এক্সিলারেট আংশিক চালু, এলএনজি সরবরাহ বেড়ে ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট
মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি কাটিয়ে আংশিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। আজ (১৫ আগস্ট) রাত ১টা ৪৫ মিনিটে এটি চালুর পর জাতীয় গ্যাস গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ বেড়ে প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তা।
পেট্রোবাংলার সর্বশেষ দৈনিক তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৮টায় জাতীয় গ্যাস গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ৭৪৭ মিলিয়ন ঘনফুটে।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি ও অপারেশন) প্রকৌশলী মো. শোয়েব জানান, বর্তমানে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে এবং অবশিষ্ট অংশ সরবরাহ করছে এক্সিলারেট।
পেট্রোবাংলার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ সময়ে স্থানীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে গ্যাস উৎপাদন ছিল দৈনিক ১,৬১৩ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২,৩৬৪ মিলিয়ন ঘনফুটে।
এর আগে গতকাল বিকেলে কারিগরি বিভ্রাটের কারণে এক্সিলারেটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সাময়িকভাবে এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল। অন্যদিকে, গত পরশু কার্গো ভেড়াতে সমস্যার কারণে সামিট এলএনজি টার্মিনালে সরবরাহ বিঘ্নিত হলেও গতকাল সন্ধ্যায় সেটি পুনরায় চালু হয়ে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, সামিট ও এক্সিলারেটের এই দুটি এলএনজি টার্মিনালের যৌথ প্রক্রিয়াজাতকরণ ক্ষমতা দৈনিক ১,১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে সম্প্রতি বিভিন্ন পরিচালনগত সমস্যার কারণে এই সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না।
গত ২১ জুলাই এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক্সিলারেটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। অন্যদিকে, এলএনজিবাহী জাহাজের ধরনজনিত জটিলতার কারণে এলএনজি কার্গো খালাসে সাময়িক সমস্যার মুখে পড়েছে সামিট।
