মোহাম্মদপুরে অস্ত্রসহ ‘কাইয়ুম গ্রুপে’র ৪ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জহুরী মহল্লা এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও চার রাউন্ড গুলিসহ 'কাইয়ুম গ্রুপে'র চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— মো. রুবেল হোসেন ওরফে ভাতিজা রুবেল (২৯), মো. সাঈদুর রহমান সাঈদ ওরফে পিচ্চি সাঈদ (৪৩), মো. শরিফ (৩০) ও মো. শাওন (৪০)।
র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা কাইয়ুম গ্রুপের শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং তারা সরাসরি অস্ত্র কারবারের সঙ্গে জড়িত।
র্যাব-২ জানায়, গত ১৬ আগস্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে, মোহাম্মদপুর থানাধীন জহুরী মহল্লা এলাকায় কয়েকজন অস্ত্র কারবারি অবৈধ অস্ত্র কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে ওই রাতেই র্যাব-২-এর একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে এই চারজনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, 'কাইয়ুম গ্রুপের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র ব্যবসা, চাঁদাবাজি, মারামারি ও গ্যাং নিয়ন্ত্রণসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা অস্ত্রটি কোথা থেকে এসেছে এবং এর সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।'
র্যাবের তথ্যমতে, কাইয়ুম গ্রুপটি মোহাম্মদপুরের টিক্কাপাড়া, আজিজ মহল্লা এবং সূচনা কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন রিং রোড এলাকায় অস্ত্র ব্যবসা, চাঁদাবাজি, মারামারি ও গ্যাং নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।
র্যাব জানায়, রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় চুরি, দাঙ্গা, খুন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের তিনটি এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১০টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া আদাবর থানায় তার বিরুদ্ধে আরও একটি মাদক মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, সাঈদুর রহমান সাঈদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় বলপূর্বক অর্থ গ্রহণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন, অস্ত্র আইন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি করে মামলা রয়েছে। এছাড়া আদাবর থানায় ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ডাকাতির প্রস্তুতির তিনটি এবং খুনের একটি মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
