‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে জাসদের কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা: গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন হয়নি
রাজধানীর পল্টনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে 'জয় বাংলা' স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল ইসলাম ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ২৭ জনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করেন। ওই রাতেই আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন এবং জামিন শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন।
সোমবার আসামিপক্ষের আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীসহ কয়েকজন আইনজীবী তাঁদের জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. দিনারুল আলম তুহিন (৫০), ইমান আহম্মেদ ইমন (৪৫), মোল্লা মোহাম্মদ শাহাজাহান সিরাজ (৩৭), জয় সরকার (৩১), মো. মিরাজ আহমেদ (১৯), মো. মিরাজ মল্লিক (৩৯), মো. রবিউল ইসলাম (৪২), মিলন কুমার মহস্ত (৩৯), মো. কাউসার হোসেন (৫০), শ্রী অন্তর শিল (৪০), জালাল উদ্দিন মন্ডল (৫৫), আব্দুল লতিফ (৪৬), শামীম আহমেদ (৩০), আহম্মেদ আহসান হাবিব (৪৩), মো. সুজন আলী (৩২), মো. তরিকুল ইসলাম (৩৭), মো. সাইফুল্লার সাদেক (৪৩), নয়ন আলী (৩০), সাজিদুল ইসলাম তুহিন (৪০), তাজুল ইসলাম (৩৪), নিস্কর সম্রাট হোসেন তালুকদার (৪৩), আনোয়ার হোসেন (৫২), মো. আলমগীর হোসেন (৪৫), মো. আল আমিন হাওলাদার (৩৯), মো. তুষার আলী (৫০), মো. রাসিদুল হক (৪৪) ও মীর মুক্তিসুর রহমান (৫১)।
৫৪ ধারায় গ্রেপ্তারের আবেদন
পুলিশের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তারের আবেদনে বলা হয়, ডিউটি চলাকালে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ওই ব্যক্তিরা 'জয় বাংলা' স্লোগান দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করেন।
পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাদের আটক করা হয় বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাস্থলে আসার বিষয়ে তারা কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তারা কোনো ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন—প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করছে পুলিশ।
