাভোগী না হয়ে প্রকল্পে প্রাতিষ্ঠানিক ও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন।

শুভ আরও বলেন, "ডিজাইন বা নকশার কথা কেবল তাদের জানিয়ে দেওয়াই হয়নি। বসার ডেকগুলো কোথায় বসবে, তারা কী ধরনের গাছ লাগাতে চান এবং গাছ লাগানো ও তার যত্ন কারা নেবেন–এসব সিদ্ধান্তও তারা নিজেরাই নিয়েছেন।"

পুরো কাজটি প্রাকৃতিকভাবেই করা হয়েছে। শুভ বলেন, "আমরা কোনো রাসায়নিক উপায়ে সংস্কার করতে চাইনি। এর বদলে আমরা 'ফ্লোটিং ট্রিটমেন্ট ওয়েটল্যান্ড' বা ভাসমান প্রাকৃতিক শোধন ব্যবস্থা ব্যবহার করেছি, যা প্রাকৃতিক উপায়ে পানির মান ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। কেবল ময়লা পরিষ্কার করা এক জিনিস, কিন্তু সেটি দিয়ে আসল পুনরুজ্জীবন বোঝায় না। আপনি যদি শুধু ময়লা সরিয়ে নেন, কিছুদিন পর সেখানে আবার ময়লা জমা হবে।"

পানির স্বাভাবিক শোধন প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য তারা স্পাইডার প্ল্যান্ট, কচু এবং কলাবতী গাছের মতো উদ্ভিদ রোপণ করেন। অন্যদিকে বসার ডেক এবং ঘাটগুলো তৈরি করা হয় স্থানীয় উপকরণ দিয়ে।

কাঠামোগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন পুকুরের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় থাকে, যার মধ্যে কয়েকটি যৌথ বসার ডেক এবং কয়েকটি ছিল কাছের ঘর বাড়িগুলোর লাগোয়া। এছাড়া প্রকল্পের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় গাছপালা লাগানোর জন্য একটি আলাদা অঞ্চলও নির্ধারণকরা হয়।

আইপিএইচ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পর নকশাটি বাস্তবায়িত হতে শুরু করে। সচেতনতামূলক বোর্ড বসানো হয় এবং পুরো এলাকা এমনভাবে পরিষ্কার করা হয়, যেন কয়েক মাস পর পর নতুন করে পরিষ্কার করার প্রয়োজন না পড়ে বরং সবসময় পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকে।

নিরাপত্তার বিষয়টিও সংস্কার কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। নাজিম জানান, অতীতে এই পুকুরে ডুবে দুইজন শিশু মারা গিয়েছিল; তাই চারপাশের জায়গা উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও এখানে সাঁতার কাটা ও মাছধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পুকুরটি এখন স্থানীয়দের

টিম ওয়াটার-ইয়ার্ড-এর জন্য সবচেয়ে অর্থবহ পরিবর্তনটি এসেছে মানুষের চিন্তাভাবনা ও কথাবার্তায়। আগে স্থানীয় বাসিন্দারা এটিকে কেবল 'আইপিএইচ-এর পুকুর' বলে ডাকতেন, যে নামের মাঝে মালিকানা একটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই আটকে ছিল, সাধারণ মানুষের কাছে নয়। তবে সেই মানসিকতা এখন বদলাতে শুরু করেছে।

এখন বিদ্যুৎ চলে গেলে আশপাশের মানুষজন পুকুরপাড়েই এসে বসেন। এক বাসিন্দা জানান, আগে কাদা আর ময়লার কারণে যেখানে আসাই যেত না, এখন সেটি বসে সময় কাটানোর মতো দারুণ এক মনোরম স্থান হয়ে উঠেছে।

শুভ উল্লেখ করেন, "আগের সব প্রকল্পের মূল ব্যর্থতাই ছিল এটি, যা আমরা এড়াতে চেয়েছিলাম। ঢাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযানের কোনো অভাব নেই; কিন্তু সেগুলোর একটিও দীর্ঘস্থায়ী হয় না। কারণ, যাদের ঘর এই জলাধারের পাশে পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে তাদের কখনোই অংশীদার করা হয়নি। যেকোনো প্রকল্পই বাস্তবায়ন করতে হবে স্থানীয় মানুষকে ক্ষমতায়ন করার ভাবনার ওপর ভিত্তি করে। তা না হলে এটি পরিবেশের সাথে বেমানান হয়ে পড়বে এবং কোনোভাবেই টিকবে না।"


ছবি: সৌজন্যেপ্রাপ্ত 
 

Related Topics

টপ নিউজ

জলাবদ্ধতা / পুকুর সংস্কার / জলাশয় / পরিবেশ দূষণ / পরিবেশ সংরক্ষণ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    সরকারের ঋণের চাহিদা বাড়ায় দীর্ঘমেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদ ফের ঊর্ধ্বমুখী
  • ছবি: সংগৃহীত
    বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষা ছাড়াই ৮,৫৪২ কর্মী নিয়োগ: এস আলমের আমলে ইসলামী ব্যাংকের অনিয়ম উঠে এল বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন তদন্তে
  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লগো। ছবি: সংগৃহীত
    সরকারি হাসপাতালের ১ কিমির মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয়, প্র্যাকটিস করতে পারবেন না সরকারি চিকিৎসক
  • পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ফাইল ছবি: ইউএনবি
    বিপুল ব্যবহারকারীর কারণে ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
  • ফাইল ছবি: টিবিএস
    ভস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে টাকায় বৈদেশিক লেনদেন নিষ্পত্তির অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

Related News

  • ভারী বৃষ্টিতে ডুবল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা, দুর্ভোগে নগরবাসী
  • ২৪ ঘণ্টায় ১৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টি, আবারও জলাবদ্ধতা চট্টগ্রামে 
  • বায়ুদূষণে দেশের ছয় শহরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৪২ জনের অকালমৃত্যু হচ্ছে: গবেষণা
  • বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি: পানি নামলেও কাদা ও আবর্জনায় চরম দুর্ভোগ
  • জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক নগর পরিকল্পনার তাগিদ প্রকৌশলীদের

Most Read

1
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
বাংলাদেশ

সরকারের ঋণের চাহিদা বাড়ায় দীর্ঘমেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদ ফের ঊর্ধ্বমুখী

2
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

বাস-মিনিবাসের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

3
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
বাংলাদেশ

বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষা ছাড়াই ৮,৫৪২ কর্মী নিয়োগ: এস আলমের আমলে ইসলামী ব্যাংকের অনিয়ম উঠে এল বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন তদন্তে

4
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লগো। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

সরকারি হাসপাতালের ১ কিমির মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয়, প্র্যাকটিস করতে পারবেন না সরকারি চিকিৎসক

5
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ফাইল ছবি: ইউএনবি
বাংলাদেশ

বিপুল ব্যবহারকারীর কারণে ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

6
ফাইল ছবি: টিবিএস
অর্থনীতি

ভস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে টাকায় বৈদেশিক লেনদেন নিষ্পত্তির অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net