১০০ টাকায় ঢাকার ফুটপাতে কোরিয়ান খাবারের স্বাদ
মতিঝিলের ব্যস্ত অফিসপাড়ায় দুপুর হলেই যেন খাবারের মেলা বসে। বাহারি স্ট্রিট ফুড আর কর্মজীবীদের ভিড়ে জমজমাট হয়ে ওঠে ফুটপাতগুলো। কোথাও বড় ডেকচিতে ধোঁয়া ওঠা তেহারি, কোথাও বা ঝাল-মসলায় কষানো ফ্রাইড রাইস আর চিকেনের রাজত্ব। স্বাস্থ্যকর নয় বলে দুর্নাম রটলেও খাবারের কাটতি কিন্তু বেশ! ব্যস্ততার ফাঁকে অনেকেই দামি রেস্টুরেন্ট বা হোটেল এড়িয়ে ঝটপট খাওয়া সেরে নেন এখানেই। এতে সময় যেমন বাঁচে, তেমনি খরচও থাকে হাতের নাগালে।
তবে এই চেনা স্বাদ আর চিরচেনা তেল-মশলার মাঝে ইদানিং এক নতুন খাবার টেনে নিচ্ছে ভোজন রসিকদের। ফুটপাতের একটি দোকান নিজেদের মেন্যু সাজিয়েছে কোরিয়ান খাবার দিয়ে! আর তাতেই গতানুগতিক ঝাল-তেলের খাবারের বদলে এখন ভোজন রসিকদের প্লেটে দেখা মিলছে রঙিন কিমচি রাইস কিংবা রকমারি সবজিতে সাজানো বিবিমবাপ। মানে সোজা, মতিঝিলের ফুটপাতে মিলছে কোরিয়ান স্বাদ! রসিক খাইয়েদের ভিড়ও তাই দেখবার মতো।
আগ্রহ থাকবেই বা না কেন? এই কোরিয়ান ফুডকার্টে খাবারের দাম শুরু মাত্র ১০০ টাকা থেকে! তাছাড়া আভিজাত্য আর সস্তা স্ট্রিট ফুডের এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটেছে এই ছোট্ট দোকানটিতে। কারণ, সৌদি আরবের অথেনটিক কোরিয়ান রেস্টুরেন্টে কাজের অভিজ্ঞতা এসে মিশেছে মতিঝিলের ফুটপাতে!
ফুটপাতে কোরিয়ান খাবার
মতিঝিল মেট্রো থেকে নেমে দিলকুশার দিকে কিছুটা হাঁটতে হবে। সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের ঠিক সামনের ফুটপাতে পাওয়া যাবে বেশ কিছু চায়ের দোকান। সকাল গড়িয়ে ঘড়িতে যখন ১২টা, তখনই দেখা মিলবে একটি বিশেষ ফুডকার্টের। নাম 'সুরা কোরিয়ান ফুড'। এখানেই সাড়ে ১২টা থেকে পাওয়া যায় বেশ কয়েক রকমের কোরিয়ান খাবার। জনপ্রিয়তা এতই বেশি যে সাড়ে তিনটার মধ্যেই শেষ হয়ে যায় সবগুলো আইটেম!
দোকানে দুটি অংশে চলে খাবার তৈরির কাজ। একপাশে কোরিয়ান খাবারের আয়োজন, অন্যপাশে চিকেন ফ্রাই। যতক্ষণে রান্না হচ্ছে, একটু একটু করে ভিড় বাড়তে থাকে দোকানে। দাঁড়িয়ে সরাসরি রান্না দেখেন ক্রেতারা। তৈরি হলেই গরম গরম পরিবেশন করা হয়। দুপুর গড়াতেই ভিড় বেড়ে যায় আরও।
মূল খোদ্দের অফিসপাড়ার লোকেরা। তবে কোরিয়ান সংস্কৃতির প্রভাব যখন বাড়ছে, তখন অনেকেই এই খাবারের স্বাদ নিতে ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজির হন মতিঝিলে। এদের মধ্যে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া তরুণ-তরুণীদের সংখ্যা লক্ষ্য করার মতো। বছরখানেক আগে নেওয়া এই উদ্যোগ দারুণ সাড়া ফেলেছে এলাকায়। ফুড ভ্লগারদের কল্যাণে অনলাইনেও নাম করেছে বেশ। ফলে নতুন ধরণের খাবারের স্বাদ খোঁজেন যারা, তারা আজকাল ঢুঁ মারছেন এখানে।
সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের একদল শিক্ষার্থী এসেছেন কোরিয়ান খাবার খেতে। শুধু এই দোকানের কথা ভেবেই তাদের পুরান ঢাকা থেকে মতিঝিল আসা। তাদের একজন জানালেন, "অনলাইনে অনেক রিভিউ দেখেছি। ভাবলাম একবার ট্রাই করেই দেখি। খাবার খেয়ে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো লেগেছে।"
ফ্রাইড রাইস আর চিকেন মতিঝিলের স্ট্রিট ফুড আইটেমের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়, কারণ অল্প টাকায় লাঞ্চ বা সন্ধ্যার নাস্তা হয়ে যায়। তবে এই দোকানে বিদেশি খাবারের আয়োজন একে আলাদা করেছে অন্যদের থেকে। দোকানের পাশে দাঁড়ালে খাবারের ঘ্রাণ বাড়িয়ে দেয় ক্ষুধা!
পূবালী ব্যাংকের কর্মকর্তা হাসিবুল সোহেল মাঝেমধ্যেই লাঞ্চ সেরে নেন এখানে। তিনি জানালেন, খাবার নিয়ে সন্তুষ্ট তিনি। অন্য ফ্রাইড রাইস খেলে যে অস্বস্তি হয়, কোরিয়ান এই খাবারে সেটা হয় না তার। বললেন, "আমার কাছে তো অনেক টেস্টি লাগে। বেশ কিছু সবজি থাকে। শরীরের জন্যও ভালো মনে হয়।"
ব্যতিক্রমী আয়োজনে ফুড ব্লগারদের প্রিয় জায়গা হয়ে উঠেছে দোকানটি। অনেকেই এখনাকার খাবার চেখে দেখছেন, রিভিউ দিচ্ছেন অনলাইনে। ফুড ব্লগার মীর রায়হান মাসুদ সম্প্রতি গিয়েছিলেন দোকানটিতে। তিনি মতিঝিলের স্ট্রিট ফুডে এই নতুনত্ব বেশ ইতিবাচক ভাবেই দেখছেন। বললেন, "অন্যান্য দোকানের খাবারের চেয়ে আলাদা ধরনের উপস্থাপনা এখানে। বিটরুটের সালাদ দেয়া হয়, সব মিলিয়েই এই আইডিয়াটা ইউনিক। আসল বিবিমবাপ এর মতো একদম হুবহু হয়তো হবে না, তবু তারা যেই চেষ্টা করেছেন, এটা ব্রিলিয়ান্ট।"
দোকানের উদ্যোক্তারা জানালেন, শুরুটা খুব একটা সহজ ছিল না। নতুন ধরনের খাবার বলে প্রথমে অনেকে দ্বিধায় ছিলেন। তবে ধীরে ধীরে মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে এর জনপ্রিয়তা। বছর গড়াতেই এখন ব্যস্ততা বেড়েছে অনেকগুণ।
গল্পটা পারিবারিক উদ্যোগের
পড়াশোনা শেষ করে এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ছোট একটি খাবারের দোকান দিয়েছিলেন আলাউদ্দিন আল মামুন। কিন্তু করোনার ধাক্কায় সেই যাত্রায় সাফল্যের মুখ দেখা হয়নি। পরে জীবিকার তাগিদে 'জাইকা' কোম্পানিতে কিছুদিন চাকরি করেন। তবে মন টেকেনি সেখানে। নতুন কিছু শেখার আগ্রহ আর ভিন্ন স্বাদের খোঁজ তাকে আবারও টেনে নেয় অন্য পথে। বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে পাড়ি জমান সৌদি আরবে, একটি কোরিয়ান রেস্তোরাঁয় কাজ করতে। সেখান থেকেই শুরু তার কোরিয়ান রান্না শেখার যাত্রা।
"আমার বন্ধু আর আমি একটা ফাইন ডাইনিংয়ে চাকরি নিই সৌদিতে। নাম হচ্ছে 'সুরা কোরিয়ান ফাইন ডাইনিং'। ওটা একটা ফাইভ স্টার রেস্টুরেন্ট, সৌদিতে অনেকগুলো ব্রাঞ্চ আছে। ওখানে কোরিয়ান রান্না করতেন এক্সিকিউটিভ শেফ ড্যানি। তার কাছেই আমি রান্নাটা শিখি", নিজের অভিজ্ঞতার গল্প শোনালেন মামুন।
আরও বললেন, "কাজে দক্ষতা দেখে কোম্পানি কিছুদিন পরেই আমাকে ফ্লোর ইনচার্জ বানায়। তখন পুরো রেস্টুরেন্ট দেখাশোনা করতাম। এরপর পারিবারিক কারণে হঠাৎ দেশে চলে আসতে হলো। দেশে এসে কিছুদিন বেকার ছিলাম। তারপর চিন্তা শুরু করলাম যে ব্যতিক্রম কী করা যায় বাংলাদেশে। তখনই এই ফুডকার্ট দেয়ার কথা ভাবি।"
নিজের দুলাভাই আর পরিবারের কয়েকজন সদস্য মিলে মতিঝিলে এই ফুডকার্ট চালু করেন প্রায় বছরখানেক আগে। মামুন নিজে প্রধান শেফ হিসেবে কাজ করেন। তাকে সাহায্য করেন অন্যরা।
আরেক উদ্যোক্তা আফজালুল লতিফ খান জানালেন, তিনিও একটি বড় কোম্পানিতে চাকরি করতেন। পরে চাকরি ছেড়ে শ্যালককে সঙ্গে নিয়ে ফুডকার্ট শুরু করেন।
বললেন, "প্রথমে আমাদের একটু হোঁচট খাইতে হয়েছে। তবে এখন আলহামদুলিল্লাহ ভালোই জনপ্রিয় হয়েছি। আমাদের কিছু আনকমন খাবার এখানে আছে, যা অথেন্টিক কোরিয়া রেস্টুরেন্ট ছাড়া কোনো জায়গায় পাবেন না। যেটার কারণে আমাদের মোটামুটিভাবে মানুষের কাছে পরিচিতি বেশি। আমাদের দোকানে ৮ জন মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।"
যেসব খাবার পাওয়া যায়
'সুরা' ফুডকার্টে সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবারের একটি বিবিমবাপ। দাম ২০০ টাকা। এটি কোরিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় এবং ঐতিহ্যবাহী একটি খাবার। কোরিয়ান ভাষায় 'বিবিম' (Bibim) শব্দের অর্থ 'মেশানো' আর 'বাপ' (Bap) মানে 'ভাত'। অর্থাৎ, বিবিমবাপ হলো মিশ্রিত ভাত। বিভিন্ন ধরনের সবজি, আমিষ আর মসলাদার সসের সঙ্গে ভাত মিলিয়ে তৈরি হয় এই স্বাদের খাবার।
মামুন জানালেন, তাদের বিবিমবাপের চাল আসে ভিয়েতনাম থেকে। প্লেটের একদম নিচে থাকে গরম ভাত। তার ওপর স্তরে স্তরে থাকে হালকা ভাজা কিংবা সিদ্ধ সবজি—গাজর, বাঁধাকপি, শসা, কখনও পালং শাক। মাঝখানে জায়গা করে নেয় একটি আধা-ভাজা ডিম, যার কুসুম খানিকটা নরম রাখা হয়। আর থাকে এই খাবারের প্রাণ, ঝাল-মিষ্টি স্বাদের 'গোচুজং' সস। পাশে পরিবেশন করা হয় টক-ঝাল কিমচি আর বিটরুট।
প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ প্লেট বিবিমবাপ বিক্রি হয় এই ফুডকার্টে। ঐতিহ্যগতভাবে এই খাবারে গরুর মাংস ব্যবহার করা হলেও, এখানে সবার পছন্দ আর সাধ্যের কথা ভেবে ব্যবহার করা হচ্ছে ক্রিস্পি চিকেন ফ্রাই।
এখানে আরও পাওয়া যায় কোরিয়ান 'কার্তুকি রাইস'। 'কার্তুকি' মূলত রেডিস, আপেল বা রসুন দিয়ে তৈরি এক ধরনের ফারমেন্টেড উপাদান, যার স্বাদে থাকে টক আর ঝালের মিশেল। চমকপ্রদ স্বাদের জন্য ক্রেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তাও পেয়েছে এটি।
চিকেনপ্রেমীদের জন্য রয়েছে 'ইয়াম ইয়াম চিকেন', যেটি অনেকেই হানি চিকেন নামেই চেনেন। মিষ্টি-ঝাল সসে মাখানো এই চিকেনের বাইরের স্তরটা ক্রিস্পি, ভেতরটা নরম। যারা একটু বেশি ঝাল পছন্দ করেন তাদের জন্য আছে বেশ লোভনীয় চিলি চিকেন! ফ্রাইড রাইস সহযোগে পাওয়া যায় মাত্র ১৫০ টাকায়।
মামুন জানালেন, মাত্র ১০০ টাকাতে শুরু তাদের ফ্রাইড রাইস আর চিকেন ফ্রাইয়ের কম্বো। সঙ্গে থাকে কোরিয়ান স্টাইলে তৈরি কয়েক ধরনের সালাদ ও সবজি। তার মতে, কম দামে পেট ভরানোর পাশাপাশি ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা নেয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে সুরা কোরিয়ান ফুড।
শ্যামলি থেকে এসেছিলেন দুই ইউটিউবার বন্ধু। খাবার খাচ্ছিলেন তারা। তাদের একজন রাজু আহমেদ। শহরের বিভিন্ন জায়গায় খাবার খান তারা। এই দোকানটি কেন বিশেষ জানতে চাইলে রাজু জানালেন, খাবার তৈরি থেকে পরিবেশন পুরো প্রক্রিয়াটাই অনেক স্বাস্থ্যকর মনে হয়েছে তাদের।
আরও বললেন, "এখানে খাবার অনেক অথেন্টিক। ওরা হাইজিন মেইনটেইন করে। দ্বিতীয়ত, কোয়ালিটিটা আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। ওইরকম বাসি না, পচা না। অন্য জায়গায় দেখা যাচ্ছে কি রাইসটা ভালো হয় না। রাইস থেকে গন্ধ আসে, রাইসটা কম হয় বা সব মিলায়ে আমার কাছে ভালো লাগে।"
স্বাদ আর মানের নিশ্চয়তা
সুরা ফুডকার্টের প্রধান শেফ আলাউদ্দিন আল মামুন জানালেন, খাবারের মানের সঙ্গে তারা কোনোভাবেই আপস করেন না। ভালো স্বাদের মূল রহস্য হিসেবে তিনি জোর দিলেন কাঁচামালের ওপর। প্রতিদিনই উন্নত মানের উপকরণ সংগ্রহ করে রান্না করা হয়, আর পুরো প্রক্রিয়াটিই হয় কঠোর পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে।
তার ভাষায়, "খাবার ভালো করতে হলে প্রথমেই উপকরণ ভালো হতে হবে, এই জায়গাটায় আমরা কোনো ছাড় দেই না। উন্নত মানের সস সংগ্রহ করি। চাল আসে ভিয়েতনাম থেকে।"
ঢাকার কোরিয়ান রেস্টুরেন্টগুলোর সঙ্গে এই ছোট্ট ফুডকার্টের পার্থক্য নিয়েও খোলামেলা কথা বললেন তিনি। "রেস্টুরেন্টে গেলে আরাম করে বসবেন, নানা আইটেম পাবেন, কিন্তু বিল উঠবে চার-পাঁচ হাজার টাকা। আর আমাদের এখানে খাবেন, কিন্তু বিল থাকবে তিন-চারশো টাকার মধ্যেই।"
আইটেম কম হলেও স্বাদের ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি নেই বলেই দাবি তার। "আমার মাত্র চারটা আইটেম, কিন্তু আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, আসল টেস্টের দিক দিয়ে আপনারা পিছিয়ে থাকবেন না। আমি চ্যালেঞ্জ করতে পারি, বাংলাদেশে যত কোরিয়ান রেস্টুরেন্ট আছে, তাদের সঙ্গে তুলনা করলে আমার খাবারের স্বাদে কোনো কমতি পাবেন না। বিশেষ করে আমাদের স্টিকি রাইস, একদম ১০০% অথেনটিক, এখানে কোনো ধরনের কারচুপি নেই," বললেন মামুন।
এখানে খাবারের দাম তুলনামূলক কম। স্ট্রিট ফুড হওয়ায় তাদের দোকানের জন্য আলাদা ভাড়া গুনতে হয় না, ফলে খরচ অনেকটাই কমে যায়। সেই সাশ্রয়টাই তারা গ্রাহকদের দিকে ফিরিয়ে দেন। "আমরা খুব সীমিত লাভ রেখে চেষ্টা করি ভালো খাবার দিতে," বললেন মামুন।
ফুডকার্টটির আরেকটি বিশেষ দিক হলো, এখানে সবকিছু 'লাইভ কুক' করা হয়। আগে থেকে তৈরি কোনো খাবার রাখা হয় না। ক্রেতা সামনে দাঁড়িয়ে থাকলেই অর্ডার অনুযায়ী রান্না শুরু হয়, আর পরিবেশন করা হয় একদম গরম গরম। পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলার দিকেও রয়েছে শতভাগ মনোযোগ।
ভবিষ্যতে রেস্টুরেন্ট করার পরিকল্পনা আছে কি না, এই প্রশ্নে আফজালুল লতিফ খান বলেন, "আল্লাহ যদি সামর্থ্য দেন, তাহলে অবশ্যই রেস্টুরেন্ট করার ইচ্ছা আছে। আপাতত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, দেখা যাক সামনে কী হয়।"
সে সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের হাতেই ছেড়ে দেয়া যাক। আপাতত ছোট এই ফুডকার্টেই অল্প খরচে কোরিয়ান খাবারের স্বাদ পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ, এ-ই বা মন্দ কী!
ছবি: জুনায়েত রাসেল/টিবিএস