Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
March 15, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, MARCH 15, 2026
কেন্দ্র বা আসনে নির্বাচন বন্ধ: কখন, কেন এবং কীভাবে করে নির্বাচন কমিশন?

BBC

মরিয়ম সুলতানা - বিবিসি নিউজ বাংলা
11 February, 2026, 02:40 pm
Last modified: 11 February, 2026, 02:41 pm

Related News

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আইএমএফ প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ  
  • পাঁচ মাসে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় নিহত ১২, আহত ২৬৫৩: এইচআরএসএস
  • নেপালের অনূঢ়া, রবি, বালেন শাহদের উত্থানের ধারায় বাংলাদেশ শামিল হতে পারলো না কেন?
  • নেপাল নির্বাচন: 'র‍্যাপার' বালেন শাহর দল আরএসপি ৪৫ আসনে এগিয়ে
  • নেপালের 'জেন জি' ভোটারদের স্বপ্ন এখন এক মিলেনিয়াল র‍্যাপারকে ঘিরে

কেন্দ্র বা আসনে নির্বাচন বন্ধ: কখন, কেন এবং কীভাবে করে নির্বাচন কমিশন?

মরিয়ম সুলতানা - বিবিসি নিউজ বাংলা
11 February, 2026, 02:40 pm
Last modified: 11 February, 2026, 02:41 pm
বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন ভবন | Copyright: BBC/MUKIMULA AHSAN

জাতীয় সংসদের ভোটের দিন ঘনিয়ে আসছে। এর মাঝেই হঠাৎ যদি ঘোষণা আসে যে, আপনার আসনে ভোট হচ্ছে না, তাহলে আপনি অবাক হবেন না? স্বাভাবিকভাবেই আপনার মনে প্রশ্ন জাগবে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে কি না?

বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে ভোটগ্রহণ স্থগিত বা বাতিল হওয়ার নজির বহুবার দেখা গেছে। বিভিন্ন সময়ে সহিংসতা, কারচুপি কিংবা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠলে নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট আসন বা কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ করেছে।

যেমন, সম্প্রতি সীমানা জটিলতায় আদালতের আদেশে পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করেছিলো ইসি। পরে যদিও আপিল বিভাগ সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেয়।

এখন প্রশ্ন হলো, ঠিক কোন কোন পরিস্থিতিতে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন?

আইনে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট বন্ধের বিষয়টি রয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিও'র ৯১ এর 'ক' ধারায়। বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে, তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।

এরপর বিভিন্ন সময়ে নানা পরিবর্তন আনা হয়েছে এ আইনটিতে। সবশেষ ২০২৫ সালের আটই ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) বেশ কয়েকটি অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার।

এর আগে, ২০২৩ সালে আরপিও সংশোধন করেছিলো আওয়ামী লীগ সরকার। তখন আইন করা হয়েছিলো, নির্বাচনে কোনো ভোটকেন্দ্রে বড় ধরনের অনিয়ম, কারসাজি ও ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার প্রমাণ পেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সেই কেন্দ্রের ভোট বা ফল বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবে। কিন্তু পুরো আসনের ভোট বাতিল করতে পারবে না।

সংশোধিত আইনে তখন বলা হয়, 'বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, চাপ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন কারণে নির্বাচন কমিশন যদি ভোট পরিচালনা করতে না পারে, তাহলে ভোটকেন্দ্র বা ক্ষেত্রমতে সম্পূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় 'ভোটগ্রহণের' যে কোনো পর্যায়ে নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবে ইসি'।

নির্বাচন মানে তফসিল থেকে ভোট পর্যন্ত সময়। আর ভোটগ্রহণ মানে শুধু ভোটের দিন। অর্থাৎ, শুধুমাত্র নির্বাচনের দিন ভোট চলাকালীন সময়ে ভোটগ্রহণ বন্ধ করতে পারবে ইসি। নির্বাচনের দিনের আগে গোলযোগ পরিস্থিতি হলেও ভোটগ্রহণ বন্ধের সুযোগ আর থাকে না।

সেই সংশোধনীর আগে 'ভোটগ্রহণের' জায়গায় শব্দটি ছিল 'নির্বাচন'। অর্থাৎ, অনিয়ম বা বিভিন্ন অনিয়মের প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে যে তারা আইনানুগ নির্বাচন করতে সক্ষম হবে না, তাহলে নির্বাচনের যেকোনো পর্যায়ে ভোট বন্ধ করার ক্ষমতা তাদের ছিল।

কিন্তু ৯১ নম্বর ধারার সর্বশেষ সংশোধনীতে অনিয়মের জন্য কেন্দ্রের ভোট বাতিলের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে পুরো নির্বাচনি এলাকার ফল বাতিলের ক্ষমতা ফের ইসিকে দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ২০২৫ সালে আইনে যে পরিবর্তনটা এসেছে, তার অর্থ হলো, "তফসিল ঘোষণার পরে গেজেট প্রকাশের আগ পর্যন্ত, ইলেকশন ডেসহ ইলেকশন কমিশন যে কোনও অবস্থায়, যেকোনও পরিস্থিতিতে ইলেকশন বন্ধ করতে পারবে। যেমন, প্রচারণার আগেই সহিংসতা শুরু হলো, অথবা অনিয়ম শুরু হয়ে গেল; তখন," বিবিসি বাংলাকে ব্যাখ্যা করছিলেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ আব্দুল আলীম।

তার মতে, ২০২৩ সালের সংশোধনীতে নির্বাচন কমিশনের "হাত পা বেঁধে দেওয়া হয়েছিলো।"

ভোট 'বাতিল', 'স্থগিত' বা পুনঃভোট ‒ কখন?

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৫ সালের সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী। কিন্তু সেখানে কোন কোন পরিস্থিতিতে ভোট বাতিল করতে পারবে ইসি?

এ বিষয়ে সাবেক নির্বাচন কমিশনার জেসমিন টুলি বিবিসি বাংলাকে বলেন, একটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার চাইলে সেই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করতে পারেন। মানে, বাতিল।

"এমন ঘটনা ঘটলো, যখন নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না, কেন্দ্র প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত হয়ে গেছে... যেমন, ব্যালট পেপারে সিল দেওয়া হয়েছে বা পেপারসহ ব্যালট বক্স ছিনতাই হয়ে গেছে... তখন সে কেন্দ্র বন্ধ করতে পারে," তিনি ব্যাখ্যা করেন।

কিন্তু এই ধরনের ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরও যদি প্রিজাইডিং অফিসার কেন্দ্র বন্ধ না করেন এবং ততক্ষণে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত চলে আসে, তখন নির্বাচন কমিশন ওই কেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতা রাখে। নির্বাচন কমিশন তখন রিটার্নিং অফিসারকে কেন্দ্র বন্ধ করার নির্দেশ দেবে।

আর একটা নির্বাচনী এলাকার মাঝে যদি নির্বাচনের নিরপেক্ষতা হারানোর মতো কোনো ঘটনা ঘটে এবং সিসি ক্যামেরা বা নিজস্ব কোনো সোর্স থেকে যদি কমিশন তার প্রমাণ পায়, তাহলে পুরো একটি আসনের ভোটগ্রহণও বন্ধ তথা বাতিল করতে পারবে ইসি।

তবে পুরো আসনের ভোট বন্ধ করতে হলে কমিশনকে তদন্ত করে সত্যতা নিশ্চিত করতে হবে," উল্লেখ করে জেসমিন টুলি আরও বলেন, "অধিকাংশে কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে হবে... তবে দুইটা-তিনটা কেন্দ্রেও যদি হয়, তাহলেও ফলাফলের মোড় ঘুরে যায়।"

বা, যদি এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যখন ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নাই, তাহলেও পুরো আসনের ভোট বন্ধ করতে পারে কমিশন।

আবার, "এরকমও হতে পারে যে, কোনো রিটার্নিং অফিসার তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে, পক্ষপাতিত্ব করছে; তখন কমিশন ওই অফিসারকে সরিয়ে দিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ ঠিক করে নির্বাচনটাকে চালানো সম্ভব হয় কিনা, সেই চেষ্টা করতে পারে...," যোগ করেন তিনি।

সাধারণত নির্বাচনের আগের পরিবেশ থেকেও কোনো আসনে নির্বাচন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন। জেসমিন টুলির মতে, আগেই বোঝা যায় যে নির্বাচন কেমন হবে।

"কারণ একেকটি এলাকায় একেক জন প্রার্থীর ভোট ব্যাংক থাকে। কোন গ্রামে কার জনপ্রিয়তা বেশি, তা সবাই জানে। তখন প্রতিপক্ষ এটিকে বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন গুজব রটায়, ককটেল ফুটায়, আতঙ্ক ছড়ায়। এই ধরনের পরিস্থিতিতে কমিশন ভোট বন্ধ করতে পারে।"

এছাড়া, যদি চলমান অস্থিরতার জন্য 'সাময়িক সময়ের জন্য' ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হয়, সেটিকে বলা হয় ভোটগ্রহণ স্থগিত। উদাহরণস্বরূপ, ভোট চলার সময় হঠাৎ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলো। ভোটের লাইনে হাতাহাতি-মারামারি হয় বা ভোটকেন্দ্রের বাইরে ককটেল ফুটছে, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। কিন্তু ব্যালট পেপার, ব্যালট বক্স সব রক্ষিত আছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

এমন পরিস্থিতিতে ভোটের পরিবেশ নিরাপদ করতে প্রিজাইডিং অফিসার সাময়িক সময়ের জন্য ভোট বন্ধ রাখেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু করেন।

নির্বাচন বন্ধের ঘটনাপ্রবাহ

অতীতে পুনঃনির্বাচনের ঘটনা ঘটেছে। ২০২২ সালে গাইবান্ধা-৫ আসনে উপ-নির্বাচনের সময় বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটের অনিয়মের ছবি দেখে পুরো উপনির্বাচন বাতিল করে দেয় কমিশন এবং পরবর্তীতে নতুন করে (৪ জানুয়ারি, ২০২৩) সেখানে ভোট আয়োজন করা হয়।

কিন্তু সেই নির্বাচন বন্ধ করার পর আওয়ামী লীগ নেতাদের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন এবং সেবছরই পুরো আসনের ভোট বাতিলে ইসির ক্ষমতা কমানো হয়।

আব্দুল আলীম বলছিলেন, একটি পুরো আসনের ভোট বন্ধের ঘটনা সেবারই প্রথম ঘটে বাংলাদেশের ইতিহাসে। এর আগে একাধিক কেন্দ্র বন্ধের ঘটনা ঘটেছিলো শুধু।

তবে আরেকটি ঘটনা ঘটেছিলো, কিন্তু সেটি সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে নয়। ২০০২ সালে ভোলার দৌলতখান পৌরসভা নির্বাচনের সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে একটি উড়োচিঠি আসে যে সেখানে প্রায় সব প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছে।

চিঠিতে অভিযোগ ছিল, টাকা ও অস্ত্র দিয়ে অনেককে নির্বাচন থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। সিইসি ওই চিঠি পেয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেন এবং দেখা যায় যে অভিযোগ সত্য। তখন তিনি পুরো পৌরসভা নির্বাচন বাতিল করে দেন, বলছিলেন আব্দুল আলীম।

এদিকে, আরপিওর ওই ধারা সংশোধনের পর ২০২৩ সালের নভেম্বরে লক্ষ্মীপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুটি আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের পরদিন ওই দুটি আসনের তিনটি কেন্দ্রের অনিয়মের ছবি প্রকাশ পায় গণমাধ্যমে। পরে ফলাফল স্থগিত করে তদন্তের নির্দেশ দেয় কমিশন। অনিয়মের প্রমাণ মিললে শুধু তিনটি কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল করা হয়।

যদিও শেষ পর্যন্ত ঐ কেন্দ্রগুলোর ভোট বাদেই দুটি আসনেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীর অনেক বেশি ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে ইসি।

BBC

সিসি ক্যামেরায় কারচুপির ছবি দেখে গাইবান্ধার উপনির্বাচন বন্ধ করেছিল ইসি (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশে এর আগে একবার পুরো সংসদ নির্বাচনই বন্ধ করা হয়েছিলো।

২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবর ছিল তৎকালীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদের শেষদিন। সংবিধান অনুযায়ী তখন দায়িত্ব নেওয়ার কথা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের, যার অধীনে ২০০৭ সালের ২২শে জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু নির্দলীয় তত্ত্বাধায়ক সরকার কাদের নিয়ে গঠিত হবে, সে বিষয়টির সুরাহা না হওয়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মাঝে সংঘাত শুরু হয়। তখন দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়।

"জরুরি অবস্থা জারি করা মানে সাংবিধানিক সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত করতে হয়। ওই বিধি অনুযায়ী-ই তখন নির্বাচন স্থগিত হয়। নির্বাচন কমিশন বন্ধ করেনি," বলেন আব্দুল আলীম।

সেই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মাঝে ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি সেনাসমর্থিত একটি নতুন ধরনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়, যা 'ওয়ান-ইলেভেন' সরকার নামে পরিচিত।

ওই সময়ের কথা উল্লেখ করে জেসমিন টুলি বলেন, "তখন গেজেট করে নির্বাচন বাতিল করা হয়েছিলো। তখন তফসিল হয়ে গেছিলো। ভোটগ্রহণের দিন ঠিক হয়ে গেছিলো।"

তিনি বলেন, "ভোটার তালিকা নিয়ে একটি প্রশ্ন দেখা দিয়েছিলো। অভিযোগ ওঠে, দেড় কোটির মতো ভুয়া ভোটার আছে। তারপরই বায়োমেট্রিক নিয়ে ভোটার তালিকা শুরু হলো।"

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভোটের সময় সহসা আসন বন্ধ না হলেও নির্বাচনি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা খুবই "কমন" উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু কোনো কেন্দ্র বন্ধ হয় নাই...এরকম ঘটনা বলতে গেলে নাই। উপনির্বাচনেও অনেকসময় কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়।"

কিন্তু একযোগে দেশের সকল আসনের নির্বাচনও কি বন্ধ করতে পারে নির্বাচন কমিশন? উত্তরে আব্দুল আলীম জানান, "এটা আসনভিত্তিক চিন্তা করতে হবে। আইনে পুরো বাংলাদেশের কথা বলা হয়নি।"

নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ফিরে পাওয়া 'ইতিবাচক'

২০২৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) সংশোধন করে। তখন অভিযোগ ওঠে, সরকার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ক্ষমতা সীমিত করে দিয়েছে।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, যিনি বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টা, ওই বছর বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, আরপিও'র ৯১ ধারায় সংশোধনের ফলে "ইসির আগের সেই ক্ষমতা আর নেই"।

তবে ২০২৫ সালের সংশোধনীতে ইসি ক্ষমতা ফিরে পেয়েছে।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার জেসমিন টুলি এ বিষয়ে বলছিলেন, "এখন এটি পূর্বের অবস্থায় ফিরে গেছে। এখন যেকোনো পর্যায়ে নির্বাচন বন্ধ করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে।"

"নতুন সংশোধনীতে 'বিভিন্ন নির্বাচনী আসন' বলা হয়েছে। আসন নিয়েই তো পুরো দেশ" উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো আসন বন্ধ না করা হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের এই ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার কোনো নেতিবাচক দিক নেই।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ এবং নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. মোহাম্মদ আব্দুল আলীমও মনে করেন যে আইনের এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা বেড়েছে।

 

Related Topics

টপ নিউজ

নির্বাচন / ইসি / নির্বাচন কমিশন / ভোট

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • হরমুজ। ছবি: এপি
    ইউয়ানে দাম মেটানো হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন করতে দিতে পারে ইরান
  • বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
    বিশ্বাস করেন সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খালি তদবির: মির্জা ফখরুল
  • ছবি: সংগৃহীত
    ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বে ঢাবি-র একক আধিপত্য, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাদের আক্ষেপ
  • ছবি: সংগৃহীত
    রাজধানীর এভারকেয়ারে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার
  • ছবি: রয়টার্স
    যে ৭ কারণে ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প এখনো জয়ী হতে পারেননি
  • ২০১২ সালের ৫ ডিসেম্বর টোকিওর ইয়োকোহামা বন্দরে একটি এলএনজিবাহী জাহাজ। ছবি: রয়টার্স
    ১২ দিনে জ্বালানি নিয়ে এসেছে ১৬টি জাহাজ, আরও তিনটি আসছে

Related News

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে আইএমএফ প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ  
  • পাঁচ মাসে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় নিহত ১২, আহত ২৬৫৩: এইচআরএসএস
  • নেপালের অনূঢ়া, রবি, বালেন শাহদের উত্থানের ধারায় বাংলাদেশ শামিল হতে পারলো না কেন?
  • নেপাল নির্বাচন: 'র‍্যাপার' বালেন শাহর দল আরএসপি ৪৫ আসনে এগিয়ে
  • নেপালের 'জেন জি' ভোটারদের স্বপ্ন এখন এক মিলেনিয়াল র‍্যাপারকে ঘিরে

Most Read

1
হরমুজ। ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

ইউয়ানে দাম মেটানো হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন করতে দিতে পারে ইরান

2
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
বাংলাদেশ

বিশ্বাস করেন সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খালি তদবির: মির্জা ফখরুল

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বে ঢাবি-র একক আধিপত্য, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাদের আক্ষেপ

4
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

রাজধানীর এভারকেয়ারে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার

5
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যে ৭ কারণে ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প এখনো জয়ী হতে পারেননি

6
২০১২ সালের ৫ ডিসেম্বর টোকিওর ইয়োকোহামা বন্দরে একটি এলএনজিবাহী জাহাজ। ছবি: রয়টার্স
বাংলাদেশ

১২ দিনে জ্বালানি নিয়ে এসেছে ১৬টি জাহাজ, আরও তিনটি আসছে

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net