নদীভাঙনে প্রতিবছর বাস্তুচ্যুত হচ্ছে ৩,৫০০-এর বেশি পরিবার
দেশে নদীভাঙনে প্রতিবছর গড়ে ৩,৫০০-এর বেশি পরিবার এবং ১৫ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত বা উদ্বাস্তু হচ্ছেন। স্থান, সময় ও প্রাকৃতিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে– প্রতিবছর নদীভাঙনের পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয় বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪৩-এর সংসদ সদস্য শামছুন্নাহার বেগমের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এ তথ্য জানান।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নদীভাঙনের পরিস্থিতি প্রতিবছর একই রকম থাকে না। স্থান, সময় ও প্রাকৃতিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে এর মাত্রা পরিবর্তিত হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) স্যাম্পল ভাইটাল রেজিস্ট্রেশন সার্ভে (এসভিআরএস)-এর ২০২২ ও ২০২৩ সালের প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, দেশে প্রতিবছর গড়ে ৩,৫০০-এর অধিক পরিবার নদীভাঙনের কারণে বাস্তুচ্যুত বা উদ্বাস্তু হয়। একইভাবে প্রতিবছর গড়ে ১৫ হাজারের অধিক মানুষ নদীভাঙনের কারণে বাস্তুচ্যুত বা উদ্বাস্তু হচ্ছে।
সংসদ সদস্য শামছুন্নাহার বেগম গত ২০ বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙনের শিকার পরিবারের সংখ্যা এবং এসব পরিবার সরকারি পুনর্বাসন বা আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে কি না, তা জানতে চেয়েছিলেন।
তবে লিখিত জবাবে গত ২০ বছরের নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মোট সংখ্যা এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর কতজন সরকারি পুনর্বাসন বা আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছে—সে বিষয়ে কোনো পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি।
