জহুরা মার্কেট থেকে জহুরা স্কয়ার: ঢাকার বিবর্তনের গল্প বলা এক স্থাপনা
১৯৬৯ সালে যখন তিন চন্দ্রবিজয়ী—নীল আর্মস্ট্রং, এডউইন ইউজিন বাজ অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্স—ঢাকা সফরে আসেন, তখন সারা শহরে পড়ে যায় তুমুল হৈচৈ। তাদের একনজর দেখতে মানুষ ভিড় জমায় শহরের বিভিন্ন উঁচু ভবন ও দালানে। সেই ভিড়ের কেন্দ্রগুলোর একটি ছিল জহুরা মার্কেট।
শুধু নভোচারীদের এক ঝলক দেখার জন্য সেদিন সেখানে জড়ো হয়েছিলেন শত শত মানুষ। নিউমার্কেট ও সাকুরা মার্কেটের মতোই ষাটের দশকে ঢাকাবাসীর কাছে পরিচিত নাম ছিল 'জহুরা মার্কেট' বা 'জহুরা ম্যানশন'।
বাংলামোটর মোড়ে অবস্থিত আজকের 'জহুরা স্কয়ার'—অনেকে হয়তো এখন আর নামটি চিনে উঠতে পারেন না। তবে প্রায় তিন দশকের বেশি সময় ধরে এটি ছিল ঢাকাবাসীর কাছে সুপরিচিত এক স্থান। তখন একে সবাই চিনত 'জহুরা মার্কেট' বা 'জহুরা ম্যানশন' নামেই।
জহুরা ছিলেন তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী হাজী আব্দুর সাত্তারের স্ত্রী। ষাটের দশকের উল্লেখযোগ্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম, মূলত ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। সে সময় ঢাকার বহু সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা তার তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়। এর মধ্যে পুরান ঢাকার বিভিন্ন স্থাপনা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রীন সুপার মার্কেট এবং সাকুরা মার্কেট উল্লেখযোগ্য।
তবে জহুরা মার্কেট ছিল তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মিত একটি স্থাপনা। পরিবারের সদস্যদের মতে, ১৯৬৭-৬৮ সালের দিকে তিনি মার্কেটের জন্য জায়গাটি কেনেন। লেখক ও অনুবাদক মাহমুদ রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, জায়গাটি কেনার আগে সেখানে ছিল বানরের খামার—সম্ভবত বিদেশে পাঠানোর জন্য এসব বানর লালন করা হতো। আশপাশে ছিল কিছু বিরাণ জমি, পাশে ডোবা এবং দক্ষিণদিকে একটি কাঠের স'মিল (বর্তমান পিজি হাসপাতালের স্থানে)।
সেই সময় ঢাকার এই অংশে সম্প্রসারণ শুরু হয়েছিল মাত্র। ঠিক তখনই আব্দুর সাত্তার গড়ে তোলেন জহুরা মার্কেট।
গবেষক আফসান চৌধুরী বলেন, "তখন মানুষ বাজার করতে যেত পুরান ঢাকায়। নিউমার্কেট ও জহুরা মার্কেট হওয়ার পর এদিকের বাসিন্দাদের কিছুটা সুবিধা হলো। বিশেষ করে লোকাল মার্কেট হিসেবে জহুরা মার্কেট একাই সবার চাহিদা মেটাতে শুরু করে। জামাকাপড় ছাড়া প্রায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় জিনিসই এখানে পাওয়া যেত।"
'ভিআইপি জেনারেল স্টোর'
তিনতলা মার্কেটের একদম নিচতলায় ছিল ট্রাভেল এজেন্সির একটি দোকান, ফোন-ফ্যাক্সের দোকান। হাজী আজিজ সাহেবের 'সওদাগর এজেন্সি' নামে বিখ্যাত মোজাইক ও মার্বেলের দোকানটিও ছিল নিচতলাতেই। এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম মোজাইক আমদানিকারকের দোকান। তখন মোজাইক ছিল আভিজাত্যের প্রতীক। বাংলাদেশ হওয়ার পরই এটি চালু হয়।
নিচতলায় দোকান ছিল প্রায় ১৫-২০টির মতো। সিঙ্গার কোম্পানির প্রথম আউটলেটটি ছিল এখানেই, আর তার বিপরীতে ছিল জনতা ব্যাংক।
আজকের এগোরা, স্বপ্ন, মীনা বাজারের মতো জহুরা মার্কেটে তখন ছিল 'ভিআইপি জেনারেল স্টোর'। তবে সেখানে কাঁচা মাছ-মাংস পাওয়া যেত না। যারা তখন এ মার্কেটে আসা-যাওয়া করতেন, তাদের সবার কাছেই এটি ছিল এক বিশেষ আকর্ষণ। অন্যান্য জায়গায় যা পাওয়া যেত না, তার অনেক কিছুই এখানে মিলত। সেই সঙ্গে পাওয়া যেত 'ভিআইপি' জিনিসপত্রও। স্বাভাবিকভাবেই এর ক্রেতা ছিলেন ঢাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। বিশেষ করে বিদেশিদের কাছে এটি ছিল বেশ জনপ্রিয়।
ম্যানশনের উত্তর পাশে বড় খালের নিচে একটু দূরে ছিল 'দারুল কাবাব'। সেখানে সাধারণ মানুষের আনাগোনা ছিল না; নামি-দামি মানুষেরাই খেতে আসতেন। এটি ছিল মারোয়ারিদের দোকান।
এন্টিক জিনিসপত্রের খোঁজ মিলত 'শেলী গিফট কর্নার'-এ। জনপ্রিয় ছিল 'গিল্ডার্স ড্রাই ক্লিনার্স'—এটি ছিল এখনকার ব্যান্ডবক্সের মতো অটোমেটেড ড্রাই ক্লিনার্স। জহুরা স্কয়ারের একটু দূরে যে ইউসুফ বেকারিটি এখন দেখা যায়, সেটি তখন মার্কেটের সঙ্গেই ছিল। ছিল 'বেকারি ইস্ট'। এছাড়া ছিল জুতোর দোকান, রেলওয়ে ট্র্যাকার পার্সের দোকান, ফার্মেসির দোকান। 'ইউনাইটেড ড্রাগ স্টোর্স' ছিল সবার চেনা। 'রুমা' নামে একটি ফার্মেসিও ছিল। বলা হয়, ঢাকার প্রথম 'চব্বিশ ঘণ্টা খোলা' ফার্মেসি ছিল এই রুমা ফার্মেসি।
ভবনটির নকশা ছিল আলাদা
চারদিকে মার্কেটের মূল ভবন, মাঝের অংশটি ফাঁকা আর উপরে খোলা ছাদ। নিচতলার এই খোলা জায়গাটি ব্যবহার করা হতো গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য। শুধু নিচতলাতেই প্রায় ৫০–৬০টি গাড়ি রাখা যেত।
সেই ফাঁকা স্থানে ল্যাম্পপোস্টের নিচে বসে আশেপাশের এলাকার ছেলে, যুবক ও বৃদ্ধরা আড্ডা দিতেন। পাশে ছিল একটি ফুচকার দোকান। চেয়ার-টুল নিয়ে বসে পড়তেন ফুচকা খেতে।
ছোটবেলা থেকেই জামিল উদ্দীনের জহুরা ম্যানশনে নিত্য আসা। তার জন্ম, বেড়ে ওঠা সব এখানেই। তিনি জানান, "হাজী আব্দুর সাত্তার সম্পর্কে আমার চাচা হন। তাই জহুরা কে মার্কেট মনে হত না, বরং মনে হতো আমাদেরই জায়গা। এই ফাঁকা জায়গাতেই আমরা আড্ডা মারতাম, ফুটবল খেলতাম। আর বৃষ্টি নামলে তো কথাই নেই।"
"ষাটের দশকের শেষভাগ তখন। পাকিস্তানি সৈন্যরা খেতে অসতো মার্কেটের ভেতরে 'নিউ আমিন' হোটেলে। আমরা খেলতে যেতাম, আমাদের দেখে তারা 'এ বাবু ইধার আও ইধার আও' বলে ডাকত," যোগ করেন তিনি।
আশির দশকের দিকে মার্কেটের দোতালায় কিছু মেডিক্যাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ফিজিওথেরাপি সেন্টার গড়ে ওঠে। এর মধ্যে শামসুল আলম চৌধুরীর ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীনের একটি ফিজিওথেরাপি সেন্টার অন্যতম। ছিল মুসলিম সুইটসের দোকান। টাইলসের মার্কেট হয়েছে আশির দশকের শেষদিকে। পরীবাগের রাস্তাটি তখনো হয়নি; রাস্তা ছিল একটিই—আজকের কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ।
জনপ্রিয় ছিল ডাক্তারদের চেম্বারের জন্য
মার্কেট পরিচয়ের বাইরেও এটি জনপ্রিয় ছিল ডাক্তারদের চেম্বারের জন্য। তিনতলা এই মার্কেটের দোতালায় ছিল শহরের তৎকালীন বিখ্যাত সব বড় বড় ডাক্তারদের চেম্বার। এদের মধ্যে ডা. প্রাণগোপাল দত্ত, ডা. মুজিবল হক, অধ্যাপক ডা. নিউরোসার্জন রশীদউদ্দীন আহমেদ, চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এন হুদা, নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ ডা. মানসচন্দ্র চক্রবর্তীদের চেম্বার ছিল এখানে। তখন এসব ডাক্তারদের সিরিয়াল পেতেও অপেক্ষা করতে হতো প্রায় এক মাস।
চেম্বারের পাশাপাশি দোতালায় কিছু দোকানও ছিল। এর মধ্যে রপ্তানিমুখী একটি দোকান ছিল—যারা কক্সবাজার থেকে বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ (জেলিফিশ, স্কুইড) এনে তাইওয়ান ও হংকংয়ে রপ্তানি করত। তবে তা খুব বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। পাশেই ছিল নামি-দামি পাথরের দোকান, যেখানে দেশি-বিদেশি নানারকম পাথর পাওয়া যেত। সেখানে বসতেন তৎকালীন নামকরা জ্যোতিষীরা।
গবেষক আফসান চৌধুরী জানান, "আমার কত বন্ধুই প্রেমে ব্যর্থ হয়ে বা প্রেমিকাকে পাওয়ার জন্য এসব জ্যোতিষীদের কাছে যেত!"
একেবারে তিনতলায় ছিল মেস বা আবাসিক থাকার ব্যবস্থা। এফডিসির অনেক শিল্পী এখানে থাকতেন। বাংলাদেশ বিমানের (অভ্যন্তরীণ রুট) একজন পাইলটও সেখানে থাকতেন বলে জানান স্থানীয়রা।
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপে (প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর) ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজের জন্য স্বেচ্ছাসেবক পাঠাত 'সার্ভিস সিভিল ইন্টারন্যাশনাল' নামের একটি সংগঠন। যার পূর্ব পাকিস্তান শাখা ছিল জহুরা মার্কেটে, আর প্রধান শাখা ছিল ইউরোপে।
ঢাকার শাখায় কাজ করতেন তখনকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। বিদেশি স্বেচ্ছাসেবকরাও কখনও কখনও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজ করতেন। তারা মূলত এ অঞ্চলের নানা দুর্যোগ নিয়ে কাজ করতেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ১৯৭০ সালে সিরাজগঞ্জসহ আশেপাশের এলাকায় বন্যা এবং একই বছর ভোলার ঘূর্ণিঝড়। সে সময় এ সংগঠন থেকে কয়েকবার ত্রাণ পাঠানো হয়। যেসব স্বেচ্ছাসেবক সেখানে গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে মাহমুদ রহমান ছিলেন অন্যতম।
মাহমুদ রহমান বলেন, "কীভাবে আমি সেই অফিসের সন্ধান পেয়েছিলাম তা মনে নেই। তবে ১৯৬৯ সালের শেষ দিকে বা ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে একদিন সেখানে গিয়ে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে আলাপ জমে যায়। তখন আমি নটর ডেম কলেজের ছাত্র ছিলাম, এবং প্রায় প্রতিদিন বিকেলে ক্লাস শেষে সেখানে যেতাম—পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত সময় কাটাতাম। লোকজনের আসা-যাওয়ার মধ্যে নিচের রেস্টুরেন্ট থেকে বারবার চা আসত। জীবনে এত চা কখনো খাইনি আমি।"
এখানে 'প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন' (পিএলও)-এর আঞ্চলিক অফিসও ছিল।
রাতে তারা ব্যাডমিন্টন খেলতেন, মঞ্চ নাটক করতেন
ঢাকার শুরুর দিকের বহুতল মার্কেটগুলোর মধ্যে এটি ছিল অন্যতম। সাধারণ মানুষ থেকে তারকা—সব শ্রেণির মানুষেরই আসা-যাওয়া ছিল এখানে। আসতেন আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর মতো জ্ঞানী-গুণীরাও।
হোসেইন মাহমুদ রাসেল তখন সদ্য স্নাতক পাস করে নিজের ব্যবসা শুরু করেছেন। জহুরা মার্কেটের দোতালাতেই ছোট্ট পরিসরে ছিল তার অফিসঘর। তিনি সামুদ্রিক মাছ রপ্তানির ব্যবসা করতেন।
রাসেল বলেন, "যতদূর মনে পড়ে, আশির দশকের মাঝামাঝি এই ভবনে অনেক ম্যাগাজিন ও সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রধান কার্যালয় বা ব্যুরো অফিস ছিল। খুব বড় মাপের পত্রিকা না, তবে মোটামুটি চলে—এমন কয়েকটি পত্রিকার অফিস ছিল। ফলে গণমাধ্যমকর্মীদেরও আসা-যাওয়া ছিল। বিশেষ করে সত্তর ও আশির দশকে অনেক প্রগতিশীল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এখানে যাতায়াত ছিল।"
তিনি বলেন, "বিভিন্ন সামাজিক ও আঞ্চলিক সমিতির কার্যালয়ও ছিল। 'বাকেরগঞ্জ জেলা সমিতি'র মতো সংগঠনের শুরুর দিকের সভা ও কার্যক্রম এখানে অনুষ্ঠিত হতো। স্বাধীনতার পর বিদেশ যাওয়ার জন্য বিভিন্ন পেশার প্রশিক্ষণের একমাত্র জায়গা ছিল এই জহুরা ম্যানশন। এছাড়া বাংলামোটর আন্দোলনের কেন্দ্র হওয়ায়, জহুরা ম্যানশন অনেক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছে।"
কাঁঠালবাগান এলাকার আরেক বাসিন্দা শাকিল উদ্দিন খান। নব্বইয়ের দশকে তিনি পান্থকুঞ্জে খেলতে যাওয়ার সময় জহুরা মার্কেটের ভেতর দিয়ে বাংলামোটরে ঢুকতেন। পাশেই ছিল ইউসুফ বেকারি। বেকারির ঢাল বেয়ে উঠে পান্থকুঞ্জে খেলতে যেতেন। তখন বাংলামোটরের প্রধান রাস্তা ছিল একটিই, আর মহল্লার ভেতরে যাওয়ার জন্য ছিল আরেকটি গেট। রাতে তারা এখানে ব্যাডমিন্টন খেলতেন, প্রতি শীতে এলাকাভিত্তিক মঞ্চ নাটক করতেন। তখন রাত এগারোটা-বারোটা পর্যন্ত চেম্বার খোলা থাকত, সেই সঙ্গে মার্কেটও।
শাকিল জানান, তখন পান্থপথ ছিল ডোবা—পানিতে ভরা বিশ্রী অবস্থা। পান্থপথ নামে কোনো রাস্তাই ছিল না। খোদেজা খাতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ছিল তখন মসজিদটির (বায়তুল মোবারক মসজিদ) বিপরীতে, মাঝখানে আর কিছুই ছিল না। রাস্তা হয়েছিল এরশাদের সময়। ভিআইপি রোড হওয়ার পর দ্রুত গতিতে এই দিকের রাস্তা তৈরি হয়।
হাজী আব্দুর সাত্তারের মৃত্যুর পর তার ছেলেমেয়েরা মার্কেটটি ডেভেলপারের কাছে দিয়ে দেন। কাজ শুরু হয় ২০১০-১১ সালে। তিনতলা জহুরা ম্যানশন ভেঙে সেখানে নির্মিত হয় নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ১৪তলা বাণিজ্যিক ভবন 'নাভানা জহুরা স্কয়ার', যা পুরোপুরি হস্তান্তরিত হয় ২০১৬ সালে।
১৪তলা এই ভবনের নিচতলাসহ তিনতলা পর্যন্ত রয়েছে প্রায় ৫০-৬০টির মতো মার্বেল, সিরামিকস ও কিচেন সামগ্রীর দোকান। তিনতলার ওপর থেকে একেবারে ১৪তলা পর্যন্ত ভবনের একপাশে রয়েছে বিভিন্ন কর্পোরেট অফিস—যেখানে দ্য রিপোর্ট-এর মতো পত্রিকা অফিস থেকে শুরু করে জীবন বীমা অফিস, স্টারটেক (ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও গ্যাজেটের অফিস) সহ আরও ২৩টি অফিস রয়েছে। আরেক পাশে রয়েছে আবাসিক ফ্ল্যাট (৩৫টি)। হাজী আব্দুস সাত্তারের তৃতীয় প্রজন্ম বর্তমানে এর দেখাশোনা করছেন।
