২০৩৫ সালের মধ্যে বিমানের বহর ৪৭ উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা
জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০৩৫ সালের মধ্যে বহরের উড়োজাহাজ সংখ্যা ৪৭টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।
তিনি বলেন, 'জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০৩৫ সালের মধ্যে বহরের উড়োজাহাজ সংখ্যা ৪৭টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে।'
জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০৩৫ সালের মধ্যে বহরের উড়োজাহাজ সংখ্যা ৪৭টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।
মন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লিট এক্সপ্যানশন প্ল্যান ২০২৬-২০৩৫ অনুযায়ী ২০৩৫ সালে সংস্থাটির বহরে মোট ৪৭টি উড়োজাহাজ প্রয়োজন হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার জন্য বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।
তিনি জানান, পাশাপাশি বিমানের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মিশ্র বহর (মিক্সড ফ্লিট) গঠনের অংশ হিসেবে আরও উড়োজাহাজ সংযোজনের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
সরকারের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আগামী এক দশকে জাতীয় বিমান সংস্থাটির বহরে উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
লিখিত জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, গত ১৫ বছরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স মোট ৯টি উড়োজাহাজ কিনে বহরে যুক্ত করেছে। এর মধ্যে ২০১৯ সালে বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের দুটি, ২০২০ ও ২০২১ সালে ড্যাশ ৮-৪০০ মডেলের পাঁচটি এবং ২০২১ সালে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের দুটি উড়োজাহাজ ক্রয় করা হয়।
